লোকসাহিত্য/ছেলেভুলানো ছড়া:২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন


ছেলেভুলানো ছড়া 8 ግ মুখে সেই দেবদুর্লভ অমৃতরসের সন্ধান প্রাপ্ত হইয়াছেন, তাই তাহার অস্তরের উপাসনামন্দির হইতে এই গাথা উচ্ছসিত হইয়া উঠিয়াছে— ধনকে নিয়ে বনকে যাব, সেখানে খাব কী । নিরলে বসিয়া চাদের মুখ নিরথি । সেইজন্য ছড়ার মধ্যে প্রায়ই দেখিতে পাওয়া যায়— নিজের পুত্রের সহিত দেবকীর পুত্রকে অনেক স্থলেই মিশাইয়া ফেলা হইয়াছে। অন্ত দেশে মনুষ্যে দেবতায় এরূপ মিলাইয়া দেওয়া দেবাপমান বলিয়া গণ্য হইত। কিন্তু আমার বিবেচনায় মহন্তের উচ্চতম মধুরতম গভীরতম জীবন্ত সম্বন্ধ-সকল হইতে দেবতাকে স্থদুরে স্বতন্ত্র করিয়া রাখিলে মনুষ্যত্বকেও অপমান করা হয়, এবং দেবত্বকেও আদর করা হয় না। অামাদের ছড়ার মধ্যে মর্তের শিশু স্বর্গের দেবপ্রতিমার সঙ্গে যখন-তখন এক হইয়া গিয়াছে— সেও অতি সহজে, অতি অবহেলে— তাহার জন্য স্বতন্ত্র চালচিত্রেরও অবিশু্যক হইতেছে না। শিশু-দেবতার অতি অদ্ভূত অসংগত অর্থহীন চালচিত্রের মধ্যেই স্বগের দেবতা কখন অলক্ষিতে শিশুর সহিত মিশিয়। আপনি আসিয়া দাড়াইতেছেন । খোকা যাবে বেডু করতে তেলিমাগীদের পাড়া । তেলিমাগীরা মুখ করেছে কেন রে মাখনচোরা ॥ ভাড় ভেঙেছে, ননি খেয়েছে আর কি দেখা পাব । কদমতলায় দেখা পেলে বাশি কেড়ে নেব । হঠাৎ, তেলিমাগীদের পাড়ায় ক্ষুদ্র খোকাবাবু কখন যে বৃন্দাবনের বঁাশি অনিয়া ফেলিয়াছেন তাহা সে বঁাশি যাহাদের কানের ভিতর দিয়া মরমে প্রবেশ করিয়াছে তাহারাই বুঝিতে পরিবে । আমি ছড়াকে মেঘের সহিত তুলনা করিয়াছি। উভয়েই পরিবর্তনশীল, বিবিধ বর্ণে রঞ্জিত, বায়ুস্রোতে যদৃচ্ছাভাসমান। দেখিয়া মনে হয় নিরর্থক । 8b* s লোকসাহিত্য ছড়াও কলাবিচার-শাস্ত্রের বাছির, মেঘবিজ্ঞানও শাস্ত্রনিয়মের মধ্যে ভালেী করিয়া ধরা দেয় নাই। অথচ জড়জগতে এবং মানবজগতে এই দুই উচ্চুম্বল অদ্ভুত পদার্থ চিরকাল মহৎ উদ্দেশু সাধন করিয়া আসিতেছে। মেঘ বারিধারায় নামিয়া আসিয়া শিশু-শস্তকে প্রাণদান করিতেছে এবং ছড়াগুলিও স্নেহরসে বিগলিত হইয়া কল্পনাবৃষ্টিতে শিশুহৃদয়কে উর্বর করিয়া তুলিতেছে। লঘুকায় বন্ধনহীন মেঘ আপন লঘুত্ব এবং বন্ধনহীনতাগুণেই জগদব্যাপী হিতসাধনে স্বভাবতই উপযোগী হইয়া উঠিয়াছে, এবং ছড়াগুলিও ভারহীনতা অর্থবন্ধনশূন্ততা এবং চিত্রবৈচিত্র্য -বশতই চিরকাল ধরিয়া শিশুদের মনোরঞ্জন করিয়া আসিতেছে— শিশুমনোবিজ্ঞানের কোনো স্বত্র সম্মুখে ধরিয়া রচিত হয় নাই। రిo 82 ছেলেভুলানো ছড়া : ২ ভূমিকা আমাদের অলংকারশাস্ত্রে নয় রসের উল্লেখ আছে, কিন্তু ছেলেভুলানো ছড়ার মধ্যে যে রসটি পাওয়া যায়, তাহা শাস্ত্রোক্ত কোনো রসের অন্তর্গত নহে । সদ্যঃকর্ষণে মাটি হইতে যে সৌরভটি বাহির হয়, অথবা শিশুর নবনীতকোমল দেহের যে স্নেহোদবেলকর গন্ধ, তাহাকে পুষ্পচন্দন গোলাপজল আতর বা ধূপের স্বগন্ধের সহিত এক শ্রেণীতে ভুক্ত করা যায় না। সমস্ত স্বগন্ধের অপেক্ষ তাহার মধ্যে যেমন একটি অপূর্ব আদিমতা আছে, ছেলেভুলানো ছড়ার মধ্যে তেমনি একটি আদিম সৌকুমাৰ্য আছে ; সেই মাধুর্যটিকে বাল্যরস নাম দেওয়া যাইতে পারে। তাহা তীব্র নহে, গাঢ় নহে, তাহ অত্যন্ত স্নিগ্ধ সরস এব যুক্তিসংগতিহীন । শুদ্ধমাত্র এই রসের দ্বারা আকৃষ্ট হইয়াই অামি বাংলাদেশের ছড়া সংগ্রহে প্রবৃত্ত হইয়াছিলাম। রুচিভেদবশত সে রস সকলের প্রতিকর না হইতে পারে, কিন্তু এই ছড়াগুলি স্থায়ীভাবে সংগ্ৰহ করিয়া রাখা কর্তব্য সে বিষয়ে বোধ করি কণহারে মতান্তর হইতে পারে না। কারণ, ইহা অামাদের জাতীয় সম্পত্তি। বহুকাল হইতে আমাদের দেশের মাতৃতাগুরে এই ছড়াগুলি রক্ষিত হইয়া আসিয়াছে ; এই ছড়ার মধ্যে আমাদের মাতৃমাতামহীগণের স্নেহসংগীতস্বর জড়িত হইয়া আছে, এই ছড়ার ছন্দে আমাদের পিতৃপিতামহগণের শৈশবনৃত্যের নূপুরনিক্কণ ঝংকৃত হইতেছে। অথচ, আজকাল এই ছড়াগুলি লোকে ক্রমশই বিস্তৃত হইয়া যাইতেছে। সামাজিক পরিবর্তনের স্রোতে ছোটো বড়ে অনেক জিনিস অলক্ষিতভাবে ভাসিয়া যাইতেছে । অতএব জাতীয় পুরাতন সম্পত্তি সযত্বে সংগ্ৰহ করিয়া রাখিবার উপযুক্ত সময় উপস্থিত হইয়াছে। 8 (to লোকসাহিত্য ছড়াগুলি ভিন্ন ভিন্ন প্রদেশ হইতে সংগ্রহ করা হইয়াছে ; এইজন্য ইহার অনেকগুলির মধ্যে বাংলার অনেক উপভাষা ( dialect ) লক্ষিত হইবে । একই ছড়ার অনেকগুলি পাঠও পাওয়া যায় ; তাহার মধ্যে কোনোটিই বর্জনীয় নহে । কারণ, ছড়ায় বিশুদ্ধ পাঠ বা আদিম পাঠ বলিয়া কিছু নির্ণয় করিবার উপায় অথবা প্রয়োজন নাই। কালে কালে মুখে মুখে এই ছড়াগুলি এতই জড়িত মিশ্রিত এবং পরিবর্তিত হইয়া আসিতেছে যে, ভিন্ন ভিন্ন পাঠের মধ্য হইতে কোনো-একটি বিশেষ পাঠ নির্বাচিত করিয়া লওয়া সংগত হয় না। কারণ, এই কামচারিত কামরূপধারিতা ছড়াগুলির প্রকৃতিগত । ইহার ; অতীত কীতির ন্যায় মৃতভাবে রক্ষিত নহে। ইহারা সজীব, ইহার। সচল ; ইহারা দেশকালপাত্রবিশেষে প্রতিক্ষণে আপনাকে অবস্থার উপযোগী করিয়া তুলিতেছে। ছড়ার সেই নিয়তপরিবর্তনশীল প্রকৃতিটি দেখাইতে গেলে তাহার ভিন্ন ভিন্ন পাঠ রক্ষা কর। অবিশু্যক । নিম্নে একটি উদাহরণ দেওয়া যাক – প্রথম পাঠ আগডুম বাগডুম ঘোড়াডুম সাজে । ঢাক মৃদং ঝাঝর বাজে বাজতে বাজতে চলল ভুলি । ভুলি গেল সেই কমলাপুলি । কমলাপুলির টিয়েট । স্বয্যিমামার বিয়েট ॥ আয় রঙ্গ হাটে যাই । গুয়া পান কিনে খাই ॥ একটা পান ফোপর।। মায়ে ঝিয়ে ঝগড়া । ছেলেভুলানো ছড়া : ২ কচি কচি কুমড়োর ঝোল। ওরে খুকু গা তোল ॥ আমি তো বটে নন্দঘোষ— মাথায় কাপড় দে । হলুদ বনে কলুদ ফুল— তারার নামে টগর ফুল ॥ विउँौग्न श्रृंोर्ट আগডুম বাগডুম ঘোড়াডুম সাজে । ঢণই মিরগেল ঘাঘর বাজে। বাজতে বাজতে প’ল ঠুলি । ঠুলি গেল কমলাফুলি । আয় রে কমলা হাটে যাই । পান গুয়োটা কিনে খাই ॥ কচি কুমড়োর ঝোল। ওরে জামাই গা তোল ॥ জ্যোৎস্নাতে ফটিক ফোটে— কদমতলায় কে রে । আমি তো বটে নন্দঘোষ— মাথায় কাপড় দে-রে ॥ তৃতীয় পাঠ আগডুম বাগডুম ঘোড়াডুম সাজে । লাল মিবৃগেল ঘাঘর বাজে । বাজতে বাজতে এল ডুলি । ভুলি গেল সেই কমলাপুলি । ●之 লোকসাহিত্য কমলাপুলির বিয়েট । স্বষ্যিমামার টিয়েটা ॥ হাড়মুড় মুড় কেলে জিরে । কুহুম কুমুম পানের বি“ড়ে ! রাই রাই রাই রাবণ ॥ হলুদ ফুলে কলুদ ফুল। তারার নামে টগগর ফুল ৷ এক গাচি করে মেয়ে খাড়া । এক গাচি করে পুরুষ খাড়া ॥ জামাই বেটা ভাত খাবি তো এখানে এসে বোস । খ। গণ্ড গণ্ড কাটালের কোষ ॥ উপরি-উদ্ধত ছড়াগুলির মধ্যে মূল পাঠ কোনটি তাহ নির্ণয় করা অসম্ভব, এবং মূল পাঠটি রক্ষা করিয়া অন্য পাঠগুলি ত্যাগ করাও উচিত হয় না। ইহাদের পরিবর্তনগুলিও কৌতুকাবহ এবং বিশেষ আলোচনার যোগ্য। ‘আগডুম বাগডুম ঘোড়াডুম সাজে’– এই ছত্রটির কোনো পরিষ্কার অর্থ আছে কি না জানি না ; অথবা যদি ইহা অন্য কোনো ছত্রের অপভ্রংশ হয় তবে সে ছত্রটি কী ছিল তাহাও অনুমান করা সহজ নহে। কিন্তু ইহা স্পষ্ট দেখা যাইতেছে, প্রথম কয়েক ছত্র বিবাহযাত্রার বর্ণনা । দ্বিতীয় ছত্রে যে বাজনা কয়েকটির উল্লেখ আছে তাহা ভিন্ন ভিন্ন পাঠে কতই বিকৃত হইয়াছে ! আবার ভিন্ন স্থান হইতে আমরা এই ছড়ার আর-একটি পাঠ প্রাপ্ত হইয়াছি, তাহাতে আছে— 馨 আগডম বাগডম ঘোড়াডম সাজে। ডান মেকৃড়া ঘাঘর বাজে । cछ्प्लङ्कणोप्बा छ्छ| : २ Q\o বাজতে বাজতে পড়ল টুরি। টুরি গেল কমলাপুরী । ভাষার যে ক্রমশ কিরূপ রূপান্তর হইতে থাকে এই-সকল ছড়া হইতে তাহার প্রত্যক্ষ দৃষ্টান্ত পাওয়া যায়। ছড়াসংগ্ৰহ > মাসি পিসি বমগাবাসী বনের ধারে ঘর । কখনো মাসি বলেন না ষে খই-মোয়াটা ধর । কিসের মাসি কিসের পিসি কিসের বৃন্দাবন। এত দিনে জানিলাম মা বড়ো ধন ॥ মাকে দিলুম আমন দোলা । বাপকে দিলুম নীলে ঘোড়া । আপনি যাব গৌড়। আনিব সোনার মউর ॥ তাইতে দেব ভায়ের বিয়ে। আপনি নাচব ধেয়ে ৷ ૨ কে মেরেছে কে ধরেছে সোনার গতরে । অধিকাঠা চাল দেব গালের ভিতরে ॥ কে মেরেছে কে ধরেছে কে দিয়েছে গাল । তার সঙ্গে গোসা করে ভাত খাও নি কাল ॥ কে মেরেছে কে ধরেছে কে দিয়েছে গাল । তার সঙ্গে কোদল করে আসব অামি কাল ॥ (#8 লোকসাহিত্য মারি নাইকে ধরি নাইকো বলি মাইকে দূর । সবেমাত্র বলেছি গোপাল, চরণও গে বাছুর ॥ \O পু"টু নাচে কোনখানে। শতদলের মাঝখানে । সেখানে পুটু কী করে । চুল ঝাড়ে আর ফুল পাড়ে। ডুব দিয়ে দিয়ে মাছ ধরে। 8 ধন ধোনা ধন ধোনা । চোতবোশেখের বেন! | ধন বর্ষাকালের ছাতা জাড়কালের র্কাথা ॥ ধন চুল বাধবার দড়ি হুড়কে দেবার নড়ি ॥ পেতে শুতে বিছানা নেই– ধন ধুলোয় গড়াগড়ি । ধন পরানের পেটে । কোন পরানে বলব রে ধন যাও কাদাতে হেঁটে । ধন ধোনা ধন ধন ৷ এমন ধন যার ঘরে নাই তার বৃথায় জীবন। (? ঘুমপাড়ানি মাসি পিসি আমার বাড়ি যেয়ে। সরু স্বতোর কাপড় দেব, ভাত রেধে খেয়ো ॥ পাঠান্তর : ८छ्८शङ्कलोट्ञो छ्क्क : २ আমার বাড়ির জাছকে আমার বাড়ি সাজে। লোকের বাড়ি গেলে জাদু কোদলখণনি বাজে ॥ হোক কোদল ভাঙক খাডু । ছ হাতে কিনে দেব ঝালেৱ নাডু । ঝালের নাড়, বাছ আমার না খেলে না ছু-লে । পাড়ার ছেলেগুলো কেড়ে এসে খেলে | গোয়াল থেকে কিনে দেব দুদওলা গাই । বাছার বালাই নিয়ে আমি মরে যাই ॥ জুদওলা গইটে পালে হল হার । ঘরে অাছে আওটা দুধ আর চাপাকলা । তাই দিয়ে জাদুকে ভোলা রে ভোলা ॥ vყ ঘুমপাড়ানি মাসি পিসি ঘুমের বাড়ি যেয়ো । বাটা ভরে পণন দেব, গাল ভরে খেয়ো ॥ শান-বাধানো ঘাট দেব, বেসম মেখে নেয়ো ; শীতলপাটি পেড়ে দেব, প’ড়ে ঘুম যেয়ো ॥ অঁবি-কাঠালের বাগান দেব, ছায়ায় ছায়ায় যাবে । চার চার বেয়ারা দেব, র্কাধে করে নেবে ॥ দুই দুই বাদি দেব, পায়ে তেল দেবে। উলকি শ ধানের মুড়কি দেব নারেঙ্গাই ধানের খই । গাছ-পাকা রস্তা দেব হাড়ি-ভরা দই । ১ উড় কি ২ বিন্নি ( অর্থ : বাছাই ) @● و وع লোকসাহিত্য ঘুমপাড়ানি মাসি পিসি আমার বাড়ি এসে । সেজ নেই মাদুর নেই, পুটুর চোখে বোসে । বাট ভরে পান দেব, গাল ভরে খেয়ো । খিড়কি দুয়ার খুলে দেব, কুড়,ং করে যেয়ো । Ե ও পাড়াতে যেয়ে না, বঁধু এসেছে। বঁধুর পাতের ভাত খেয়ে না, ভাব লেগেছে। ভাব ভাব কদমের ফুল ফুটে রয়েছে। ঢাকন খুলে দেখো, বড়ো বউর থোকা হয়েেেছ । ఇ পানকৌড়ি পানকৌড়ি ডাঙায় ওঠ্যে’সে । তোমার শাশুড়ি বলে গেছে, বেগুন কোটো’সে । ও বেগুন কুটো না, বীচ রেখেছে। ও ঘরেতে যেয়ে না, বঁধু এয়েছে। বঁধুর পান খেয়ো না, ঝগড়া করেছে। দশদণকে দেখে কদম-পান ফুটে উঠেছে ৷ > * পানকৌড়ি পানকৌড়ি ডাঙায় ওঠো”সে । তোমার শাশুড়ি বলে গেছেন, আলু কোটো’সে । কী করে কুটব, চাকা চাকা ক’রে । ও দুয়োরে যেয়ে না, বঁধু এসেছে । বধুর পান খেয়ে না, ভাব লেগেছে । ভাৰ ভাব কদমের ফুল ফুটে উঠেছে ৷ ছেলেভুলানো ছড়া : ২ S > ঘুঘু মেতি সই পুত কই । হাটে গেছে ৷ হাট কই । পুড়ে গেছে । ছাই কই । গোয়ালে অাছে ॥ সোনা-কুড়ে পড়বি না ছাই-কুড়ে পড়বি । > a ওরে আমার ধন ছেলে পথে বসে বসে কানছিলে । মা ব’লে ব’লে ডাকছিলে ॥ ধুলো-কাদা কত মাকৃছিলে । সে যদি তোমার মা হত ধুলো-কাদা ঝেড়ে কোলে নিত । >\ご পু"টুমণি গো মেয়ে । বর দিব চেয়ে ॥ কোন গায়ের বর । নিমাই সরকারের বেটা। পালকি বের কর । বের করেছি বের করেছি ফুলের ঝার দিয়ে । পু"টুমণিকে নিয়ে যাব বকুলতলা দিয়ে । 6 * লোকসাহিত্য S 8 ধুলোর দোসর নন্দকিশোর ধুলো-মাখা গায়। ধুলো ঝেড়ে করব কোলে জায় নন্দরায় । > (t ধুলোর দোসর নন্দকিশোর গা করেছ খড়ি ! কলুবাড়ি যাও, তেল আন গে, আমি দিব তার কড়ি । טא כי অীয় রে চাদা, আগড় বাধা, দুয়ারে বাধা হাতি । চোক ঢুলঢুল নয়নতারা, দেখ সে চাদের বাজি । S on বড়োবড গো ছোটো বউ গো জলকে যাবি গো । জলের মধ্যে ফুল ফুটেছে দেখতে পাবি গো ॥ কেষ্ট বেড়ান কুলে কুলে, তাত নিবি গো । তারি জন্তে মার খেয়েছি, পিঠ দেখো গো ॥ বড়োবউ গো ছোটোবউ গে অারেক কথা শুনসে। রাধার ঘরে চোর ঢুকেছে চুড়োবাধা মিনসে ॥ ঘটি নেয় না বাটি নেয় না, নেয় না সোনার ঝারি – যে ঘরেতে রাঙা বউ সেই ঘরেতে চুরি । Ꮌbr খোক গেছে মাছ ধরতে, দেবতা এল জল । ও দেবতা তোর পায়ে ধরি খোকন আস্থক ঘর । কাজ মাইকো মাছে, আগুন লাগুক মাছে । খোকনের পণয়ে কাদা লাগে পাছে ॥ ८छ्प्लफूलों८ब् छ्ज़ी : २ Ss এ পারেতে বেনা, ੪ਆੇਣ বেন । মাছ ধরেছি চুনোচান ৷ হঁাড়ির ভিতর ধনে । গৌরী বেটি কনে ॥ মোকে বেটা বর । টাকশালেতে চাকরি করে, ঘুঘুডাঙায় ঘর । ঘুঘুডাঙায় ঘুঘু মরে চালভাজা খেয়ে । ঘুঘুর মরণ দেখতে যাব এয়োশাখা প’রে ॥ শাখাটি ভাঙল । ঘুঘুটি ম’ল ।

  • ? о

কাদ্বনে রে কাদুনে কুলতলাতে বাসা । পরের ছেলে কঁশদবে ব’লে মনে করেছ অাশা ৷ হণত ভাঙব পা ভাঙব, করব নদী পার । সারারাত কেঁদে না রে, জাদু, ঘুমে একবার ॥

  • R N

তালগাছেতে হুতুম্‌থুমো, কান অাছে পদারু। মেঘ ডাকছে ব’লে বুক করছে গুরু গুরু ॥ তোমাদের কিসের আণনাগোনা । উড়ে মেড়ার বাপ আসছে দিদিন ধিন ধিন ॥ ૨ ૨ দেগল দোল দোলানি । কানে দেব চৌদানি ॥ ●な〉 লোকসাহিত্য কোমরে দেব ভেড়ার টোপ । ফেটে মরবে পাড়ার লোক । মেয়ে নয়কো সাত বেটা— গড়িয়ে দেব কোমরপাট ॥ দেখ শত্তর চেয়ে— অামার কত সাধের মেয়ে ॥ 之\○ ইকৃড়ি মিকৃড়ি চাম চিকুড়ি চাম কাটে মজুমদার । ধেয়ে এল দামুদর । দশমুদর ছুতরের পো । হিঙুল গাছে বেঁধে থো ॥ হিঙুল করে কড়মড় । দশদণ দিলে জগন্নাথ । জগন্নাথের ইড়িকুডি । দুয়োরে বসে চাল কঁাড়ি ॥ छांव्ल कँीएट्वटड झल ८दल ভাত খাওসে দুপুরবেলা । ভাতে পড়ল মাছি । কেণদণল দিয়ে চাচি ॥ কোদণল হল ভেঁাতা। খা ছুতরের মাথা । ছেলেভুলানো ছড়া : ২ ૨ 8 উলুকেতু দুলুকেতু নলের বাশি । নল ভেঙেছে একাদশী । একা নল পঞ্চদল । কে যাবি রে কামার-সাগর । কামার-মাগী কেরকেরানি যেন পাটরানী ॥ আকৃ-বন ডাব-বন । কুড়ি কিষ্টি বেড়া বন ॥ কণর পেটের দুয়ো । কার পেটের স্বয়ো ॥ ব’লে গেছে চড়-ই রাজ চোরের পেটে চাল-কড়াই ভাজা । কাঠবেড়ালি মদ মাগী কাপড় কেচে দে । হারদোচ খেলাতে ডুলকি কিনে দে । ডুলকির ভিতর পাকা পান । ছি, হি-তুর সোয়ামি মোচরমান ॥ এক-পাথর কলাপোড়া এক-পাথর ঝোল । নাচে আমার খুকুমণি, বাজা তোরা ঢোল ॥ ૨ (t উলুকুটু ধুলুকুটু নলের বাশি নল ভেঙেছে একাদশী ॥ এক নল পঞ্চদল । মা দিয়েছে কামারশাল ॥ శ్రీ ) ఆN লোকসাহিত্য কামার-মার্গর ঘুরঘুরুনি । অপর্ণ দর্পণ। কুড়িগুষ্টি ব্রাহ্মণ । ¿ Qo রামু কেন কেঁদেছে । ভিজে কাঠে রেধেছে । কাল যাব আমি গঞ্জের হাট । কিনে আনিব শুকনে কাঠ । তোমার কান্না কেন শুনি । তোমার শিকেয় তোলা ননি । তুমি খাও-না সারা দিনই । 있 খোকোমণি দুধের ফেনি ডাবলোর ঘি, খোকার বিয়ের সময় করব আমি কী । সাত মাগী দাসী দেব পায়ে তেল দিতে, সাত মিনসে কাহার দেব দুলান দুলাতে, সরু ধানের চিড়ে দেব নাগর খেলাতে, রসকরা নাড় দেব শাশুড়ি ভুলাতে ॥ ミ切* খোকা অামাদের সোনা, চার পুখুরের কোন । বাড়িতে সেকরা ডেকে মোহর কেটে গড়িয়ে দেব দানা— তোমরা কেউ কোরো না মান । ছেলেভুলানো ছড়া : ২ Woo) ૨ જે থোকা আমাদের লক্ষ্মী । গলায় দেব তক্তি ॥ কাকালে দেব হেলে । পাক দিয়ে দিয়ে নিয়ে বেড়াব আমাদের ছেলে ॥১ ধন ধন ধনিয়ে কাপড় দেব বুনিয়ে। তাতে দেব হীরের টোপ, ফেটে মরবে পাড়ার লোক ॥ גס\ আলতাতুড়ি গাছের গুড়ি জোড়-পুতুলের বিয়ে । এত টাকা নিলে বাবা, দূরে দিলে বিয়ে । এখন কেন কানছ বাবা গামছা মুড়ি দিয়ে। আগে কাদে মা-বাপ, পাছে র্কাদে পর । পাড়াপড়শি নিয়ে গেল শ্বশুরদের ঘর ॥ শ্বশুরদের ঘরখানি বেতের ছাউনি । তাতে বসে পান খান দুর্গ ভবানী । হেঁই দুর্গা, হেঁই দুর্গা, তোমার মেয়ের বিয়ে । তোমার মেয়ের বিয়ে দাও ফুলের মালা দিয়ে । ফুলের মালা গোদের ডালা কোন সোহগির বউ । হীরোদার মড় মড়ে থান ঠাকুরদাদার বউ । ১ পাঠান্তর : হিজা দিয়ে বেড়াবে যেন বড়োমানুষের ছেলে । লোকসাহিত্য 8 وني এক বাড়িতে দই দিব্য এক বাড়িতে চি“ড়ে । এমন করে ভোজন করে গোকুনাথের কিরে । 193 হ্যাদে রে কলমিলতা এতকাল ছিলে কোথা ॥ এতকাল ছিলাম বনে । বনেতে বাগদি ম’ল, অামারে যেতে হল । তুমি নেও কলসী কাকে— অামি নিই বন্দু হাতে । চলে যাই রাজপথে । ছেলের মা গয়না গীথে, ছেলেটি তুড়-ক নাচে । \○Vー) খোকা যাবে নায়ে, রোদ লাগিবে গায়ে— লক্ষ টাকার মলমলি থান সোনার চাদর গায়ে । তাতে নাল গোলাপের ফুল যত বাঙালের মেয়ে দেখে ব্যাকুল । সয়দাবাদের ময়দা, কাশিম-বাজারের ঘি— একটু বিলম্ব করো, খোকাকে লুচি ভেজে দি ॥১ ১ পাঠান্তর : উলোর ভু’য়ের ময়দা রে সয়দাবাদের ঘি । শান্তিপুরের কড়াই এনে নুচি ভেজে দি । ছেলেভুলানো ছড়া : ২ \No8 স্বৰ্ড,স্বভুনি গুড় গুডুনি নদী এল বান। শিবঠাকুর বিয়ে কল্পেন, তিন কন্তে দান। এক কন্তে রাধেন বাড়েন, এক কন্তে খান । এক কন্তে না পেয়ে বাপের বাড়ি যান । বাপেদের তেল-আমলা, মালীদের ফুল— এমন ক’রে চুল বাধব হাজার টাকা মূল । হাজারে বাজারে পড়ে পেলাম খাড়া, সেই খাড়া দিয়ে কাটলাম নাল কচুর দাটা ॥ \○○ খোকাবাবু চৌধুরী গা পেয়েছে আগুড়ি । মাছ পেয়েছে পব । আমার খোকামণির বউ ডাকছে । ভাত খাওসে বাবা ॥ وع وصيا একবার নাচে চাদের কোণ । আমি মুরলী বঁধিয়ে দেব যত লাগে সোনা ॥ আবার তোমার নাচন অামি জানি, জানে না ব্ৰজাঙ্গন ॥ vo ዓ শিব নাচে ব্ৰহ্মা নাচে অপর নাচে ইন্দ্র । গোকুলে গোয়ালা নাচে পাইয়ে গোবিন্দ ॥ ক্ষীর খিবৃসে ক্ষীরের নাডু মর্তমানের কলা । কুটিয়ে চুটিয়ে খায় যত গোপের বালা ॥

  • 6t লোকসাহিত্য

নন্দের মন্দিরে গোয়াল এল ধেয়ে । তাদের হাতে নড়ি, কাধে ভাড়— নাচে থেয়ে থেয়ে ! \ՉԵ থোকা নাচে কোনখানে । শতদলের মাঝখানে সেখানে খোকা চুল ঝাড়ে— থোকা থোকা ফুল পড়ে । তাই নিয়ে খোকা খেলা করে । VE) EN অন্নপূর্ণ দুধের সর কাল যাব লে। পরের ঘর ॥ পরের বেটা মারলে চড়, কানতে কানতে খুড়োর ঘর । খুড়ো দিলে বুড়ে বর ॥ হেঁই খুড়ে তোর পায়ে ধরি রেখে অীয় গে মায়ের বাড়ি ॥ মায়ে দিল সরু শাখা বাপে দিল শাড়ি । ঝপ ক’রে মা বিদেয় কর— রথ আসছে বাড়ি আগে আক্ষ রে চৌপল পিছে যায় রে ভুলি । ছেলেভুলানো ছড়া : ২ দাড়া রে কাহার মিনসে মাকে স্থির করি ॥ মা বড়ো নিবুদ্ধি কেঁদে কেন মর। আপুনি ভাবিয়ে দেখো কার ঘর কর । 8 o খোকা নাচে বুকের মাঝে— নাক নিয়ে গেল বোয়াল মাছে ॥ ওরে বোয়াল ফিরে আয়— খোকার নাচন দেখে যা ৷ 8 S মাসি পিসি বনকাপাসি। বনের মধ্যে টিয়ে । মাসি গিয়েছে বৃন্দাবন দেখে আসি গিয়ে । কিসের মাসি কিসের পিসি কিসের বৃন্দাবন— অাজ হতে জানলাম মা বড়ো ধন ॥ মাকে দিলাম শাখা শাড়ি । বাপকে দিলাম নীলে ঘোড়া ॥ ভাইয়ের দিলাম বিয়ে— কলসীতে তেল নেইকো, কিবা সাধের বিয়ে । কলসীতে তেল নেইকো, নাচব থিয়ে থিয়ে ॥ 8૨ মাসি পিসি বনকাপাসি বনের মধ্যে ঘর । কখনো বললি নে মাসি কড়ার নাড় ধর । 8○ খোকো মানিক ধন, বাড়ি-কাছে ফুলের বাগান,তাতে বৃন্দাবন । tool «Nob” লোকসাহিত্য 88 কিসের লেগে কাদ থেকে কিসের লেগে কাদ। কিবা নেই আমার ঘরে । অামি সোনার বাশি বঁধিয়ে দেব— মুক্ত থরে থরে ॥ 86t ওরে আমার সোনা, এতখানি রাতে কেন বেহন ধান ভানা । বাড়িতে মানুষ এসেছে তিনজন । বাম মাছ রেধেলি শোলমাছের পোন ॥ 8° কে ধরেছে কে মেরেছে কে দিয়েছে গাল । খোকার গুণের বালাই নিয়ে মরে যেন সে কাল ॥ 8ግ কাজল বলে অজিল আমি রাঙামুখে যাই । কালো মুখে গেলে আমার হতমান হয় : 8し* খোকে আমার কী দিয়ে ভাত খাবে। নদীর কুলে চিংড়িমাছ বাড়ির বেগুন দিয়ে । 8?Ᏹ খোকে। যাবে রথে চড়ে, ব্যাঙ হবে সারথি মাটির পুতুল নটর-পটর, পি°পড়ে ধরে ছাতি— ছাতির উপর কোম্পানি কোন সাহেবের ধন তুমি । ছেলেভুলানো ছড়া : ২ & e খোকো যাবে মাছ ধরিতে, গায়ে নাগিবে কাদা। কলু বাড়ি গিয়ে তেল নেও গে, দাম দেবে তোমার দাদ। (t X খোৰো যাবে মাছ ধরিতে ক্ষীরনদীর বিল ; মাছ নয় গুগুলির পেছে উড়ছে দুটো চিল । ¢ २ খোকো যাবে মোঘ চরাতে, খেয়ে যাবে কী । আমার শিকের উপর গমের রুটি, তবলা-ভরা ঘি ॥ ○ こ খোকো ঘুমে ঘুমে । তালতলাতে বাঘ ডাকছে দারুণ হুমো ॥ & 8 . ঘুম্তা ঘুমায় ঘুম্তা ঘুমায় গাছের বাকলা। ষষ্ঠীতলায় ঘুম যায় মস্ত হাতি ঘোড়া । ছাইগাদায় ঘুম যায় খেকি কুকুর । খাটপালঙ্গে ঘুম যায় যষ্ঠ ঠাকুর । আমার কোলে ঘুম যায় খোকোমণি ॥ & st জাতা গাছে তোতা পাখি, দালিম গাছে মউ কথা কও না কেন বউ ॥ কথা কব কী ছলে । কথা কইতে গা জলে ॥ ఆఫె ") е লোকসাহিত্য وان 6 ও পারে তিল গাছটি তিল কুর ঝুরু করে । তারি তলায় মা আমার লক্ষ্মী-প্রদীপ জালে ॥ ম। অামার জটাধারী ঘর নিকুচ্ছেন । বাবা অামার বুড়োশিব নৌকা সাজাচ্ছেন ॥ ভাই অামার রাজ্যেশ্বর ঘড়া ভুবাচ্ছেন । ওই আসছে প্যাখ না বিবি প্যাক প্যাক প্যাকৃ— ও দাদা দেখ দেখ, দেখ ॥ ¢ ዓ খোকো অামার ধন ছেলে পথে বসে বসে কানছিলে । রাঙা গায়ে ধুলো মাখছিলে । মা ব’লে ধন ডাকছিলে ॥ ○W* খোকা খোকা ডাক পাড়ি । খোকা গিয়েছে কণর বাড়ি । অান গো তোরা লালছড়ি । থোকণকে মেরে খুন করি ॥ ছেলেভুলানো ছড়া : ২ ●公 ঘুমপাড়ানি মাসি পিসি আমাদের বাড়ি যেয়ে। খাট নেই, পালঙ্গ নেই, খোকার চোখে বোসে ॥ খোকার মা বাড়ি নেই, শুয়ে ঘুম যেয়ে । মাথার নীচে দুধ আছে, টেনে টুনে খেয়ো । নিশির কাপড় খসিয়ে দেব, বাঘের নাচন চেয়ে । বাট ভরে পান দেব, দুয়োরে বসে খেয়ো । খিড়কি দুয়োর কেটে দেব ফুডুং ফুডুৎ যেয়ো । \లిe খুকিমণি দুধের ফেনি, বওগাছের মউ ৷ হাড়ি ডুগডুগানি উঠান-ঝাড়নি মগু-খেকোর বউ । لا حقا নিদ পাড়ে নিদ পাড়ে গাছের পাতাড়ি । ষষ্ঠীতলায় নিদ পাড়ে বুড়ো মাথারি ॥ খেড়ো ঘরে নিদ পাড়ে কালা কুকুর । আমাদের বাড়ি নিদ পাড়ে খোকা ঠাকুর । \უპ হরম বিবির খড়ম পায় । লাল বিবির জুতো পায় ॥ চল লো বিবি ঢাকা যাই— ঢাকা গিয়ে ফল খাই । সে ফলের বোটা নাই ॥ ግ > ԳՀ লোকসাহিত্য &g\S) ঢাকির ঢাক বাজায় খালে আর বিলে । সুন্দরীরে বিয়া দিলাম ডাকাতের মেলে ॥ ডাকাত আলো ম}, পাট কাপড় দিয়ে বেড়ে নিলে, দেখতে দিলে না । আগে যদি জানতাম ডুলি ধরে কানতাম । \&) 8 ইটা কমলের মা লে৷ ভিটা ছেড়ে দে । তোর ছাওয়ালের বিয়া, বাদ্য এনে দে । ছোটো বেলায় খেলাইছিলাম ঘুটি মুছি দিয়া । মা গালাইছিলেন খুবরি বলিয়া ॥ এখন কেন কাদো মা গো ডুলির খুরা ধরে । পরের পুতে নিয়ে যাবে ডুমডুমি বাজিয়ে । t) وقة কে রে, কে রে, কে রে— তপ্ত দুধে চিনির পান। মও ফেলে দে রে | وخاوفا অীয় রে পাখি টিয়ে— খোকা অামাদের পান খেয়েছে নজর বাধা দিয়ে ॥ cछ्८लङ्कलोटमा छ्ख्नो : २ ר פא জায় রে পাখি লটুকুন ভেজে দিব তোরে ববুবটনা । খাবি আর কলকলাবি। খোকাকে নিয়ে ঘুম পাড়াবি। مرbوا۔ ষষ্ঠী বাছ। পানের গোছ। তুলে মাড় রে । ষে অবাগী দেখতে নারে পাড়া ছেড়ে যা রে \9వి ধুলায় ধূসর নন্দকিশোর ধুলা মেখেছে গায়। ধুলা ঝেড়ে কোলে করে। সোনার জাদুরায় ॥

  • o

থোকা অামাদের কই – জলে ভাসে খই। শুকোলো বাটার পান অম্বল হল দই । צר খোকো খোকো ডাক পাড়ি খোকো বলে, মা, শাক তুলি ॥ סיף ግ8 লোকসাহিত্য মরুক মরুক শাক তোলা— খোকো খাবে দুধ কলা ॥ १२ আমার খোকো যাবে গাই চরাতে— গাইয়ের নাম হাসি । আমি সোনা দিয়ে বাধিয়ে দেব মোহন-চুড়া বাশি । טף খোকোর আমার নিদন্তের হাসি অামি বড়োই ভালোবাসি । ግ 8 খোকে যাবে নায়ে লাল জুতুয়া পায়ে। পাচ শো টাকার মলমলি থান সোনার চাদর গায়ে | তোমরা কে বলিৰে কালে । পাটনা থেকে হলুদ এনে গা ক’রে দ্বিৰ আলো । ግ @ খোকো ঘুমালো দিব দান পাব ফুলের ডালি । কোন ঘাটে ফুল তুলেছে ওরে বনমালী । চাদমুখেতে রোদ লেগেছে, তুলে ধরে ডালি ।