শান্তিনিকেতন ব্রহ্মচর্যাশ্রম

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

শান্তিনিকেতন ব্রহ্মচর্যাশ্রম

শান্তিনিকেতন ব্ৰহ্মচর্যাশ্রম

প্রতিষ্ঠাদিবসের উপদেশ হে সৌম্য মানবকগণ, অনেককাল পূর্বে আমাদের এই দেশ, এই ভারতবর্ষ, সকল বিষয়ে যথার্থ বড়ো ছিল— তখন এখানকার লোকের বীর ছিলেন ; তারাই আমাদের পূর্বপুরুষ । যথার্থ বড়ো কাহাকে বলে ? আমাদের পূর্বপুরুষেরা কী হলে আপনাদের বড়ো মনে করতেন ? আজকাল আমাদের মনে তাদের সেই বড়ো ভাবটি নেই বলেই ধনকেই আমরা বড়ো হবার উপায় মনে করি, ধনীকেই আমরা বলি বড়োমাহুষ । তারা তা বলতেন না । তাদের মধ্যে সবচেয়ে যারা বড়ো ছিলেন সেই ব্রাহ্মণরা ধনকে তুচ্ছ করতেন। তাদের বেশভূষা বিলাসিত কিছুই ছিল না । অথচ বড়ো বড়ো রাজারা এসে তাদের কাছে মাথা নত করতেন । যে মানুষ কাপড়চোপড় জুতোছাত নিয়ে নিজেকে বড়ো মনে করে, ভেবে দেখো দেখি সে কত ছোটে । জুতো কি মানুষকে বড়ো করতে পারে। দামি জুতো দামি কাপড় কি আমাদের কোনো গুণের পরিচয় দেয় । আমাদের প্রাচীনকালে ষে-সব ঋষিদের পায়ে জুতো ছিল না, গায়ে পোশাক ছিল না, তারা কি সাহেবের বাড়ির জুতো এবং বিলাতি দোকানের কাপড় পরা আমাদের চেয়ে অনেক বড়ো ছিলেন না। আজ যদি আমাদের সেই যাজ্ঞবল্ক্য, সেই বশিষ্ঠ ঋষি খালি গায়ে খালি পায়ে র্তাদের সেই জ্যোতির্ময় দৃষ্টি, তাদের সেই পিঙ্গল জটাভার নিয়ে আমাদের মাঝখানে এসে দাড়ান, তা হলে সমস্ত দেশের মধ্যে এমন কোন রাজা এমন কত বড়ো সাহেব আছেন খিনি তার জুতো ফেলে দিয়ে মাথার তাজ নামিয়ে, সেই দরিত্র ব্রাহ্মণের পায়ের ধূলা নিয়ে নিজেকে কৃতাৰ্থ না মনে করেন। আজ এমন কে আছে যে তার গাড়িজুড়ি জটালিকা এবং সোনার চেন নিয়ে তাদের সামনে মাথা তুলে দাড়াতে পারে। তারাই আমাদের পিতামহ ছিলেন, সেই পূজ্য ব্রাহ্মণদের আমরা নমস্কার করি । কেবল মাথা নত ক'রে নমস্কার করা নয়— তারা যে শিক্ষা দিয়েছেন তাই গ্রহণ করি, তারা ৰে দৃষ্টান্ত দিয়েছেন তার অনুসরণ করি। তাদের মতো হবার চেষ্টা করাই হচ্ছে তাদের প্রতি ভক্তি করা। ৪৩২ রবীন্দ্র-রচনাবলী র্তারা বড়ো হয়েছিলেন কী গুণে । তারা সঙ্যকে সকলের চেয়ে বড়ো বলে জানতেন— মিথ্যার কাছে তারা মাথা নিচু করেন নি। সত্য কী তাই জানবার জন্যে সমস্ত জীবন তারা কঠিন তপস্তা করতেন— কেবল আমোদ-প্রমোদ করেই জীবনট কাটিয়ে দেওয়া তাদের লক্ষ্য ছিল না। যাতে সত্য জানবার কিছুমাত্র ব্যাঘাত করত তাকে তারা অনায়াসে পরিত্যাগ করতেন। মনে সত্য জানবার অবিশ্রাম চেষ্টা করতেন, মুখে সত্য বলতেন, এবং সত্য বলে যা জানতেন কাজেও তাই পালন করতেন, সেজন্যে কাউকে ভয় করতেন না। আমরা টাকাকড়ি জুতোছাত পাবার জন্তে যেরকম প্রাণপণ খেটে মরি, তারা সত্যকে পাবার জন্যে তার চেয়ে অনেক বেশি কষ্ট স্বীকার করতেন। সেইজন্যে র্তারা আমাদের চেয়ে অনেক বেশি বড়ো ছিলেন । র্তারা অভয় ছিলেন, ধর্ম ছাড়া আর-কিছুকেই ভয় করতেন না। তাদের মনের মধ্যে এমন-একটি তেজ ছিল, সর্বদাই এমন-একটি আনন্দ ছিল যে, তারা কোনো রাজামহারাজার অন্যায় শাসনকে গ্রাহ করতেন না, এমন-কি, মৃত্যুকেও তারা ভয় করতেন না। তারা এটা বেশ জানতেন যে, তাদের কাছ থেকে কেড়ে নেবার তো কিছু নেই– বেশভূষা ধনসম্পদ গেলে তো তাদের কোনো ক্ষতিই হয় না। তাদের যা-কিছু আছে সব মনের মধ্যে। তারা যে সত্য জানতেন তা তো দস্থ্য কিম্বা রাজা হরণ করতে পারত না। তারা নিশ্চয় জানতেন মৃত্যু ভয়ের বিষয় নয়। মৃত্যুতে এই শরীরটা মাত্র যায়, কিন্তু অন্তরের জিনিস যায় না। র্তারা সকলের মঙ্গলের জন্যে ভালোর জন্যে চিন্তা করতেন, কিসে সকলের ভালো হবে সেইটে তারা ধ্যান করতেন এবং যাতে ভালো হয় সেইটে তারা ব্যবস্থা করতেন। কার কী করা উচিত সেইটে সকলে তাদের কাছে জানতে আসত। কিসে ঘরের লোকের মঙ্গল হয় তাই জানবার জন্য গৃহস্থ লোকেরা তাদের কাছে আসত— কিসে প্রজাদের ভালো হয় তাই পরামর্শ নেবার জন্যে রাজারা তাদের কাছে আসত। পৃথিবীর সকলের ভালোর জন্য র্তারা সমস্ত আমোদ-প্রমোদ সমস্ত বিলাসিত ত্যাগ করে চিন্তা করতেন। কিন্তু তখন কি কেবল ব্রাহ্মণ-ঋষিরাই ছিলেন। তা নয়। রাজারাও ছিলেন, রাজার সৈন্তসামস্ত ছিল। রাজ্যের প্রয়োজনে তাদের যুদ্ধবিগ্রহ করতে হত। কিন্তু যুদ্ধের সময়েও তারা ধর্ম ভুলতেন না। যে-লোকের হাতে অস্ত্র নেই তাকে মারতেন না, শরণাপন্নকে বধ করতেন না, রথের উপর চড়ে নীচের লোকদের উপর অস্ত্র চালাতেন না । সৈন্তে-সৈন্তেই যুদ্ধ চলত, কিন্তু শত্রুপক্ষের দেশের নিরীহ প্রজাদের ঘরদুয়োর জালিয়ে দিতেন না। রাজার ছেলের যখন বড়ো বয়স হত তখন রাজা শাস্তিনিকেতন ব্রহ্মচর্যাশ্রম 8OH আপনার সমস্ত টাকাকড়ি রাজৰ ছেলের হাতে দিয়ে সত্য জানবার জন্য, ঈশ্বরের প্রতি সমস্ত মন দেবার জন্যে বনে চলে যেতেন। তখন আর তাদের হীরা-মুক্তো ছাতাজুতো লোকজন কিছুই থাকত না। রাজ্যেশ্বর রাজা ভিক্ষাপাত্র হাতে নিয়ে দীনহীনের মতো সমস্ত ছেড়ে যেতেন। তারা জানতেন রাজ্য টাকাকড়ি বাইরের জিনিস, তাতেই যে মানুষ বড়ো হয় তা নয়, বড়ো হবার জিনিস ভিতরে। তবে ধর্মনিয়মমতে রাজত্ব করা রাজার কর্তব্য, স্বতরাং সেজন্যে প্রাণ দেওয়া দরকার হলে তাও দিতেন— কিন্তু যুবরাজ বড়ো হয়ে উঠলে যখন সে কর্তব্যের শেষ হয় তখন আর র্তারা রাজত্ব অঁাকড়ে ধরে পড়ে থাকতেন না। গৃহস্থদেরও ঐরকম নিয়ম ছিল। যখন জ্যেষ্ঠ পুত্র বড়ো হয়ে উঠত তখন তারই হাতে সমস্ত সংসার দিয়ে তারা দরিদ্র বেশে তপস্তা করতে চলে যেতেন । যতদিন সংসারে থাকতে হত ততদিন প্রাণপণে র্তারা সংসারের কাজ করতেন। আত্মীয় স্বজন প্রতিবেশী অতিথি অভ্যাগত দরিদ্র অনাথ কাউকেই ভুলতেন না— প্রাণপণে নিজের মুখ নিজের স্বাৰ্থ দূরে রেখে তাদেরই সেবা করতেন— তার পরে সময় উত্তীর্ণ হলেই আর ধনসম্পদ ঘরদুয়ারের প্রতি তাকাতেন না। তখন র্যারা বাণিজ্য করতেন তাদেরও ধর্মপথে সত্যপথে চলতে হত। কাউকে ঠকানো, অন্যায় মুদ নেওয়া, কৃপণের মতো সমস্ত ধন কেবল নিজের জন্তেই জড়ো করে রাখা, এ তাদের দ্বারা হত না । যারা রাজত্ব করতেন, যারা বাণিজ্য করতেন, ধারা কর্ম করতেন, তাদের সকলের জন্তই ব্রাহ্মণের চিন্তা করতেন। যাতে সমাজে ধর্ম থাকে, সত্য থাকে, শৃঙ্খলা ఇళ, যাতে ভালো হয়, এই তাদের একান্ত লক্ষ্য ছিল । সেইজন্য র্তাদের অর্ণে তাদের উপদেশে তখনকার সকল লোকেই ভালো হয়ে চলতে পারত। সমস্ত Aাজের মধ্যে সেইজন্যে এত উন্নতি এত ঐ ছিল । * সেই তখনকার ব্রাহ্মণ ক্ষত্ৰিয় বৈশ্বের যে-শিক্ষা যে-ব্রত অম্বিন করে বড়ো হয়ে উঠেছিলেন, বীর হয়ে উঠেছিলেন, সেই শিক্ষা সেই ব্রত গ্রহণ প্রবার জন্তেই তোমাদের এই নির্জন আশ্রমের মধ্যে আমি আহবান করেছি। তেগর আমার কাছে এসেছআমি সেই প্রাচীন ঋষিদের সত্যবাক্য উাদের উজ্জ্বল চরিত মনের মধ্যে সর্বদা ধারণ করে রেখে তোমাদের সেই মহাপুরুষদের পথে গলনা করতে চেষ্টা করব— আমাদের ব্ৰতপতি ঈশ্বর আমাকে সেই বল সেই ক্ষমতা দান করুন। যদি আমাদের চেষ্টা সফল হয় তবে তোমরা প্রত্যেকে বীরপুরুত্ব হয়ে উঠবে— তোমরা ভয়ে কাতর হবে না, দুঃখে বিচলিত হবে না, ক্ষতিতে প্ৰয়মাণ হবে না, ধনের গর্বে স্ফীত হবে না ; মৃত্যুকে 8ჯა8 রবীন্দ্র-রচনাবলী গ্রাহ করবে না, সত্যকে জানতে চাইবে, মিথ্যাকেমন থেকে কথা থেকে কাজ থেকে দূর করে দেবে, সর্বদা জগতের সকল স্থানেই মনে এবং বাইরে এক ঈশ্বর আছেন এইটে নিশ্চয় জেনে আনন্দমনে সকল দুষ্কর্ম থেকে নিবৃত্ত থাকবে। কর্তব্যকর্ম প্রাণপণে করবে, সংসারের উন্নতি ধর্মপথে থেকে করবে, অথচ যখন কর্তব্যবোধে ধনসম্পদ ও সংসার ত্যাগ করতে হবে তখন কিছুমাত্র ব্যাকুল হবে না। তা হলে তোমাদের দ্বারা ভারতবর্ষ আবার উজ্জল হয়ে উঠবে— তোমরা যেখানে থাকবে সেইখানেই মঙ্গল হবে, তোমরা সকলের ভালো করবে এবং তোমাদের দেখে সকলে ভালো হবে। আমাদের পূর্বপুরুষেরা কিরূপ শিক্ষা ও ব্রত অবলম্বন করতেন ? তারা বাল্যকালে গৃহ ছেড়ে নির্জনে গুরুর বাড়িতে যেতেন। সেখানে খুব কঠিন নিয়মে নিজেকে সংযত করে থাকতে হত । গুরুকে একান্তমনে ভক্তি করতেন, গুরুর সমস্ত কাজ করে দিতেন । গুরুর জন্তে কাঠ কাটা, জল তুলে আনা, তার গোরু চরানো, তার জন্যে গ্রাম থেকে ভিক্ষে করে আনা, এই সমস্ত তাদের কাজ ছিল, তা তারা যত বড়ো ধনীর পুত্র হোন-না। শরীর-মনকে একেবারে পবিত্র রাখতে হবে – তাদের শরীরে ও মনে কোনো-রকম দোষ একেবারে স্পর্শ করত না । গেরুয়া বস্ত্র পরতেন, কঠিন বিছানায় শুতেন, পায়ে জুতা নেই, মাথায় ছাতা নেই– সাজসজ্জা বড়োমামুর্ষি কিছুমাত্র নেই। সমস্ত মনের সমস্ত চেষ্টা কেবল শিক্ষালাভে, কেবল সত্যের সন্ধানে, কেবল নিজের দুপ্রবৃত্তি-দমনে, নিজের ভালো গুণকে ফুটিয়ে তুলতে নিযুক্ত থাকত। তোমাদের সেইরকম কষ্ট স্বীকার করে সেই কঠিন নিয়মে, সকলপ্রকার বড়ো“কৃষিকে তুচ্ছ করে দিয়ে এখানে গুরুগৃহে বাস করতে হবে। গুরুকে সর্বতোভাবে প্রম কৰে, নে বাক্যে কাজে তাকে লেশমাত্র অবজ্ঞা করবে না। শরীরকে পবিত্র করে রাখংে-কোনো দোষ যেন স্পর্শ না করে। মনকে গুরু-উপদেশের সম্পূর্ণ অধীন করে রাখ৯। আজ থেকে জ্জের সত্যব্রত গ্রহণ করলে। মিথ্যাকে কায়মনোবাক্যে দূরে রাখবে । প্রথমত সত্য'ভানবার জন্ত সবিনয়ে সমস্ত মন বুদ্ধি ও চেষ্টা দান করবে, তার পরে বা সত্য বলে জানতে নিৰ্ভয়ে সতেজে পালন ও ঘোষণ করবে। আজ থেকে তোমাদের অভয়ইদ্ধ। ধর্মকে ছাড়া জগতে তোমাদের ভয় করবার জার কিছুই নেই। বিপদ না, মৃত্যু না, क8ज्ञा- কিছুই তোমাদের ভয়ের বিষয় নয়। সর্বদা দিবারাজি প্রফুল্লচিত্তে প্রসন্নমুখে শ্ৰদ্ধার সঙ্গে স্বত্য-লাতে ধর্ম-লাভে নিযুক্ত থাকবে। আজ থেকে তোমাদের পুণ্যৱত। কিন্তু অপবিত্র কলুষিত, বা-কিছু প্রকাশ করতে লজ্জা বােধ হয়, তা সর্বপ্রয়ে প্রাণপণে শৰীৰ-মন থেকে দূর করে প্রভাতের } श्रान्जिनिएकछन अत्राध्र्थीअंभ 80& শিশিরসিক্ত ফুলের মতো পুণ্যে ধর্মে বিকশিত হয়ে থাকবে। আজ থেকে তোমাদের মঙ্গলৱত। যাতে পরম্পরের ভালো হয় তাই তোমাদের কর্তব্য । সেজন্যে নিজের স্বথ নিজের স্বার্থ বিসর্জন । এক কথায় আজ থেকে তোমাদের ব্ৰক্ষত্ৰত । এক ব্ৰহ্ম তোমাদের অস্তরে বাহিরে সর্বদা সকল স্থানেই আছেন। তার কাছ থেকে কিছুই লুকোবার জো নেই। তিনি তোমাদের মনের মধ্যে স্তন্ধ হয়ে দেখছেন । যখন যেখানে থাক, শয়ন কর, উপবেশন কর, তার মধ্যেই আছ, তার মধ্যেই সঞ্চরণ করছ । তোমার সর্বাঙ্গে তার স্পর্শ রয়েছে —তোমার সমস্ত ভাবনা তারই গোচরে রয়েছে । তিনিই তোমাদের একমাত্র ভয়, তিনিই তোমাদের একমাত্র অভয় । প্রত্যহ অন্তত একবার তাকে চিন্তা করবে। তাকে চিন্তা করবার মন্ত্র আমাদের বেদে আছে। এই মন্ত্র আমাদের ঋষির দ্বিজেরা প্রত্যহ উচ্চারণ ক’রে জগদীশ্বরের সম্মুখে দণ্ডায়মান হতেন। সেই মন্ত্র, হে সৌম্য, তুমিও আমার সঙ্গেসঙ্গে একবার উচ্চারণ করে : ওঁ ভূৰুব স্ব: তৎসবিতুৰ্বরেণ্যং ভর্গে দেবন্ত ধীমহি ধিয়ে ধো ন; প্রচোদয়াৎ। মাঘ ১৩০৮ و . هاد c۲۹ ۹ &यंथंभ कtर्मयं★ॉलौ বিনয়সম্ভাষণমেতং— আপনার প্রতি আমি যে ভার অর্পণ করিয়াছি আপনি তাহা ব্ৰতস্বরূপে গ্রহণ করিতে উদ্যত হইয়াছেন, ইহাতে আমি বড়ো আনন্দলাভ করিয়াছি। একান্তমনে কামনা করি, ঈশ্বর আপনাকে এই ব্ৰতপালনের বল ও নিষ্ঠ দান করুন । আমি আপনাকে পূর্বেই বলিয়াছি, বালকদিগের অধ্যয়নের কাল একটি ব্রতষাপনের কাল। মহন্তত্বলাভ স্বার্থ নহে, পরমার্থ— ইহা আমাদের পিতামহেরা জানিতেন । এই মন্থন্তত্বলাভের ভিত্তি যে শিক্ষা তাহাকে তাহারা ব্রহ্মচর্যব্ৰত বলিতেন । এ কেবল পড়া মুখস্থ করা এবং পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া নহে– সংযমের দ্বারা, ভক্তিশ্রদ্ধার দ্বারা, শুচিত। দ্বারা, একাগ্র নিষ্ঠ দ্বারা সংসারাশ্রমের জন্ত এবং সংসারাশ্রমের অতীত ব্রহ্মের সহিত অনন্ত যোগ সাধনের জন্য প্রভত হইবার সাধনাই ব্রহ্মচর্যব্রত। ইহা ধৰ্মৰত। পৃথিবীতে অনেক জিনিসই কেনাবেচার সামগ্রী বটে, কিন্তু ধর্ম পণ্যদ্রব্য নহে। ইহা এক পক্ষে মঙ্গল ইচ্ছার সহিত দান ও অপর পক্ষে বিনীত ভক্তির সহিত 8○○ রবীন্দ্র-রচনাবলী গ্রহণ করিতে হয়। এইজন্য প্রাচীন ভারতে শিক্ষণ পণ্যদ্রব্য ছিল না। এখন যাহারা শিক্ষা দেন তাহারা শিক্ষক, তখন র্যাহারা শিক্ষা দিতেন তাহারা গুরু ছিলেন। তাহারা শিক্ষার সঙ্গে এমন একটি জিনিস দিতেন যাহা গুরুশিন্যের আধ্যাত্মিক সম্বন্ধ ব্যতীত দানপ্রতিগ্রহ হইতেই পারে না । ছাত্রদিগের সহিত এইরূপ পারমার্থিক সম্বন্ধ স্থাপনই শাস্তিনিকেতন ব্রহ্মবিদ্যালয়ের মুখ্য উদেশ্ব। কিন্তু এ কথা মনে রাখা আবশ্বক যে, উদ্বেগু যত উচ্চ হুইবে তাহার উপায়ও তত দুরূহ ও দুর্লভ হইবে । এ-সব কার্য ফরমাসমতো চলে না । শিক্ষক পাওয়া যায়, গুরু সহজে পাওয়া যায় না। এইজন্য যথাসম্ভব লক্ষ্যের প্রতি দৃষ্টি রাখিয়া ধৈর্যের সহিত স্বযোগের প্রতীক্ষা করিতে হয় । সমস্ত অবস্থা বিবেচনায় যতটা মঙ্গলসাধন সম্ভবপর তাহাই শিরোধার্য করিয়া লইতে হইবে এবং নিজের অযোগ্যতা স্মরণ করিয়া নিজেকে প্রত্যহ সাধনার পথে অগ্রসর করিতে হইবে । মঙ্গলব্রত গ্রহণ করিলে বাধাবিরোধ-অশান্তির জন্ত মনকে প্রস্তুত করিতে হয়— অনেক অন্যায় আঘাতও ধৈর্যের সহিত সহ করিতে হইবে। সহিষ্ণুতা ক্ষম ও কল্যাণভাবের দ্বার সমস্ত বিরোধ-বিপ্লবকে জয় করিতে হইবে । ব্রহ্মবিদ্যালয়ের ছাত্রগণকে স্বদেশের প্রতি বিশেষরূপে ভক্তিশ্রদ্ধাবান করিতে চাই । পিতামাতায় যেরূপ দেবতার বিশেষ আবির্ভাব আছে— তেমনি আমাদের পক্ষে আমাদের স্বদেশে, আমাদের পিতৃপিতামহদিগের জন্ম ও শিক্ষা -স্থানে দেবতার বিশেষ সত্তা আছে। পিতামাতা যেমন দেবতা তেমনি স্বদেশও দেবতা। স্বদেশকে লঘূচিত্তে অবজ্ঞা, উপহাস, ঘৃণা - এমন-কি, অন্যান্য দেশের তুলনায় ছাত্ররা যাহাতে খর্ব করিতে না শেখে সে দিকে বিশেষ দৃষ্টি রাখিতে চাই। আমাদের স্বদেশীয় প্রকৃতির বিরুদ্ধে চলিয়া আমরা কখনো সার্থকতা লাভ করিতে পারিব না। আমাদের দেশের যে বিশেষ মহত্ব ছিল সেই মহত্বের মধ্যে নিজের প্রকৃতিকে পূর্ণতা দান করিতে পারিলেই আমরা যথার্থভাবে বিশ্বজনীনতার মধ্যে উত্তীর্ণ হইতে পারিব— নিজেকে ধ্বংস করিয়া অন্তের সহিত মিলাইয়া দিয়া কিছুই হইতে পারিব না— অতএব, বরঞ্চ অতিরিক্তমাত্রায় স্বদেশাচারের অনুগত হওয়া ভালো তথাপি মুগ্ধভাবে বিদেশীর অনুকরণ করিয়া নিজেকে কৃতাৰ্থ মনে করা কিছু নহে। ব্রহ্মচর্য-ব্রতে ছাত্রদিগকে কাঠিন্ত অভ্যাস করিতে হইবে। বিলাস ও ধনাভিমান পরিত্যাগ করিতে হইবে। ছাত্রদের মন হইতে ধনের গৌরব একেবারে বিলুপ্ত করিতে চাই। যেখানে তাহার কোনো লক্ষণ দেখা যাইবে সেখানে তাহ একেবারে নষ্ট করা কর্তব্য হইবে। আমার মনে হইয়াছে’-র পুত্র"-র শৌখিন দ্রব্যের প্রতি কিঞ্চিৎ भाडिमित्कच्न अन्तध्वीअभ 8éo আসক্তি আছে– সেটা দমন করিতে হইবে। বেশভূষা সম্বন্ধে বিলাসিত পরিত্যাগ कब्रिरङ श्ट्रे८व । ८कट् लांब्रिजTएक ८षम जण्ञांखमक घुलांजनक मां बटन क८ब्र । अश्वहन বসনেও শৌখিনতা দূর করা চাই। দ্বিতীয়ত নিষ্ঠা। উঠা বসা পড়া খেলা স্বাম আহার ও সর্বপ্রকার পরিচ্ছন্নতা ও শুচিত সম্বন্ধে সমস্ত নিয়ম একান্ত দৃঢ়তার সহিত পালনীয়। ঘরে বাহিরে শয্যায় বসনে ও শরীরে কোনোপ্রকার মলিনতা প্রশ্রয় দেওয়া না হয়। যেখানে কোনো ছাত্রের কাপড় কম আছে সেখানে সে যেন কাপড়-কাচা সাবান দিয়া স্বহস্তে প্রত্যহ নিজের কাপড় কাচে, ও ব্যবহার্ধ গাডু মাজিয়া পরিষ্কার রাখে। এবং ঘরের ষে অংশে তাহার বিছানা কাপড়চোপড় ও বই প্রভৃতি থাকে সে অংশ যেন প্রত্যহ যথাসময়ে যথানিয়মে পরিষ্কার তকৃতকে করিয়া রাখে। ছেলের প্রত্যহ পর্যায়ক্রমে তাহাদের অধ্যাপকদের ঘরও পরিষ্কার করিয়া গুছাইয়। রাখিলে ভালো হয় । অধ্যাপকদের সেবা করা ছাত্রদের অবগুকৰ্তব্যের মধ্যে নির্ধারিত করা চাই। তৃতীয়ত ভক্তি। অধ্যাপকদের প্রতি ছাত্রদের নিবিচারে ভক্তি থাকা চাই । তাহারা অন্তায় করিলেও তাহা বিনা বিদ্রোহে নম্রভাবে সহ করিতে হইবে । কোনোমতে তাহাদের সমালোচনা বা নিন্দায় যোগ দিতে পারিবে না । অধ্যাপকেরা যদি কখনো পরস্পরের সমালোচনায় প্রবৃত্ত হন তবে সে সময়ে কোনো ছাত্র সেখানে উপস্থিত না থাকে তৎপ্রতি যত্নবান হইতে হুইবে । কোনো অধ্যাপক ছাত্রদের সমক্ষে অন্য অধ্যাপকদের প্রতি অবজ্ঞাজনক ব্যবহার, অসহিষ্ণুতা বা রোষ প্রকাশ না করেন সে দিকে সকলের মনোযোগ থাকা কর্তব্য। ছাত্ৰগণ অধ্যাপকদিগকে প্রত্যহ প্ৰণাম করিবে । অধ্যাপকগণ পরস্পরকে নমস্কার করিবেন। পরম্পরের প্রতি শিষ্টাচার ছাত্রদের নিকট যেন আদর্শস্বরূপ বিদ্যমান থাকে। বিলাসত্যাগ, আত্মসংযম, নিয়মনিষ্ঠা, গুরুজনে ভক্তি সম্বন্ধে আমাদের দেশের প্রাচীন আদর্শের প্রতি ছাত্রদের মনোযোগ অনুকূল অবসরে আকর্ষণ করিতে হইবে। ধাহার। ( ছাত্র বা অধ্যাপক ) হিন্দুসমাজের সমস্ত আচার যখাষথ পালন করিতে চান তাহাদিগকে কোনোপ্রকারে বাধা দেওয়া বা বিদ্রুপ করা এ বিদ্যালয়ের নিয়মবিরুদ্ধ। রন্ধনশালায় বা আহারস্থানে হিন্দু-আচার-বিরুদ্ধ কোনো অনিয়মের দ্বারা কাহাকেও ক্লেশ দেওয়া হইবে না। चांश्कि। इांजशिभरक नांग्रजौबज भूथइ कब्रांशेब्रा बूखांशेब्र। cनeब्र श्ब्र थारक । আমি ৰে ভাবে গান্ধী ব্যাখ্যা করি তাহ সংক্ষেপে নিয়ে লিখিলাম : ওঁ ভূভূবঃ স্বঃ– oግዜUቕ 8 Obr. রবীন্দ্র-রচনাবলী এই অংশ গায়ন্ত্রীর ব্যান্ধতি নামে খ্যাত। চারি দিক হইতে আহরণ করিয়া জানার নাম ব্যাহতি। প্রথম ধ্যানকালে ভূলোক ভূবর্লোক ও স্বর্লোক অর্থাৎ সমস্ত বিশ্বজগৎকে মনের মধ্যে আহরণ করিয়া আনিতে হুইবে— তখনকার মতো মনে করিতে হইবে আমি সমস্ত বিশ্বজগতের মধ্যে দাড়াইয়াছি— আমি এখন কেবলমাত্র কোনো বিশেষ দেশবাসী নহি । বিশ্বজগতের মধ্যে দাড়াইয়া বিশ্বজগতের যিনি সবিতা, যিনি সৃষ্টিকর্তা, তাহারই বরণীয় জ্ঞান ও শক্তি ধ্যান করিতে হইবে। মনে করিতে হইবে এই ধারণাতীত বিপুল বিশ্বজগৎ এই মুহূর্তে এবং প্রতি মুহূর্তেই তাহা হইতে বিকীর্ণ হইতেছে। তাহার এই-ষে অসীম শক্তি যাহার দ্বারা ভূভূ ব:স্বর্লোক অবিশ্রাম প্রকাশিত হইতেছে, আমার সহিত র্তাহার অব্যবহিত সম্পর্ক কী সূত্রে। কোন স্থত্র অবলম্বন করিয়া উাহাকে ধ্যান করিব। ধিয়ো যো নঃ প্রচোদয়াৎ— যিনি আমাদিগকে বুদ্ধিবৃত্তিসকল প্রেরণ করিতেছেন, সেই ধীস্থত্রেই তাহাকে ধ্যান করিব। স্বর্ষের প্রকাশ আমরা প্রত্যক্ষভাবে কিসের দ্বারা জানি । সূর্য আমাদিগকে যে কিরণ প্রেরণ করিতেছে সেই কিরণের দ্বারা। সেইরূপ বিশ্বজগতের সবিতা আমাদের মধ্যে অহরহ যে ধীশক্তি প্রেরণ করিতেছেন, যে শক্তি থাকার দরুন আমি নিজেকে ও বাহিরের সমস্ত বিশ্বব্যাপারকে উপলব্ধি করিতেছি— সেই ধীশক্তি র্তাহারই শক্তি এবং সেই ধীশক্তি দ্বারাই তাহারই শক্তি প্রত্যক্ষভাবে অস্তরের মধ্যে সর্বাপেক্ষা অন্তরতম রূপে অনুভব করিতে পারি। বাহিরে যেমন ভূভূব:স্বর্লোকের সবিত রূপে তাহাকে জগৎচরাচরের মধ্যে উপলব্ধি করি, অন্তরের মধ্যেও সেইরূপ আমার ধীশক্তির অবিশ্রাম প্রেরস্থিত। বলিয়া তাহাকে অব্যবহিতভাবে উপলব্ধি করিতে পারি। বাহিরে জগৎ এবং আমার অন্তরে ধী, এ দুইই একই শক্তির বিকাশ— ইহা জানিলে জগতের সহিত আমার চেতনার এবং আমার চেতনার সহিত সেই সচ্চিদানন্দের ঘনিষ্ঠ যোগ অনুভব করিয়া সংকীর্ণত হইতে স্বার্থ হইতে ভয় হইতে বিষাদ হইতে মুক্তি লাভ করি। গায়ত্রীমন্ত্রে বাহিরের সহিত অস্তরের ও অস্তরের সহিত অন্তরতমের যোগসাধন করে— এইজন্তই আৰ্যসমাজে এই মন্ত্রের এত গৌরব : যো দেবোহয়ে যোহঙ্গ, যে বিশ্বং ভূবনমাৰিবেশ। য ওষধিমুখে৷ বনস্পতিমু তস্মৈ দেবায় নমোনমঃ ॥ ব্ৰহ্মধারণার পক্ষে এই মন্ত্রই আমি বালকদের পক্ষে সর্বাপেক্ষা সরল বলিয়া মনে করি। ঈশ্বর জলে স্থলে অগ্নিতে ওষধি-বনস্পতিতে সর্বত্র আছেন, এই কথা মনে করিয়া তাহাকে প্রণাম করা শাস্তিনিকেতনের দিগন্তপ্রসারিত মাঠের মধ্যে অত্যন্ত সহজ । সেখানকার নির্মল আলোক আকাশ এবং প্রান্তর বিশ্বেশ্বরের দ্বারা পরিপূর্ণ, এ কথা শাস্তিনিকেতন ব্রহ্মচর্ধাশ্ৰম 8'లి: মনে করিয়া ভক্তি করা ছেলেদের পক্ষেও কঠিন নছে। এইজন্ত গায়ত্রীর সঙ্গে সঙ্গে এই মন্ত্রটিও ছেলের শিক্ষা করে। গায়ত্রী সম্পূর্ণ হৃদয়ঙ্গম করিবার পূর্বেও এই মন্ত্রটি তাহারা ব্যবহার করিতে পারে । ছাত্ৰগণ পাঠ আরম্ভ করিবার পূর্বে সকলে সমস্বরে ‘ওঁ পিতা নোহসি উচ্চারণপূর্বক প্রণাম করে। ঈশ্বর যে আমাদের পিতা এবং তিনিই যে আমাদিগকে পিতার কায় জ্ঞান শিক্ষা দিতেছেন, ছাত্রদিগকে তাহা প্রত্যহ স্মরণ করা চাই। অধ্যাপকেরা উপলক্ষমাত্র, কিন্তু যথার্থ যে জ্ঞানশিক্ষা তাহা আমাদের বিশ্বপিতার নিকট হইতে পাই। তাহ পাইতে হইলে চিত্তকে সর্বপ্রকার পাপ মলিনতা হইতে মুক্ত করিতে হয়, সে জ্ঞান পাইতে হইলে ভক্তিসহকারে ঈশ্বরের কাছে প্রত্যহ প্রার্থনা করিতে श्ञ्च- ८गद्देछछझे ये बाङ्ग बांटझ বিশ্বানি দেব সবিতত্ত্বরিতানি পরাস্কব— বভিন্দ্রং তন্ন আহিব। ‘হে দেধ, হে পিত, আমাদের সমস্ত পাপ দূর করে, যাহা ভয় তাহাই আমাদিগকে প্রেরণ করে ।” ব্ৰহ্মচারীদের পক্ষে জীবনের প্রতিদিনকে সকলপ্রকার শারীরিক মানসিক পাপ হইতে নির্মল করিবার জন্ত মকুন্যত্বলাভের জন্য প্রস্তুত হইবার ইহাই প্রকৃষ্ট यु बन्ञ्ब९ उद्र श्रोश्व । বকৃতা দিতে অনেক সময়েই চিত্তবিক্ষেপ ঘটায়। অধ্যাত্মসাধনায় ভাবান্দোলনের মূল্য যে অধিক তাহা আমি মনে করি না। ভাবাবেশের অভ্যাস মাদকসেবনের স্তায় চিত্তদৌর্বল্যজনক । গভীর তত্ত্বগৰ্ভ সংক্ষিপ্ত প্রাচীন মন্ত্রের স্থায় ধ্যানের সহায় কিছুই নাই। সাধনার পথে যত অগ্রসর হওয়া যায় এই-সকল মন্ত্রের অন্তরের মধ্যে ততই গভীরতর রূপে প্রবেশ করা যায়— ইহারা কোথাও যেন বাধা দেয় না । এইজন্য আমি ছাত্রদিগকে উপনিষদের মন্ত্রে দীক্ষিত করিয়া থাকি । মন্ত্র বাহাতে মুখস্থ কথার মতো না হইয়া যায় সেজন্য তাহাদিগকে মাঝে মাঝে ব্যাখ্যা করিয়া बहन कब्राहेब्र क्ज़िा थांकि। किङ्गकांज चांशाब्र चश्भरिउिदनङ न्ख्न इबक्शिरक भङ्ग दूसाहेब्रा श्विांब्र अबकां* शाहे माहे। चांगमाव्र गएक ८ष झांजशिश्नरक जहेब्र षाहेबन उांशंशिशाक पश् िचांश्रिकब्र छछ ॐमिषाशद्र ८कांहना यज्ञ बूकाहेब्रा वणिग्न रक्न তো ভালোই হয়। এক্ষণে, আপনার কার্যপ্রণালীর কথা বিবৃত করিয়া বলা বাক । 88 e ब्ररोौटज-ब्रळनांदलौ মনোরঞ্জনবাবু, জগদানন্দবাবু ও স্ববোধবাবুকে লইয়া একটি সমিতি স্থাপিত হইবে। মনোরঞ্জনবাৰু তাহার সভাপতি হইবেন । আপনি উক্ত সমিতির নির্দেশমতে বিদ্যালয়ের কার্যসম্পাদন করিতে থাকিবেন। বিদ্যালয়ের ছাত্রদের শষ্যা হইতে গাত্ত্বোখান স্নান আহ্নিক আহার পড়া খেলা ও শয়ন সম্বন্ধে কাল নির্ধারণ র্তাহারা করিয়া দিবেন— যাহাতে সেই নিয়ম পালিত হয় আপনি তাহাই করিবেন। বিদ্যালয়ের ভৃত্যনিয়োগ, তাহাজের বেতননির্ধারণ বা তাহাদিগকে অবসর দান, র্তাহাদের পরামর্শমত আপনি করিবেন। মাস শেষে আগামী মাসের একটি আনুমানিক বাজেট সমিতির নিকট হইতে পাস করাইয়া লইবেন । বাজেটের অতিরিক্ত খরচ করিতে হইলে তাহাঙ্গের লিখিত সম্মতি লইবেন। খাতায় প্রত্যহ তাহাদের সহি লইবেন । সপ্তাহ অন্তর সপ্তাহের হিসাব ও মাসাস্তে মাসকাবার তাহাদের স্বাক্ষরসহ আমাকে দিতে হইবে । 尊 সমিতির প্রস্তাবিত কোনো নিয়মের পরিবর্তন খাতায় লিথিয়া লইয়া আমাকে জানাইবেন । সায়াহ্নে ছেলেদের খেলা শেষ হইয়া গেলে সমিতির নিকট আপনার সমস্ত মন্তব্য জানাইবেন ও খাতায় সহি লইবেন । ভাণ্ডারের ভার আপনার উপর । জিনিসপত্র ও গ্রন্থ প্রভৃতি সমস্ত আপনার জিন্মায় থাকিবে । জিনিসপত্রের তালিকায় আপনি সমিতির স্বাক্ষর লইবেন । কোনো জিনিস নষ্ট হইলে, হারাইলে বা বাড়িলে তাহাদের স্বাক্ষরসহ তাহ জমাখরচ করিয়া লইবেন। আহারের সময় উপস্থিত থাকিয়া ছাত্রদের ভোজন পর্যবেক্ষণ করিবেন। ছাত্রদের স্বাস্থ্যের প্রতি সর্বদা দৃষ্টি রাখিবেন। তাহাজের জিনিসপত্রের পারিপাট্য, তাহাদের ঘর শরীর ও বেশভূষার নির্মলতা ও পরিচ্ছন্নতার প্রতি মনোযোগী হইবেন। ছাত্রদের চরিত্র সম্বন্ধে সন্দেহজনক কিছু লক্ষ্য করিলেই সমিতিকে জানাইয়া তাহা আরম্ভেই সংশোধন করিয়া লইবেন। বিদ্যালয়ের ভিতরে বাহিরে, রান্নাঘরে ও তাহার চতুদিকে, পারখানার কাছে কোনোরূপ অপরিষ্কার না থাকে আপনি তাহার তত্ত্বাবধান করিবেন। ১ মনোরঞ্জন ৰঙ্গ্যোপাধ্যায়, গান ब्राग्न ७ श्रवाषध्व मयूबवाब्र , শাস্তিনিকেতন ব্রহ্মচর্যাশ্রম 88) গোশালায় গোরু মহিষ ও তাছাদের খান্ডের ও ভূত্যের প্রতি দৃষ্টি রাখিবেন। বিদ্যালয়ের সংলগ্ন স্কুল ও তরকারির বাগান আপনার হাতে। সেজন্ত বীজ ক্রয়, সার সংগ্রহ ও মধ্যে মধ্যে ঠিক লোক নিয়োগ সমিতিকে জানাইয়া করিতে পারিবেন। শাস্তিনিকেতনের আশ্রমের সহিত বিদ্যালয়ের সংস্রব প্রার্থনীয় নহে। জিনিসপত্র ক্রয়, বাজার করা ও বাগান তৈরির সহায়তায় মাঝে মাঝে আশ্রমের মালীদের প্রয়োজন হইতে পারে— কিন্তু অন্তান্ত ভৃত্যদের সহিত যোগরক্ষা না করাই শ্ৰেয়। ঠিক লোক প্রভৃতির প্রয়োজন হইলে সর্দারকে বা মালীদিগকে, রবীন্দ্র সিংহকে বা তাহার সহকারীকে জানাইয়া সংগ্ৰহ করিবেন। শাস্তিনিকেতনে ঔষধ লইতে রোগী আসিলে তাহাদিগকে হোমিওপ্যাথি ঔষধ দিবেন। ষে যে ঔষধের যখন প্রয়োজন হুইবে আমাকে তালিকা করিয়া দিলে আমি चांमाझेम्नां दि । শাস্তিনিকেতন-জাখম-সম্পৰ্কীয় কেহ বিদ্যালয়ের প্রতি কোনোপ্রকার হস্তক্ষেপ করিলে- বা সেখানকার তৃত্যদের কোনো দুর্ব্যবহারে বিরক্ত হইলে আমাকে জানাইবেন। জাপানী ছাত্র হোরির আহারাদি ও সর্বপ্রকার স্বচ্ছন্দতার জন্য আপনি বিশেষরূপে মনোযোগী হইবেন। মনোরঞ্জনবাবু ও শিক্ষকদের বিনা অনুমতিতে শাস্তিনিকেতনের অতিথি-অভ্যাগতগণ স্কুল পরিদর্শন বা অধ্যাপনের সময় উপস্থিত থাকিতে পারিবেন না। আপনি যথাসম্ভব বিনয়ের সহিত তাহাদিগকে এই নিয়ম জ্ঞাপন করিবেন। অভিভাবকদের অনুমতি ব্যতীত কোনো ছাত্রকে বিদ্যালয়ের বাহিরে কোথাও शाहेर७ रिबम म । বাহিরের লোককে ছাত্রদের সহিত মিশিতে দিবেন না। S DBB BBA BBB DDD BDDD BBBBDDD DDD B DBBBBS DDDC BB SBDDD DDB BBBBD DD DD DDD BBBB BBBB BBDD DDDB BBBBBBBBBS DDD gB BBB BBBBB DDD DiB DBB D DD DDD DBBBDDD DDDD DDD DD DDS SD DBD DD DDDDDD DDD DD DBtt BBBBBD DDDBB B BBDDD BBBBB BDD HBBDDD S DD DA BB DDDD SDDDBD DDD DDDDBDDDD DDDDD DDDDDDD DDDBBDD DDS DDDS g BB DDD DBB DD BB DDDD 'रीगङ शबइ, ७ विघ्राणा' वनिरठ नक्अङिलेठ उकळ्रीअब बूषिाठ श्रेष्व । गtब चाबन ७ विघ्राणज्ञ गषिांब*ठ नवांर्षक हरेब्रोएह - f 88२ রবীন্দ্র-রচনাবলী । অধ্যাপকগণ ভৃত্যদের ব্যবহারে অসন্তুষ্ট হইলে আপনাকে জানাইবেন— আপনি সমিতিতে জানাইয়া তাহার প্রতিকার করিবেন। আহারাদির ব্যবস্থায় অসন্তুষ্ট হইলে অধ্যাপকগণ ছাত্রদের সমক্ষে বা তৃত্যদের নিকটে তাহার কোনো আলোচনা না করিয়। আপনাকে জানাইবেন, আপনি সমিতির নিকট র্তাহাদের নালিশ উত্থাপন করিবেন। বিশেষ নির্দিষ্ট দিনে ছাত্ৰগণ যাহাতে অভিভাবকগণের নিকট পোস্টকার্ড লেখে তাহার ব্যবস্থা করিবেন । বন্ধ-চিঠি লেখা নিম্নশ্রেণীর ছাত্রদের পক্ষে নিষিদ্ধ জানিবেন। পোস্টকার্ড কাগজ কলম বহি প্রভৃতি কেনার হিসাব রাখিয়া অভিভাবকদের নিকট হইতে পত্র লিখিয়া মূল্য আদায় করিবার চেষ্টা করিতে হইবে। সমিতি, বিদ্যালয় সম্বন্ধে অভিভাবকদের নিকট জ্ঞাপনীয় বিষয় স্বাহ স্থির করিবেন আপনি তাহা তাহাদিগকে পত্রের দ্বারা জানাইবেন। কোনো বিশেষ ছাত্র সম্বন্ধে আহারাদির বিশেষ বিধি আবশুক হইলে সমিতিকে জানাইয়া আপনি তাহ প্রবর্তন করিবেন। কোনো ছাত্রের অভিভাবক কোনো বিশেষ খাদ্যসামগ্রী পাঠাইলে অভ্যন্ত ছাত্রদিগকে না দিয়া তাহা একজনকে খাইতে দেওয়া হইতে পারিবে না। গোশালায় গোরু-মহিষ যে দুধ দিবে তাহা ছাত্রদের কুলাইয়া অবশিষ্ট থাকিলে অধ্যাপকগণ পাইবেন, এ নিয়ম আপনার অবগতির জন্য লিখিলাম । শাস্তিনিকেতন-আশ্রমের অতিথি প্রভৃতি কেহ কোনো বই পড়িতে লইলে তাহা যথাসময়ে তাহার নিকট হইতে উদ্ধার করিয়া লইতে হইবে। কাহাকেও কলিকাতায় বই লইয়া যাইতে দেওয়া হইবে না। বিশেষ প্রয়োজন হইলে আমার বিশেষ অনুমতি লইতে হুইবে । মাসের মধ্যে একদিন থালা ঘটিবাটি প্রভৃতি জিনিসপত্র গণনা করিয়া লইবেন। ছাত্রদের অভিভাবক উপস্থিত হইলে মনোরঞ্জনবাবুর অনুমতি লইয়া নির্দিষ্ট সময়ে ছাত্রদের সহিত সাক্ষাৎ করাইয়া লইৰেন। छे*श्उिषऊ ७हे निग्नशश्वजि लिथिब्रां शिलांब । कवनं चांदञ्चकबउ हेशद्र चामक পরিবর্তন ও পরিবর্ধন হুইবে । কিন্তু প্রধানত নিয়মের সাহায্যেই বিদ্যালয়-চালনার প্রতি আমার বিশেষ আস্থা নাই। কারণ, শান্তিনিকেতনের, বিদ্যালয়টি পড়া গিলাইবার কলমাত্র নহে। স্বত শাস্তিনিকেতন ব্রহ্মচর্যাশ্রম 880 ७९गाब्रिड बक्न हेक्रांद्र नशबउ बाउँौड देशद्र फेक्थ नक्न श्व ना । ७ई विशांजरब्रञ्च चक्षTांशंक**टक चांषि बांशांब्र चशौबह बजिब्रां ऋन कब्रि बां । র্তাহারা স্বাধীন শুভবুদ্ধির দ্বারা কর্তব্য সম্পন্ন করিয়া বাইবেন ইহাই আমি আশা করি এবং ইহার জন্যই আমি সর্বদা প্রতীক্ষা করিয়া থাকি। কোনো অঙ্কুশাসনের কৃত্রিম শক্তির দ্বারা আমি তাহাদিগকে পুণ্যকর্মে বাহিকভাবে প্রবৃত্ত করিতে ইচ্ছা করি না। তাহাদিগকে আমার বন্ধু বলিয়া এবং সহযোগী বলিয়াই জানি। বিদ্যালয়ের কর্ম যেমন জামার, তেমনি তাহাদেরও কর্ম— এ যদি না হয় তবে এ বিদ্যালয়ের বৃথা প্রতিষ্ঠা। আমি যে ভাবোৎসাহের প্রেরণায় সাহিত্যিক ও অধিক ক্ষতি এবং শারীরিক মানসিক নানা কষ্ট স্বীকার করিয়া এই বিদ্যালয়ের কর্মে আত্মোৎসর্গ করিয়াছি সেই ভাবাবেগ আমি সকলের কাছে আশা করি না। অনতিকলিপূর্বে এমন সময় ছিল ৰখন আমি নিজের কাছ হইতেও ইহা অাশা করিতে পারিতাম না। কিন্তু আমি অনেক চিন্তা করিয়া স্বম্পষ্ট বুঝিয়াছি যে, বাল্যকালে ব্রহ্মচর্য-ব্রত, অর্থাৎ আত্মসংযম, শারীরিক ও মানসিক নির্মলতা, একাগ্রতা, গুরুভক্তি এবং বিদ্যাকে মচুন্যত্বলাভের উপায় বলিয়া জানিয়া শাস্ত সমাহিত ভাবে শ্রদ্ধার সহিত গুরুর নিকট হইতে সাধনা-সহকারে তাহা দুর্লভ ধনের স্তায় গ্রহণ করা— ইহাই ভারতবর্ষের পথ এবং ভারতবর্ষের একমাত্র রক্ষার উপায় । কিন্তু এই মত ও এই আগ্রহ আমি যদি অন্তের মনে সঞ্চার করিয়া না দিতে পারি তবে সে আমার অক্ষমতা ও দুর্ভাগ্য— অঙ্গকে সেজন্ত আমি দোষ দিতে পারি না। নিজের ভাব জোর করিয়া কাহারে উপর চাপানো বায় না— এবং এ-সকল ব্যাপারে কপটতা ও ভান সর্বাপেক্ষ হেয় । জামার মনের মধ্যে একটি ভাবের সম্পূর্ণতা জাগিতেছে বলিয়া অনুষ্ঠিত ব্যাপারের সমস্ত ক্ৰটি দৈন্ত অপূর্ণত অতিক্রম করিয়াও আমি সমগ্রভাবে আমার আদর্শকে প্রত্যক্ষ দেখিতে পাই– বর্তমানের মধ্যে ভবিষ্যৎকে, বীজের মধ্যে বৃক্ষকে উপলব্ধি করিতে পারি— সেইজন্ত সমস্ত খণ্ডত দীনতা সত্বেও, ভাবের তুলনায় কর্মের যথেষ্ট অসংগতি থাকিলেও আমার উৎসাহ ও আশা ম্রিয়মাণ হুইয়া পড়ে না। যিনি আমার কাজকে খণ্ড খণ্ড ভাবে প্রতিদিনের মধ্যে বর্তমানের মধ্যে দেখিবেন, নানা বাধা-বিরোধ ও অভাবের মধ্যে দেখিবেন, তাহার উৎসাহ আশা সর্বদা সজাগ না থাকিতে পারে। সেইজন্ত আমি কাহারে কাছে বেশি কিছু দাবি করি না, সর্বদা আমার উদ্বেগু লইয়া অন্তকে বলপূর্বক উৎসাহিত করিবার চেষ্টা করি না- কালের উপর, সত্যের উপরে, বিধাতার উপরে সম্পূৰ্ণ ধৈর্ষের সহিত নির্ভর করিা থাকি। ধীরে ধীরে স্বাভাবিক 888 রবীন্দ্র-রচনাবলী নিয়মে অস্তরের ভিতর হইতে অলক্ষ্য শক্তিতে যাহার বিকাশ হয় তাহাঁই যথার্থ এবং তাহার উপরেই নির্ভর করা যায়। ক্রমাগত বাহিরের উত্তেজনায়, কতক লজায়, কতক ভাবাবেগে, কতক অনুকরণে যাহার উৎপত্তি হয় তাহার উপরে সম্পূর্ণ নির্ভর করা যায় না এবং অনেক সময়ে তাহা হইতে কুফল উৎপন্ন হয়। আমি আশা করিয়া আছি যে, অধ্যাপকগণ, আমার আকুশাসনে নহে, অন্তরস্থ কল্যাণবীজের সহজ বিকাশে ক্রমশই আগ্রহের সহিত আনন্দের সহিত ব্রহ্মচর্যাশ্রমের সঙ্গে নিজের জীবনকে একীভূত করিতে পারিবেন। তাহারা প্রত্যহ যেমন ছাত্রদের সেবা ও প্রণাম গ্রহণ করিবেন তেমনি আত্মত্যাগ ও আত্মসংযমের দ্বারা ছাত্রদের নিকটে আপনাদিগকে প্রকৃত ভক্তির পাত্র করিয়া তুলিবেন। পক্ষপাত অবিচার অধৈর্ষ, অল্প কারণে অকস্মাৎ রোষ, অভিমান, অপ্রসন্নতা, ছাত্র বা ভৃত্যদের সম্বন্ধে চপলতা, লঘুচিত্তত, ছোটোখাটাে অভ্যাসদোষ, এ-সমস্ত প্রতিদিনের প্রাণপণ যত্নে পরিহার করিতে থাকিবেন । নিজের ত্যাগ ও সংযম অভ্যাস না করিলে ছাত্রদের নিকট র্তাহাদের সমস্ত উপদেশ নিফল হইবে— এবং ব্রহ্মচর্যাশ্রমের উজ্জ্বলতা মান হইয়া যাইতে থাকিবে । ছাত্রেরা বাহিরে ভক্তি ও মনে মনে উপেক্ষা করিতে যেন না শেখে । আমার ইচ্ছা, গুরুদের সেবা ও অতিথিদের প্রতি আতিথ্য প্রভৃতি কার্ধে রথীর দ্বারা বিদ্যালয়ে আদর্শ স্থাপন করা হয়। এ-সমস্ত কার্ধে যথার্থ গৌরব আছে, অবমান নাই— এই কথা যেন ছাত্রদের মনে মূদ্রিত হয়। সকলেই যেন আগ্রহের সহিত অগ্রসর হইয়া এই-সমস্ত সেবাকার্যে প্রবৃত্ত হয় । অভ্যাগতদের অভিবাদন, তাহাজের সহিত শিষ্ট্রালাপ ও র্তাহাদের প্রতি সযত্ন ব্যবহার যেন সকল ছাত্রকে বিশেষরূপে অভ্যাস করানো হয় । বিদ্যালয়ের নিকটে কোনো আগন্তুক উপস্থিত হইলে তাহাকে যেন বিনয়ের সহিত প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করিতে শেখে— ছাত্ৰগণ ভৃত্যদের প্রতি যেন অবজ্ঞা প্রকাশ না করে এবং তাহারা পীড়াগ্রস্ত হইলে যেন তাহাদের সংবাদ লয়। ছাত্রদের মধ্যে কাহারো পীড়া হইলে তাহাকে যথাসময়ে ঔষধ ও পথ্য সেবন করানো ও তাহার অন্যান্ত শুশ্ৰুষার ভার যেন ছাত্রদের প্রতি অপিত হয়। ভৃত্যদের দ্বারা স্বত অল্প কাজ করানো যাইতে পারে তৎপ্রতি দৃষ্টি রাখা আবশুক। আপনি যদি সংগত ও স্থবিধাজনক মনে করেন তবে গোশালায় গাষ্ঠীগুলির তত্ত্বাবধানের ভার ছাত্রদের প্রতি কিযুৎপরিমাণে অর্পণ করিতে পারেন। দুইটি হরিণ আছে, ছাত্ৰগণ যদি তাহাদিগকে ऋख चांशद्रांश् िशिग्ना cगांव बांनाहेtउ *itद्र उरब उitणां श्ब्र ! चांबाब्र देव्ह কয়েকটি পাখি মাছ ও ছোটো জন্তু আশ্রমে রাখিয়া ছাত্রদের প্রতি তাহায়ের পালমের শাস্তিনিকেতন ব্রহ্মচর্যাঞ্জম 886. ভার দেওয়া হয়। পাখি খাচায় না রাখিয়া প্রত্যহ আহারাদি দিয়া ধৈর্ষের সহিত মুক্ত পাখিদিগকে বশ করানোই ভালো। শাস্তিনিকেতনে কতকগুলি পায়রা আশ্রয় লইয়াছে, চেষ্টা করিলে ছাত্ররা তাহাদিগকে ও কাঠবিড়ালিদিগকে বশ করাইতে পারে। লাইব্রেরি গোছানে, ঘর পরিপাটি রাখা, বাগানের যত্ন করা, এ-সমস্ত কাজের ভার যথাসম্ভব ছাত্রদের প্রতিই অৰ্পণ করা উচিত জানিবেন। জাপানী ছাত্র হোরির সেবাভার রখী প্রভৃতি কোনো বিশেষ ছাত্রের উপর দিবেন। এনট্রেন্স পরীক্ষার ব্যস্ততায় আপাতত তাহার যদি একান্ত সময়াভাব ঘটে তবে আর কোনো ছাত্রের উপর অথবা পালা করিয়া বয়স্ক ছাত্রদের উপর দিবেন। তাহার। যেন যথাসময়ে স্বহস্তে হোরিকে পরিবেশন করে। প্রাতঃকালে তাহার বিছানা ঠিক করিয়া দেয়— যথাসময়ে তাহার তত্ত্ব লইতে থাকে— নাবার ঘরে ভূত্যেরা তাহার আবগুকমত জল দিয়াছে কি না পর্যবেক্ষণ করে। প্রথম দুই-একদিন রখীর দ্বারা এই কাজ করাইলে অন্ত ছাত্রেরা কোনোপ্রকার সংকোচ অনুভব করিবে না। ছাত্ররা যখন খাইতে বসিবে তখন পালা করিয়া একজন ছাত্র পরিবেশন করিলে ভালো হয়। ব্রাহ্মণ পরিবেশক না হইলে আপত্তিজনক হইতে পারে। অতএব সে সম্বন্ধে বিহিত ব্যবস্থাই কর্তব্য হইবে। রবিবারে মাঝে মাঝে চড়িভাতি করিয়া ছেলেরা স্বহস্তে রন্ধনাদি করিলে ভালো হয় । সম্প্রতি নানা উদবেগের মধ্যে আছি, এজন্য সকল কথা ভালোরূপ চিন্তা করিয়া লিখিতে পারিলাম না। আপনি সেখানকার কাজে যোগদান করিলে একে একে অনেক কথা আপনার মনে উদয় হইবে, তখন অধ্যাপকগণের সহিত মন্ত্রণা করিয়া আপনার মন্তব্য আমাকে জানাইবেন। আপনার প্রতি আমার কোনো আদেশ-নির্দেশ নাই ; আপনি সমবেদনার দ্বারা, শ্রদ্ধা ও প্রীতির দ্বার। আমার হৃদয়ের ভাব অমুভব করিবেন এবং স্বতঃপ্রবৃত্ত কল্যাণকামনার দ্বার। কর্তব্যের শাসনে স্বাধীনভাবে ধরা দিবেন এবং যাবৎ কর্ম প্রকুবীত তাত্রহ্মণি সমৰ্পয়েং। ইতি ২৭শে কাতিক ১৩০৯ डिगैिश्च वैद्रौवनांश #ांकूद्र