শ্রীশ্রীহরি লীলামৃত/আদি খণ্ড/তৃতীয় তরঙ্গ/২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন


সে কারণ না জানাই বৈষ্ণব সমাজে । মর পুত্র গোপুনে রাখিন্থ গৃহ মাঝে ॥ হইল বৈঞ্চব সেবা অনিন্দ হৃদয় । এবে আনিলাম ছেলে বৈষ্ণব সভায় ॥ মৃত পুত্র লক্সে নাচে আনন্দিত মন । বালকের মুখে হৈল জল উদগীরণ ॥ বালকের মৃত দেহে সঞ্চারে জীবন । ধন্য ধষ্ঠ করি হরি বলে সাধু জন ॥ অন্নপূর্ণ বাঞ্ছাপূর্ণ পুত্র নিল কোলে । রচিল রসনা মৃত্যুঞ্জয় কৃপা বলে ॥ । --ണ്ട്.-ാ মোহমুদ্রগরোপাখ্যান | - পয়ার - পুন বৈঞ্চবের বসিদেন একঠাই । বলে ধন্য যশোমন্ত হেন দেখিনাই ॥ মোহ মুদ্রগরের বাটি ঐক্লঞ্চ অর্জুন । কৃষ্ণ ভক্তি বুঝিবারে গেলেন দুজন । ব্রাহ্মণ বেশেতে গিয়া উপনীত তথি । মুদগরে ডাকিয়া বলে আমরা অতিথি । অথিবিরে দিল সাধু পাক করিবারে। তিন পুত্রে পাঠাইল পরিচর্য্য। তরে ॥ । জ্যেষ্ঠ পুত্র গিয়াছিল জল অনিবারে । অকস্মাৎ সেই পুত্ৰে খাইল কুম্ভীরে ॥ মধ্যম সন্তান গেল কাষ্ঠ আনিবারে । বন মাঝে ব্যাঘ্ৰ ধ’রে মারিল তাহারে ॥ কনিষ্ঠ সন্তান গেল আনিবারে পাত । কালসৰ্প তার শিরে করিল আঘাত ॥ পুত্রের বিলম্ব দেখি মুণির চলিল । সাপে বাঘে কুম্ভীরে মেরেছে দেখে এল ॥ এই ভাবে তিন পুত্র মরে গেল তার । নিজে এনে দ্রব্য দিল অতিথি সেবার ॥ মুদ্রগরের নারী আর পুত্রবধূ তিন । নুহে তার শোকাতুর বিকারবিহীন ॥ ছদ্মবেশে কৃষ্ণ বলে শুন মহাশয় । কাষ্ঠ পাতা আন্তে গেল তা হার কোথায় ৷ যুদ্রগর কহিছে তারা মহা ভাগ্যবান। অতিথি সেবিতে তারা ত্যজিয়াছে প্রাণ ॥ কৃষ্ণ বলে ম’ল তব তিনটি নন্দন । পুত্র শোকে মুগের কাদনা কি কারণ " যুগের কহিছে কেন করিব রোদন। পুত্র ম’ল ভাল হ’ল ঘুচিল বন্ধন | মায়ার বন্ধন কেটে দিলেন গোবিন্দ । নিৰ্ব্বিঘ্নে বলিব হরি করিব আনন্দ ॥ কৃষ্ণ বলে শীঘ্ৰ যাও ডেকে আন ঘরে। অতিথি সেবিতে কবে কার পুত্র মরে ॥ ঘারে নিল কুন্তীরেতে উপজিল আসি । কুবঃ অগ্ৰে এনে দিল জলের কলসী ॥ ই মত তিন পুত্ৰ হ’ল উপনীত । রি পদ ধরি সবে ধূলাতে লুষ্ঠিত ॥ পরিচয় দিয়া হরি করিল গমন । অভিমত্যু শোক পার্থ কৈল সম্বরণ ॥ মুদ্রগ:রর পুত্র দিল গোলোক গোসাই । যশোমন্ত রৈরাগীর আজ হ’ল তাই ॥ আর সাধু বলে শুন বৈষ্ণবের গণ । কৃষ্ণলীল। সুধাধার মধুর বর্ষণ ॥ অম্বরীর্ষ গৃহেছিল একটা নন্দন । দশ বর্ব পরমায়ু ছিল নিরুপণ ॥ દ્ધ ठू সংক্ষেপে বলিব এবে তার বিবরণ। স্থতিক। আগারে যবে ছিল সে নন্দন ॥ অদৃষ্ট লিখন যবে লেখে পদ্মাসন। দাসী গিয়া ধরিল সে বিধির চরণ ॥ " দাসী বলে ওহে বিধি কি লিখিয়া যাও। বালকের আয়ু কত মম ঠাই কও ; - অনেক স্তবেতে বিধি সস্তুষ্ট হইল । দশ বর্ষ পরমায়ু দাসীকে বলিল ॥ দাসী জানাইল রাজরাণীর গোচরে । রাণী জানাইল তহি মহারাজ তরে ॥ অল্প আয়ু জানি নাহি দিল লিখিবার । মনে মনে চিন্তা করে রাজার কুমার ॥ ভাবে আমি রাজকুলে একটা কুমার। পিতা না করেন যত্ন মোরে লেখাবার ॥ রাঙ্গ পুত্র জিজ্ঞাসিল পিতৃদেব স্থলে । কেন পিতা মোরে নাহি দেন পাঠশালে । রাজা বলিলেন সেই বালকের ঠাই । দশ বর্ষ আয়ু বাছা লেখাব কি ছাই ॥ দশবর্ষ পরমায়ু তোমার বে ছিল। নয় বর্ষ এই তার গত হ’য়ে গেল । রাঙ্গ পুত্র বলে পিতা আর শুনিব কি । এখন ত মরণের এক বর্ষ বাকি ৷








শাস্ত্রপ্রচার প্রেস,

৫নং ছিদামমুদির লেন , দর্জ্জিপাড়া হইতে

শ্রীকুলচন্দ্র দে দ্বারা মুদ্রিত।