শ্রীশ্রীহরি লীলামৃত/আদি খণ্ড/তৃতীয় তরঙ্গ/৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন


স্বচক্ষেতে বিশ্বনাথ দরশন করি। - হাচি শুনি সাধু শিরোমণি দিল বর। - শমনদমন করি বলে হরি হরি ॥ - মাত পিতা ধাত্রীকে বসায়ে এক ঠাই। বলে মা বিদায় দেহ কাশীধামে যাই। আধ্যাত্মিক ভাবেতে সকলে বুঝাইল । রাজপুত্র কাশীধামে গমন করিল। এক বর্থ কাশীধামে করে হরি নাম । কিবা দিব। বিভাধরী না করি বিরাম ॥ যে দিনেতে কুমারের অসম সময় । আনন্দ কাননে বসি হরিগুণ গায়। এসে পরে বিশ্বেশ্বরে করে দরশন। বহু স্তবে তোষে ভবে করিয়া রোদন ॥ সিদ্ধ ঋষি তথা বসি বিশ্বেশ্বর দ্বারে। রাজপুত্র, গিয়া তন্ত্র তার পদ ধরে ॥ পরমহংস, তবতংশ, উলঙ্গ সন্ন্যাসী । দীর্ঘজীবি, তুই হবি, বর দিল হাসি। , , রাজপুত্র বলে স্বত্র পরযায়ু নাই। --~~ সহস্রায়ু, তোর আয়ু বলিল গোঁসাই। হেনকালে সেই সাধু গঙ্গ। স্বানে যায়। রাজপুত্র হাচি দিল এমন সময় ॥ জীবন সহস্ৰ ব'লে করে ধরে করু। : রাজপুত্র সাধুর চরণ গিয়া ধরে ' : , আজ মম মৃত্যু বলে ভাসে অশ্রনীরে' : ' সাধু বলে হরি বলে যে দিয়াছে ইীি: জীবন সহস্র আমি তাহারে বলেছি . . . রণে বনে গম্নে ভোজনে স্থানে দার্নে। . হাচিতে সুফল ফলে বেদের বিধানে। পশ্চিমে পড়িলে হাচি বহু লভ্য হয়। পশ্চিমেতে হাচি প’ল মানের সময় ॥ হরিনাম ধ্বনি তোর ভক্তি রসময় । তাতে তোর হাচি শুনে:প্রফুল্ল হৃদয় ॥ জীবন সহস্র মম মুখেতে আসিল । কুমার তোমার ভাগ্য প্রসন্ন হইল ॥ রাজপুত্র বলে মম অবশু মরণ । " .ه বলিতে বলিতে তথা আইল শমন। " মহিষ বাহন যম কালদঙকরে। - রাজপ্লস বলে ঐ নিতে এল মেরে । , সে বলে চলশঙ্করের কাছে যাই । দেখি স্বাক্য প্ৰাধে কিনা শঙ্কর গোঁসাই ॥

 
হেনকালে অন্নপূর্ণ বলে মৃদ্ধ হাদি।

দৈববাণী প্রায় যেম বলিল প্রকাশি ॥ বহু দিন করে সাধু সাধন ভজন । সত্য সত্য সাধু বাক্য না হ’বে লঙ্ঘন । বিশ্বেশ্বর বলে তুমি শুন ব্রহ্মময়ী। তুমি যাহা বলিলে আমার বাক্য অই ৷ সাধু বলে ধৰ্ম্মরাজ শুনিতে কি পাও । রাজপুর পরিবর্তে মম প্রাণ লও। শঙ্করী শঙ্কর বাক্য আমি দিয়ু বলে । তিনবাক্য নষ্ট হয় রাজ পুত্রে নিলে । , যম বলে তব বাক্যে ছাড়িমু কুমারে । নিৰ্ভয়েতে হরিভক্ত যাক্ নিজ ঘরে ॥ রাজপুত্র চলে গেল আপন ভবনে। বন্দিলেন পিতা মাতা ধাত্রীর চরণে ॥ দুরন্ত কৃতান্ত শাস্ত এ বৃত্তান্ত শুনি । , জয়পুরে প্রেমানন্দ জয় জয় ধ্বনি। : ---ধাত্রীবাক্যে পরে করে মহা মহোৎসব। হরি বলে নৃত্য করে যতেক বৈষ্ণব ॥ " আর দেখ কর্ণপুত্র বৃষকেতু ছিল। করাতে কাটিয়া তারে কৃষ্ণ পূজা কৈল । সেই পুত্র বাচা’লে শ্ৰীকৃষ্ণ ভগবান। কেন না বাচিরে বল এ ছেলের প্রাণ ॥ কত মতে সাধুসেবা কৈল যশোমন্ত । কেন ছেলে বাচিবে না ভকতি একান্ত ॥ বৈষ্ণবের মুখভঙ্গ এই ভয় করে। দুঃখ নাই মর। ছেলে সেরে রাখে ঘরে ॥ যশোমন্ত পুত্র দিল অন্নপূর্ণ কোলে। " | পতিপদ ধরি সতী হরি হরি বলে।

ওহে নাথ এ তনয় আমার ত নয় ।

ছেলের জীবন পেল বৈষ্ণৰ কৃপায় ॥ এছেলে থাকুক সাধু সেবায় নিযুক্ত । বৈষ্ণব নফর হো’ক বৈষ্ণবের ভক্ত ৷ বৈষ্ণুবের দাস হ’বে মম অভিলাষ । এ ছেলের নাম থাক শ্ৰীবৈষ্ণব দাস ৷ পরে গৌরীদাস পরে শ্রীস্বরূপ দাস। . . এক বিষ্ণু পঞ্চ অংশে ভূবনে প্রকাশ । পঞ্চ ভাই জন্ম নিল ভুবনের মাঝ । রচিল তারকচন্দ্র কবি রসরাজ ! --سم-ب~ - *.








শাস্ত্রপ্রচার প্রেস,

৫নং ছিদামমুদির লেন , দর্জ্জিপাড়া হইতে

শ্রীকুলচন্দ্র দে দ্বারা মুদ্রিত।