শ্রীশ্রীহরি লীলামৃত/মধ্য খণ্ড/তৃতীয় তরঙ্গ

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন

বন্দন । জয় জয় হৰ্বিচাদ জয় কৃষ্ণ দাস। . জয় ঐ বৈষ্ণব দাস জয় গেরি দাস ৷ জয় ঐ স্বরুপ দাস পঞ্চ সহোদর। পতিত পাবন হেতু হৈল অবতার। জয় জয় গুরুচাদ জয় হীরামম। জয় ঐ গোলোক চাদ জয় শ্ৰী লোম। জয় জয় দশরথ জয় মৃত্যুঞ্জয়। জয় জয় মহানন্দ প্রেমানন্দ ময় ॥ o জয় নাটু জয় ব্রজ জয় বিশ্বনাথ । নিজে দাস করি মোরে কর আত্মসাৎ ৷ গোস্বামী দশরথোপাখ্যান ।

、一つ "wi弱1。。。。

দশরথ নামে সাধু পদ্মবিলাবাসী। . তত্ত্বজ্ঞানী হরিনামে মত্ত অহৰ্নিশি । সত্যবাদী জিতেন্দ্রিয় পুরুষ রতন। - করে-একাদশী ব্ৰত তুলসী সেবন। তিন সন্ধ্যা মালা জপ তিলক ধারণ । হরিনাম ছাপা অঙ্গে অতি সুশোভন ॥ নিত্য নিত্য প্রাতঃকৃত্য স্নানাদি তৰ্পণ। গুরু পূজা কৃষ্ণ পূজা নৈবিদ্য অর্পণ । পক্ষে পক্ষে একাদশী শ্ৰীহরি বাসর। স্তব পাঠ নাম পাঠ নাহি অবসর ॥ চৈতন্য চরিতামৃত পঠে ভাগবত । সাধু সেবা মহোৎসব করে অবিরত ॥ দিবাহারী একসন্ধ্যা নাহি দ্বিভোজন। আতপ তণ্ডুল অন্ন লাবড়া ব্যঞ্জন ॥ তৈল মৎস্ত ত্যাগী ভক্ষে দিনে একবার। রাত্রে কিছু ফলাহার কভু অনাহার ॥ । হেন মতে সদা করে বিশুদ্ধ ভজন। হরিনাম সংকীৰ্ত্তনে সতত মগন । দৈবে ব্যধিযুক্ত হ’ল কাৰ্ত্তিক মাসেতে। জর হয়ে ভূগিলেন কতদিন হ'তে। . তৃতীয় তরঙ্গ। to পালজির হল তার দুই মাস পর। একদিন হয় জর এক দিনান্তর ॥ 总 মাঘ মাস এই ভাবে গেল গোস্বামীর । - জরেব জালায় আর নাহি পান স্থির ॥ ফাস্তুপ মাসেতে জর বাড়িল অধিক। " চৈত্রমাস শেষে জর হইল ক্র্যহিক ॥ আরক পাচন বট কত খাইতেছে। ক্রমশঃ জরের বৃদ্ধি দুৰ্ব্বল হ’তেছে । , ভাল বৈদ্য চিকিৎসুক কতই আসিল । বাছিয়া বাছিয়া কত ঔষধ খাইল ॥ . তবু রোগ শান্তি নাই হইল কাতর। শক্তি নাই যষ্টিমাত্র চলিতে দোসর ॥ প্রচলিত হইয়াছে হরিবলা মত। .یہ* কত লোক ওঢ়ার্কাদি করে যাতায়াতৃ ।- " ইহা শুনি দশরথ তবু নাহি যায়। কি জানি কি ওঢ়ার্কাদি না হয় প্রত্যয় ॥ . যারা যায় তারা কয় হরি আবিভূর্তস্থ শ্ৰীকান্ত হয়েছে এবে যশোমন্ত স্থত. "; গেলে মাত্র রোগ সারে করিলে প্রণতি।" কিংবা প্রভু আজ্ঞাদিলে হয় রোগ মুক্তি ॥ মুখের কথায় মাত্র রোগের আরোগ্য । . বৈরাগ্য কেহ বা পায় যদি থাকে ভাগ্য। . শুনে দশরথ কয় বিশ্বাস না হয় । , , , । কোন হরি ওঢ়ার্কাদি হইল উদয় ॥ " ন। দেখিলে চক্ষুকৰ্ণ বিবাদ না ঘুচে । অবষ্ঠ যাইব দেখিবার ইচ্ছা আছে! কি ভাব সে ওঢ়ার্কাদি ভক্ত কিংবা হরি। হেরিব মহাপুরুষে যদি যেতে পারি। কল্য প্রাতে দরশন করিব ঠাকুর। ' অদ্য গিয়া নিশিতে থাকিব লক্ষ্মীপুর। বুদ্ধিমন্ত বুদ্ধিমন্ত ইহা আমি জানি। হরিভক্ত জ্ঞানী চূড়ামণি চূড়ামণি। শুনিয়াছি তারা যায় ঠাকুরের বাড়ী। - তারা যদি বলে তবে মানিবারে পারি ॥ " আদি অন্ত বৃত্তান্ত শুনিব সেই স্থানে। - কেমন ঠাকুর তিনি তারা ইহা জানে ॥ -*. } % ! 33 § ; ১০৪ - শ্ৰীশ্ৰীহরিলীলামৃত। : | এতবলি যান চলি লক্ষ্মীপুর গ্রামে। " : ||. শ্ৰীগুরুচরণ চিন্তে ভব ব্যাধি নাশে। . . . . . ; : রহিলেন গিয়া বুদ্ধিমন্তের আশ্রমে। ওঢ়ার্কাদি এলে তার জর থাকে, কিসে। - ঠাকুরের কথা তথা সকল শুনিল। . দশরথ বলে প্রভু বুঝিন্তু এখন।

  • শুনিয়া অন্তরে বড় ভক্তি জনমিল । নিজদাস জানি প্রভু ছল। কি কারণ ॥

প্রাতে উঠি চলিলেন ওঢ়াকাদি ধাম । যুগে যুগে ভক্তমন বুঝিয়া বেড়াও। যঠি হাতে কষ্টেতে গমন অবিশ্রাম। . জেনে মন বুঝে মন ছলনা করাও।” - ধীরে ধীরে চলিলেন, হীন। কর্ণকে ছলিতে প্রভু বৃদ্ধ বিপ্রবেশে। . চলে যায় মনে ভগ্নপাল সেই দিন ॥ পুত্র কেটে দিতে কও পার্ণাগ্লিসে । জর আসিবার ভয়ে হরি হরি বলে। - খাইবে মনুষ্য মাংস বলিলে সে কালে। হরিচাদ বলে ডাকে ভাসে অশ্রুজলে ॥ । ব্রাহ্মণে মানুষ খায় বুঝিতে নারিলে * , হরি হরি বলি উতরিল ওঢ়াকাদি ", দ্বান ধৰ্ম্মে রত কর্ণ নিৰ্ম্মল মুঞ্জন" , বস্ত্র গলে চক্ষুগলে দাড়াইল কাদি । বুঝে না মনুষ্য মাংস খায় কি ব্ৰাহ্মণ ॥ ঠাকুর বলেন বাছা কি নাম তোমার। বুঝিতে কর্ণের মন কিবা বাকি ছিল । দশরথ বলে আমি বড় দুরাচার ॥ • | স্বর্ণ দগ্ধ পুনঃ পুনঃ ঐজ্বল্য বাড়িল ॥. . . .. নাম মোর দশরথ পদ্মবিলাবাস । ' | স্বৰ্য বংশে রঘু রায় বুঝি তার মন - - । প্রভু বলে তুমিত দশরথ বিশ্বাস ॥ হয়েছিলে দ্বিজ ব্যাঘ্র তোমরা দুজন । : BBB BBB BB BB BBBDSJAS BB BBB BB BB BBBBBBBS u BB BmmLL BB BBB SSSSSS BBB BB BB BBBB 醬 BBBBB BBBBB BBBS BB ttttBBBBBBullS d তুই শুদ্ধাচারী মোর শৌচ নাই মোটে ॥ " | বলে ছিলে রক্ষা করমোরেখায় বাঘে । : নবেলা সন্ধ্যাকর আর স্বানাহিক। রঘুবলে ওরে বাঘ রলিরে তোমাকে। " بر ছাড় ছাড় থেওনারে ব্রাহ্মণ বালকে। - . ব্যাস্ত্র বলে যদি আমি রাজ মাংস পাই। .* - * - - - " ، ، ، ، তাহলে দ্বিজের স্বত্বে ছেড়ে দিয়ে.যাই ॥ ...? মোর ঠাইত্রলি বাছা কিসের কারণ12. | . - - ----- " - • . . . হ শুনি মনোকথা বুঝি তোর মন } : : প্রকাশিষ্ট্রবল গুনি ওরে দশরথ । : তাহা শুনি স্ত্রী - শুদ্ধচারী:সাধু জোর কিবা মনোরথ । -. : রাজা দেন গাত্রমাংস ব্যাঞ্জে খাই تی------- কি জানিকি ওঢ়াকাদি না হয় প্রত্যয় : খাইল সকল মাংস অস্থি মাক্স কোথাকার হার এল ওঢ়াকাদি গায়। . হেন কালে পরিচয় দিল দিগ। - নদিয়ার্তে গেীর রূগে গোলোক বল্লভ । চেয়ে দেখ আমি ব্যাঘ্র নহে, পঞ্চানন। ওঢ়াকাদি জন্ম তার কিসে অসম্ভব ॥ " মন বুঝিবারে দ্বিজ শিশু নারায়ণ ॥: | - ষ্ট মীন হৈস্থ কুৰ্ম্ম হৈস্থ, বরাহ, নৃসিংহ। . বর দিয়া রঘুরাজে গেলে দুইজন । , , . . তা হতে কি হীন হৈন্তু ল’য়ে নরদেহ ॥ । মাতাকে কড়ার দিল্লু নদীয়া ভুবনে। করিব মা ! শেষ লীলা ঐশাণ্য কোনে। हे পালিয়েছে পাল আর না হইবে জর। n অন্তৰ্য্যামী হয়ে কি বুঝিতে হয় মন । , * ...; ঐরাম রাঘব নাম নাশিতে রাবণ।" রঘুবর হতে তার মঙ্গলাচরণ . , বিশেষত ভক্তগণে জানাইতে ভক্তি , , জগতের শিক্ষা হেতু এই সব যুক্তি ॥ " এই আমি মনে মনে ভাবি অনুক্ষণ : , গোপীদের মন বুঝাকোন প্রয়োজন। ) -" -

  1. . - . ... o *.

আদি খণ্ড । '= ۶’ع 3 a 6 যে দিন করিলে হরি বসন হরণ। । জান মন কি জানিয়ে হরিলে বসন। "শ্লোক । লজ্জা ঘৃণ তথা ভয় চুতি জুগুপ্তা৷ পঞ্চম। শোকং সুখং তথা জাতি অষ্ট পাশ প্রকীর্তিত।. পয়ার । লজ্জা ঘৃণা ভয় ভ্রষ্ট। গ্লানি দুঃখ সুখ। সপ্ত গেছে লজ্জা পাশে পরীক্ষ কৌতুক। পতি ত্যঙ্গে বনে এসে করে প্রেম সম্বা। | পরীক্ষিলে গোপীদের অেেছ কিনা লজ্জা - কৃষ্ণ মুখে মুখিণী শ্ৰীকৃষ্ণ প্রতি আৰ্ত্তি। শয়নে স্বপ্লনে জাগরণে কৃষ্ণ ক্ষপ্তি। যারা যাচে দাসী পদ আপনগরজে । , রাধা বাস হরি হরি নিলে কিবা বুঝে . বোঝা মন বুঝিবারে কিবা প্রয়োজন। . সেও বুঝি জগতের শুিক্রার কারণ ॥ প্রভু কহে শেষ লীলা বড় চমৎকার। . | লীল। কারী যেই তার নিজে বোঝা ভার ॥ শুনি দশরথ পড়ে পদে লোটাইয়ে। কাদিয়ে কাদিয়ে কহে চরণে ধরিয়ে ॥ , সারে বা না সারে রোগ তাতে নাহি দায় । । দয়া করি হরি মোরে রেখ রাঙ্গা পায় ॥... . প্রভু কহে এত'তোর সাধন ভজন । , শুদ্ধাচারী বৈরাষ্ট্রর ব্যাধি কি কারণ ॥ প্রভু কহে দশরথ তোমারে জানাই। শৌচাচার ক’রে তোর হ’ল গুচি বাই ৷ স্বান না করিয়া কিছু খাওনা কখন। স্বান না করিয়া অদ্য করগে ভোজন ॥ • কল্য ভাত রাধিয়া রেখেছে জল দিয়৷ ৷ কাচা বলি দিয়া সেই ভাত খাও গিয়া ॥ শুনি অন্তঃপুরে যায় লক্ষ্মীর নিকটে । মা ! মা ! বলিয়া সাধু ডাকে কর পুটে । সাধুর মুখের ঐকান্তিক ডাক শুনি " দশরথে দেখা দিল জগৎ জননী ॥ দশরথ বলে মা দেহি প্রসাদী ভাত । খেতে আঞ্জা দিয়াছেন প্রভু জগন্নাথ । সাধু ভক্তগণ সব যায় উড়িষ্যায়। সে আনন্দ বাজারে প্রসাদ মেগে খায় ॥ [ x 8 )

, i. i

| - | : f ; i i | অথ দশরথ সঙ্গে ঠাকুরের ভাবলাপ। - ঠাকুর বৃস্থিল গিয়া চটক তলায় । . ! - সাধু কহে আর বার দেহ মা প্রসাদ ॥ করি চূড়ামণি কহে হরিনাম সার স্বান করে পানিকোঁড় দৈত্ত কি বৈরাগী , ' আত্মা শুদ্ধ না হ’লে কি যায় তারে কল্য রাধিয়াছ ভাত তাতে দিলে জল । . . . . সেই মাত লক্ষ্মী তুমি এই সে উৎকল ॥ আনন্দ বাজার এই মেগেছি প্রসাদ। " পদ্ম হস্তে দেহ খেয়ে পুরাইব সাধ । তব হস্ত রাধা অন্ন জগন্নাথ ভোগ। - . দেহ অন্ন খাইয়া সারিব ভব রোগ ॥ , so বহির্দেশে থাকিয়া বলেছে জগন্নাথ। - দশরথে দেহে কঁচা লঙ্ক! পাঞ্ছা ভাত ॥ জগন্মাতা দিল অন্ন আর কঁচা লঙ্কা। দশরথ বলে মোর গেল মৃত্যু শঙ্কা ॥ কিছার ত্রাহিক.জর ভবরোগ গেল । অন্নপাত্র ধরি সাধু মস্তকে রাখিল. । বহু দি অরুচি না পারে,কিছু খেতে। ৮ অদ্য এত রুচি নাহি পারে ধৈর্য্য হতে ॥৪ বড়ই বেড়েছে রুচি বড়ই সুস্বাদ . . ভিড় দিয়৷ ডাক ছেড়ে কহে দশরথ । কাহা লাবড়া ব্যঞ্জন কাহা জগন্নাথ ॥. মহা প্রভু বলে দশরথ এবে আয়। পাইবি লাবড় অন্ন মধ্যtছু সময় ॥: ; কিনা কি এ ওঢ়ার্কাদি না পালি ভাবিয়ে, আর দেখি ক্ষণ কাল বঞ্চুিতোরে লীয়েীঃ উপজিল প্রেমভক্তি সেরে গেল জর ; • { পয়ার । , দশরথ গিয়া শীঘ্ৰ প্ৰণমিল পায়ু। : ঠাকুর জিজ্ঞাসা করে পরেছ কৌপিন । কৌপিনের মহিমা, না জানি এতদিন ॥ " তিন বেলা স্বান ক’রে কে হয় বৈরাগী। , বিবেক বৈরাগ্য তাকি বাহ শোঁচে হয়। বনে বনে থাকিলে কি কৃষ্ণ পাওয়া যায়৷ স্বান রল কারে শুধু উপরেতে ধোয়। দশরথ বন্ধুে এতদিন কি করেছি। ইতি তত্ত্ব না জানিয়া ডুবিয়ে মরে অঙ্গ ধৌত বস্ত্র ধৌত ছাপা জপমালা। বহিরঙ্গ বাহ ক্রিয়া সব ধুলা খেলা ৷ যতদিন নাহি ঘুচে চিত্ত অন্ধকার। তত দিন শৌচাচার ডুবাডুবি সার । ব্যাধি যুক্ত দোষে রসনাতে রুচি নাই। জল ঢাল ঢালি হ’য়েছিল গুচি বাই ॥ যত করিয়াছি প্রভু সব শুচি বাই। . তব কৃপোদক বিনে চিত্ত ধৌত নাই । শুৗাম জলধর বলে চাতক যে হয়। জলে ডুবি সেকি কভু শুদ্ধ হতে চায়। স্বান করিয়াছি অন্ন খেতে পারিনাই। বিন স্বানে ব্যাধি গেল চতুণ্ডণ খাই। প্রভু বলে তবে বাপ আর কিবা চাই। আজ হতে আঁর তোর স্বান পূজা নাই প্রয়োজন নাই তোর ডুবাইতে জলে। ডঙ্কা মেরে বেড়া গিয়ে ইরি হরি বুড়ে হরি নাম ধ্বনী দিয়া মাতা গিয়াদেশ _শোন বাছ দেই তোরে এক উপদেশ । মালাবর্তী নামে লক্ষ্মীকান্তের ভগিনী। ’ তারে বিয়া কর গিয়া সে তোর গৃহিণী। লক্ষ্মীকান্ত নিকটে বলিলে বিয়া হবে। আমি ও বলিয়া দিব ভগিনী সে দিবে। । তৈলকুপী আখড়ায় চলে যেও তুমি। তথা আছে লোকনাথ নামেতে গোস্বামী৷: | যে ধৰ্ম্ম জানায় তুমি করিবে সে}ধৰ্ম্ম। সেই সে পরমধর্ম তিন প্রভু মৰ্থ। মালাবর্তী সঙ্গে ধৰ্ম্ম করিও র্যাজন। . যারে বলে ব্রজ সাধ্য গোপীর ভজন ॥ হেন মতে হইতেছে কথোপকথন। হইল অধিক লোক প্রভুর সদন ॥ যার যে মনন কথা কহিয়া বলিয়া। : স্বীয় স্বীয় স্থানে সবে গেলেন চলিয়৷ ৷ মধ্যাহূ সময় হ’ল কথোপকথনে। প্রভু বলে দশরথ যাবি কোন খানে ॥ - খেতে সাধ আছে তোর লাবড়া ব্যঞ্জন । চল বাছ খাই গিয়ে হয়েছে রন্ধন। সেবায় বসিল গিয়া প্রভু হরিচাদ। দশরথ পাতে হাত লইতে প্রসাদ ॥

  • দিলেন প্রসাদ দশরথ খায় মুখে।

হস্ত,মুছে মস্তকে কপালে চক্ষে মুখে। শ্ৰীশ্ৰীহরিলীলামৃত।

  • কোন মন্ত্র লাগিবেনা শুধু হরিনাম ।

রোধেছিল লাবড়া ঠাকুর ডেকে কয়। দশরথে দেহ লক্ষ্মী যষ্ঠ খেতে চায় ॥মহাপ্রভু বলে খাও উদর পুরিয়। পাইয়াছ মুখে রুচি লহরে খাইয়। জগৎ জননী লক্ষ্মী দিলেন পায়স । সানন্দে ভোজন করে অন্তরে সন্তোষ । স্বহস্তে মা শান্তিদেবী দেন দশরথে। । উদর পুরিয়৷ সাধু খায় ভাল মতে ॥ 浚 - ধরিয়া ত্ৰিশূল শিঙ্গার করু"। যৈছে বোর ধান্ত হয় যৈছে,হয়:ৰ্ত্তিল বাসকের গিয়া বাছ পুতলার ., প্রভুকে প্রণামী সাধু চলিলহাটিয়া? পুষ্করিণী জলে যঠি দিলেন ফেলিয়৷ - নিজ বাট আসিয়া কহিল ভ্রাতাগণে। । বিবাহ হইল শেষে মালাবতী সনে ঠাকুর কহিল লক্ষ্মীকান্ত টিকাদারে " "; লক্ষ্মীকান্ত ভূগ্নি দিল আজ্ঞা অনুসারে। দশরথ বিবরণ মধু মাথা কথা। " 美 অর্থ দশরথের বাট নায়েবেরর ত্যাচার। . কিছু দিন পরে সাধু তৈলকূপী যায়। | ১ গোস্বামীর নিকটেতে ধৰ্ম্ম শিক্ষা লয়। মালাবতী সঙ্গে তাহা করিল যাজন। অকামনা প্রেমভৰি ব্ৰজের ভজন ॥ মালাবতী দশরথ মিলে দুইজনে। মাঝে মাঝে আসে যায় ঠাকুরের স্থানে। কোন কোন সময় আসেন একাএকি । ঠাকুরের সঙ্গে এসে করে দেখাদেখি ॥ আদি খণ্ড । - ১০৭ কতু দশরথ ঠাকুরকে ল’য়ে যান। তিন চারি দিন তথা ধাকে ভগবান ॥ কৃষ্ণ গোষ্ঠ নাম পদ সঙ্কীৰ্ত্তন হয়। নদীয়াতে যেন ঐবাষ্ণুে আঙ্গিনায় ॥ মাতিল অনেক লোক প্রেমে উতরোল । ঘাটে পথে যেতে খেতে শুতে হরিবোল। গ্রামের পাষণ্ডী যারা বাধ্য নাহি তায়। কাছারীতে নায়েবের কাছে গিয়া কয় ॥ কি মত এ গ্রামে অনিয়াছে দশরথ । গ্রাম্য লোক নষ্ট হ’বে থাকিলে এ মত ॥ মেয়ে পুরুষেতে বসি একপাতে খায়। মেয়েদের এঠে খায় পদ ধুলা লয় ॥ _ পুরুষ ঢুলিয় পড়ে মেয়েদের পায় । মেয়ের ঢলিয়া পড়ে পুরুষের গায় ॥ দিবা নিশি হরিনাম পেয়েছে কি মধু। রাত্রি ঘুম পড়া নাই এ কেমন সাধু । ওঢ়াকাদি হতে হরি ঠাকুরকে আনে। সে ঠাকুর যেন কি মোহিনী মন্ত্র জানে। বুঝিয়াছি ইহার নিশ্চয় জানে যাদু। হরি বলে যায় চলে সতী কুল বধু ॥১ এ গ্রামে লেগেছে বাবু বড় হুলস্থল । গ্রাম্য নমঃশূদ্র দের গেল জাতি কুল।" কহঁপ মুনির বংশ গোত্রজ কাশুপ। দশরথ হ’তে সেই মান্ত হয় লোপ ॥ ইহার বিচার কর আনিয়া কাছারী। এই কাণ্ড আপনাকে দেখাইতে পারি ॥ ঠাকুর আছেন দশরথের ভবনে। । সকল প্রত্যয় হবে দেখিলে নয়নে ॥ রাত্রি কালে হুড়াহুড়ি শুনা যায় শব্দ। ছয় সাত দিন মোরা হয়ে আছি স্তব্ধ । নায়েব বলিছে এবে যাওঁ গো সকলে । আমাকে লইয়া ষেও কীৰ্ত্তনের কালে ॥ স্বৰ্য্যদেব ডুবে গেল সন্ধ্যাকাল এল। নাম গান কীৰ্ত্তনেতে সকলে মাতিল ॥ পুরুষ যতেক বসা পীড়ির উপরে। মহাপ্রভু বসেছেন গৃহের ভিতরে। দরজা নিকটে খোল করতাল বাজে। ঠাকুর আছেন বসি কীৰ্ত্তনের মাঝে ॥ রামাগণ অনেক বসেছে গৃহভর। মাঝে মাঝে হুলুধ্বনী দিতেছে তাহারা ॥ অজ্ঞান হইয় কেহ প্রেমে গদ গদ। কেহ বা প্রভুর অঙ্গে দিতেছে বাতাস । ঠাকুরের ঠাই বসি পরম উল্লাস। নাম গানে যবে প্রেম বন্যা বয়ে যায়। রামাগণে বামা স্বরে হুলুধ্বনী দেয় ॥ গৃহে বসিয়াছে রামাগণ সারি সারি। প্রভু পার্শ্বে কাদিতেছে মালাবতী নারী। কোনমারী ঠাকুরের চরণে লোটায়। '. কোননারী পদ ধরি গড়াগড়ি যায় ॥ .. ళ কোননারী কেঁদেছে হা হরি জগন্নাথ। শ্ৰীপদ ধোয়ায় কেহ করি অশ্রুপাত ॥ হেন কালে গ্রামীর নায়েবে ল’য়ে যায়। বাড়ীর উপরে নিয়া তাহকে বসায় ৷ দুই ভাগ করিয়া পীড়ার লোক সবে। চৌকি পাতি সমাদরে-বসায় নায়েবে . . . . . যেস্থান হইতে ঠাকুরকে দেখা যায়। . . এমন স্থানেতে নিয়া নায়েবে বসায়। রামাগণ বাহঙ্কান হারা সবে ঘরে। নায়েব বসিয়া সেই ভাব দৃষ্টি করে। হা নাথ বলিয়া কেহ শিরেধর পদ ॥ চতুর্দিকে নারী মাল৷ মালাবতী বামে। মৃদুস্বরে হরি বলে মত্ত হ’য়ে প্রেমে ॥ মালাবতী ভেসেছেন নয়নের জলে। স্কন্ধে হাত দিয়। হরি কেঁদনী মা বলে ॥ বদনে তাম্বুল চাবা চৰ্ব্বন যা ছিল। . কাশী সহ সেই চাবা ঠাকুর ফেলিল ॥ মালাবতী হস্ত পাতি ধরিল চৰ্ব্বন। . মস্তকে পরশ করি করিল ভক্ষণ ॥ ভক্ত পদ রঙ্গ ভুক্ত পাদধেীত জল । ভক্ত ভুক্ত শেষ এই তিন মহাবল । জগন্মাথ প্রসাদ কুকুর মুখ ভ্ৰষ্ট লভিতে বিরিঞ্চি বিষ্ণু শিবের অভীষ্ট । স্বয়ং ভগবান মুখ চৰ্ব্বিত চৰ্ব্বন। মালাবতী সতী তাহা করিল ভক্ষণ ॥ শীল যথা শত কুন্ত জলে সিক্ত নয়। প্রেমে দ্রবীভূত নয় পাষণ্ড হৃদয়। বিশেষ গ্রামী লোকের ছিল অনুরোধ। , তাহা দেখি নায়েবের উপজিল ক্রোধ ॥ ডেকে বলে দশরথে ওরে বনগরু । , . . মজাইবি দেশশুদ্ধ করে নিলি স্বরু। - چه

# * : - - ; براہ ہذا *

শ্ৰীশ্ৰীহরিলীলামৃত। കു : w . ع-محممیلیے i. A. \ পাষাণ গলিত হয় এ নামের গুণে । অগ্নি দেখে পভঙ্গিনী থাকিবে কেমনে ॥ " নায়েব কহিছে ওরে ভণ্ড তপস্বী। . যাহা শুনিয়াছি তাহ দেখিলাম আসি ॥ . কোন প্রেম করে নারী লোক সমিভারে। , গৌরাঙ্গ যখন নিষ্টীবন ফেলাইত। ওরে বেটা ভণ্ড তুই আয় দেখি শুনি। থুথু করি যখন ফেলিত নিষ্ঠীবন। কি বুঝিয়া ছেড়ে দিলি ঘরের রমণী ॥ মুখে মুখে মাধবী তা করিত গ্রহণ ॥ এত মেয়ে লোক কেন দেখি তোর ঘরে । ঠাকুরে লইয়া কেন এত প্রেম করে ॥ ভাল ভাল আই যদি ঠাকুর হইবে । মেয়েদের সঙ্গে কেন এ রঙ্গ করিবে ॥ দশরথ বলে বাবু মোর দোষ কিসে। যার যার নারী সেই সেই ল’য়ে আসে। জেনে শুনে বল বাবু কেবা করে দোষ । " প্রভুকে আনিম্ন আমি হইয়া সন্তোষ ॥ ঠাকুর আছেন মত্ত হরিনামু গানে। । মেয়েরা এসেছে সবে নাম আকর্ষণেী: , নায়েব কহিছে কেন হুলুদ্ধবনী দেয় । দশরথ বলে হ’য়ে আনন্দ উদয় - --|নায়েব কহিছে কেন পদ ধরি পড়েT . দশরথ বলে শুধু গাঢ় ভক্তি করে ॥ " " নায়েব কহিছে তোর নারী কোন প্রেমে। ঠাকুরের কাছে বৈসে মেতে কোন নামে। : দশরথ বলে ইহা কভু নহে মন্দ। " এ আমার বহু ভাগ্য পরম আনন্দ ॥ এ হেন কুকৰ্ম্ম কৈবা দেখেছে কোথায়।. ঠাকুরের ত্যজ্য চাবা তোর নারী খায় ॥ " নারী লোক সঙ্গে করে হরিনাম গান। শীঘ্ৰ ভণ্ড তপস্বীরে বাহিরেতে আন ॥ . নিয়া আয় আমি তাই জিজ্ঞাসী ঠাকুরে } দশরথ বলে বাবু স্থির কর মন । | আমি সব বলিতেছি ক্রোধ কি কারণ। সাধু মুখামৃত খাবে শাস্ত্রে ইহা আছে। গৌরাঙ্গ লীলায় এর প্রমাণ রয়েছে। , বৈষ্ণব বন্দনা।মধ্যে মধুর আখ্যান । ** গৌরাঙ্গের নিষ্টবন নারী লোকে খান ॥ বন্দিব বৈষ্ণবী শ্ৰীমাধবী ঠাকুরাণী । প্রভু যারে আলবাট বলেন আপনি ॥ বদন ব্যাদান করি ಣೆ! থাইত ॥ . . $4. . * l يو সেও ভাল প্ৰভু কেনয়া’বেন কাছারী ॥ মন্ত্রের সাধন কিম্বা শরীর পতন ॥ দশরথ মৃত্তিকায় শুইয়া পড়িল । নায়েবের পদ ধরি পিট পেতে দিল ॥ এত বলি পৃষ্ঠে মারে দশজুতা বা কাকী ষে আধার আনি বাছারে খাওয়ায় । তেমনি মাধবী দেবী খাইত সদায় ॥ বিশেষতঃ ভগবান মুখ নিষ্ঠীবন। মম নারী খেল তার সফল জীবন ॥ নায়েব কহিছে বেটা ভাঙ্গিব ভণ্ডত । করেছিস্ এতদিন আজ যাইবি কোথা ॥ আন অই ঠাকুরেকে,কাছারী লইব । - • আ’জ অই ঠাকুরের মৰ্ম্ম-কি শুনিব ॥. দশরথ বলে আমি প্রাণে যদি মরি। করি মান ঘরে নাহি যেও কোম্জন " মালাবতী ঘরে থেকে শুনিলেন তাই .ডেকে বলে এখানে আসিলে রক্ষা নাই । দশরথ মস্তকেতে ছিল এক টিকি। : নায়েব ধরিয়। তাই দিল এক ঝাকীr চৰ্ম্মের পাদুকা ছিল নায়েবের পায়। গোড় বাধা লোহাতে কঠিন অতিশয় ॥ সেই জুতা খুলে মারে ক্রোধে পরিপূর্ণ। , দশরথ বলে নাহি ভাবিতার জন্ত। এ দশজুতা মরিব তোরে রে দশরথ । যাহাতে না যা’স আর ঠাকুরের সাথ ৷ ع. রমান৷:ডেকে দশরথে, : r ঠাকুরে না দিলি যদি ওরে বেটা বোকা। ’ জরিমানাকন্ধিলাম তোরে দশটাকা । শীঘ্র ফেলা টাকা নৈলে আরো মা’র খাবি। টাকা যদি নাহি দিস্কাছারী যাইবি ॥ প্রভু বলে মালাবতী শীঘ্র ঘরে যাও । . দশটাকা চাহে ওরে কুড়ি টাকা দেও ৷ তাহা শুনি মালাবর্তী কুড়ি টাকা এনে । নয়েব নিকটে টাকা দিলেন তখনে ॥ ঘর হতে ঠাকুর কহেন নায়েবেরে । আর দশটাকা আমি দিলাম তোমারে ॥ কত নিবে কত খা’বে প্রজা বেচে রৈলে । ধনে বংশে মজাইলে যে মা’র মারিলে। \ * আদি খণ্ড । రిసి বারে বারে ইচ্ছা কর মোরে মারিবারে । তাহা দেখি সবে বলে জয় হরি জয় । এই মা’র আমি ছাড়া মারিয়াছ কারে ॥ জয় মহাপ্রভু হরিচাদ জয় জয় ॥ • জরিমান দিলাম যে দশটাকা বেশী। . . কেহ বলে প্রেমানন্দে হরি হরি বল । এখন নায়েব বাবু হয়েছে কি খুশী ॥ " এই ভাবে মহাভাবে সবে মেতে গেল ॥ এমন মধুর নামে পাষণ্ডী হইওনা। লম্ফ কম্প ভূমিকম্প পুলকিত অঙ্গ। এ জন্য দিলাম আমি বেশী জরিমানা ॥ কেহ বা বেহুষ আর নহে প্রেম ভঙ্গ ॥ এখন আমরা গান করিতে, কি পারি। বিপক্ষেরা বলে গিয়া নায়েবের ঠাই। পরকাল যাতে রহে বলে হরি হরি ॥ | বলে বাবু দেখ গিয়া আর রক্ষা নাই ॥ নীয়েব কহিছে এবে আর কীর ভয় । | নায়েত্ব কহিছে খুব কীৰ্ত্তন হউক । দিবা নিশী হরি হরি বলহ সদায় ॥ প্রেমে মেতে যাহা ইচ্ছা তাহাই করুক ॥ অমনি বলিয়া সবে প্রভু হরিচাদ । তোদের কথায় আমি মিছা করি রোষ। উচ্চৈঃস্বরে সবে করে নামপদ গান ॥ । - ঘরে দীপ বহু লোক কিবা করে দোষ ॥. _২ নামে প্রেমে দিসে হারা মাতিয়া উঠিল। ' পতুিব্রত সতী নারী পতি আছে সাথে। - বিষাদে হরিষ হয়ে মুখেতে ভাসিল । দোষ যদি করে তাহ করে গোপনেতেপ * কারু মনে দুঃখ দশরথেরে মেরেছে। এখন তাদের প্রতি নাহিক জুলুম। তাহা মনে করি হরি বলি কঁাদিতেছে। , নাম গান করিবারে দিয়াছি হুকুম ॥ t নায়েবের প্রতি কেহ ক্রোধ করি পড়ে। : মারিয়াছি দশরথে ভাগ্যে কিবা হয় । - সে ভাবেও হরি বলে দন্ত কড় মড়ে ॥ এ ঠাকুর সামান্ত ঠাকুর যেন নয় ॥ কোন মেয়ে বলে হরি আর ভয় নাই। " আজাম্বলম্বিত ভুজ আকর্ণনয়ন। আনন্দ্রে বলিল হরি আর কিবা চাই ॥ " | মান্বযেতে নাহি মিলে এমন লক্ষণ ॥ কি করিবে কোন বেটা বলে কোন মেয়ে । দশটাকা জরিমান বিশটাকা দিছে। নায়েব দিয়াছে আজ্ঞা জরিমান নিয়ে ॥ কিজানি ঠাকুর যেন মোরে কি করেছে। কোন মেয়ে বলে সব মঙ্গল কারণ। - স্বপ্নে দেখিয়াছি আই ঠাকুর আসিয়া । কি দিয়ে কি করে হরি বুঝে কোন জন ॥ হস্তের অঙ্গুলী মোর নিল খসাইয়া । , একাকী বিশ্বাস মহাশয় মা’র খেল। আরো দেখিলাম যেন আসিয়াছে পত্র। নিৰ্ব্বিল্প হইল দেশ ভয় দূরে গেল । * গৃহ দাহ হইয়াছে ঘর নাহি মাত্র ॥ হরিনাম লইতে নিৰ্ব্বিপ্ন যদি হয়। ইতি উতি কত যে কি দেখিকু স্বপনে। বিশজুতা বাড়ি খেলে তাতে কিবা ভয় ॥ নৃত্য করে বাম অঙ্গ শান্তি নাই মনে ॥ কোন মেয়ে বলে কেন মোরে মারিলন। ফিরে গেল পাষণ্ডীর অতি মৌন হয়ে। চল্লিশ জুতাতে মোর কিছুই হ’তন ॥ এ দিকেতে সংকীৰ্ত্তন উঠিল মাতিয়ে ॥ কেহ বলে আমারে মারিলে ভাল হ’ত । যামিনী হইল ভোর নাম সংকীর্তনে। ' i কেন মারিল না মোরে পঞ্চাশং জুত ॥ সবে:প্রেমে মত্ত, ক্ষুধা তৃষ্ণা নাহি মানে ॥ ; শ্ৰীহরি নামের গুণ বাড়ে যে প্রহারে । । সংকীৰ্ত্তন হইতেছে-কার নাই হব। ! তাহাতে কি ব্যথা হ’ত আমার.অন্তরে ॥ ভেদাভেদ জ্ঞান নাই নারী কি পুরুষ। | ধন্য দশরথ ধন্ত নায়েব প্রহার । . . ংহত বৃংহিত রবে হস্তী হস্তী যুঝে। - "হরি নাম বিঘ্ন নাশ করে খেয়ে মা'র ॥ হেনরব হইতেছে কীৰ্ত্তনের মাৰে ॥ হরিচাদ হরিচাদ হরিচাদ বল । “ v. কীৰ্ত্তনের রব যেন মত্ত সিংহরব । - কি করিতে পারে আর পাষণ্ডীর দল। শৃগালের মত ভীত পাষণ্ডীরা সব। 3 পাষণ্ডীর গণ সব এল ত্বরা করি । হেন জ্ঞান হইতেছে সময় সময় । j দাস হয়ে হরি বলে দন্তে তৃণ ধরি। প্ৰলয় বঞ্চাটে যেন গ্রাম উড়ে যায়। , , । . . . / y ঐঐহরিলীলামৃত। ' سمہ ۔ نہ ہو۔ ভেক প্রায় ভীরু হয়ে রয়েছে পাষণ্ড নারী গণে তাহ শুনে কাদিয়া উঠিল। এই রূপে বেলাহ’ল পাচ ছয় দণ্ড ॥ . . . . চক্ষু জলে সকলের বসন তিতিল ॥ । নিশা ভোর পুরাকাশে শূন্যে স্থিত রবি। - যে অঙ্গ নির্জনে বসি গঠিয়াছে বিধি। - , শ্ৰীশ্ৰীহরিলীলামৃত গীত গায় কবি’ সে অঙ্গে জুতার বাড়ি চেয়ে দেখ দিদি। - - . আহারে দারুণ বিধি এই ছিল মলে। . * . ~ : চাদেতে কলঙ্ক দিলি বিচার কর্লিনে। TS BBBBBB BBB BBB B BBBS mmSmmS kkk

  • 。 S BBB SSSSSS BBB BBB BB BBB BBBS

মালদেবী হুষ হয়ে সংকীৰ্ত্তন ভীতে । জটিলাকে বেত্ৰাঘাত করে তার গুরু। বিনয়ে চুঃণে ধরি কৃহে দশরথে। । সেই দাগ পৃষ্ঠে ধরে বাস্থ কল্পতরু॥, • নিশা ভোর পুৰ্ব্বকাশে উদয় তপন । , সেমতে আমাকে রক্ষা কৈল ভগবান।. . ’রে দেন প্রভুর সেবার আয়োজন হায় হায় কেন নাহি গেল যোর প্রাণ ॥ . BBBBB BBB BB BBBBBS BB BB BB BBB BBBB BZS BBB BBB BBBB BBBBBS SYSSSS BBB BBBBB BBBB BBS দশা ভঙ্গ ভকতের সৃঙ্গ। " মালাদেবী লুঠে পুড়ে ঠাকুরের প্লায়। , DBB BBB BDD DDSYSkBB BBB BB BBBBBBBS SS BBB BB BBBB BB BBBBBBS BBB BB BB BBB BB BBS কাছারী করির অর্থ আহার করিয়া মিলাইব হাইকোর্ট মহিলা কাছারী: SSBBBB BB BBB BB BB BBS BB BB BB BB BBBB BBS সকালে বিকালে এসে দেখে যেও মোরে - চৌকি সিংহাসন করি পাতি দিল ঘরে মালদেবী স্বান করি করিল রন্ধন। ...; বেড়ায় সংলগ্ন করি দিলেনু পাতিয়া আমাস্তৃতভুল অন্ন ষোড়শ ব্যঞ্জন। _ তিনটা-বালিশ দিল তারপর BBB BB BB BBBBB BB BBS BB BB BBB BBB BBBBS BBBBB BBBBBBS BB BB BB BB BB BBB BBS মহাপ্ৰভু সেবা করে হয়ে হৃষ্টমতি। : তার পর বসাইয়া দিল এক মেয়েী দশরথ গান করে ভোজন আরতি ॥ কুসুম মুকুট তার মস্তকেতে দিয়ে । ভোজনান্তে মহাপ্রভু শয়ন করিছে। । পদ্ম পুষ্প মালা গাথি গলে দিল:তার 3 মেয়ের আসিয়। কেহ বাতাস দিতেছে ঝুলাইয়াদিল মালা বক্ষের উপর। : - পার্শ্ব লগ্ন শয্যায় উপরে পৃষ্ঠদেশ । o উকিল মোক্তার হ’ল মেয়ের সবায়ু । , , ক্ষণকাল হইয়াছে নিদ্রার আবেশ, . হুজুর সেলাম বলি সম্মুখে দাড়ায় . এক মেয়ে বলে দিদি পjখা কর ত্যাগ। . যেই নারী মহারাণী সুেজে বসেছিল।" ঠাকুরের পৃষ্ঠ দেশে দেখ একি দাগ। . , রাঙ্গ-শ্ৰী রাজ-মুটুক শোভাতার হ’ল ৷ _থাগ থাগ দাগ হেন কভু দেখি নাই। . মহাপ্রভু হয়ে বাদী করি যোড় হস্ত । . যামিয়া রয়েছে রক্ত চেয়ে দেখ ভাই। . জবানবন্দী করিল নালিশী দরখাস্ত। . নিদ্রা ভঙ্গে গাত্ৰোখান করিল গোসাই। দশরথে মেরেছে নায়েব মহাশয়। : ঠু, মেয়ে গণে জিজ্ঞাসিল ঠাকুরের ঠাই, : ' সেই প্রহারের দাগ মম পৃষ্ঠে রয় ॥ ; একি দাগ দেখি প্রভু তব পৃষ্ঠোপরে। - সত্য মিথ্য স্বচক্ষে দেখুন একবার । ঠুং ঠাকুর কহিছে কল্য মেরেছে আমারে । সুবিচার করুণ হে ধৰ্ম্ম অবতার ॥ . * দশরথ পৃষ্ঠে জুতা মারিল নায়েব। ' - যে মেয়ে হইল রাজা সেই মেয়ে কয়। 莎、 আমার পৃষ্ঠেতে রাখিয়াছে গুরুদেব। . প্রমাণ করছ শীঘ্ৰ বিলম্ব না সয় ॥ な نی - ox ཐལ་། མ་ ག་ན་བཞུ།། ~. - t আদি খণ্ড । ) - প্ৰভু বলে জুমি হইয়াছি ফরিয়াদী। বিপক্ষ গ্রামীরা যত, রাগে হ’ল জ্ঞান হ’ত, ধৰ্ম্মতঃ শপথ সত্য মম জবানবন্দী ॥ বলে এত জুতা মারি পিঠি । আমার রাজ্যেতে মিথ্যা নাহি কহে কেহ এতদিল জরিমান, তবু কীৰ্ত্তন ছাড়ে না, আমার প্রমাণ ধৰ্ম্ম বিচার করহ ॥ মেয়েয়া বলেছে এই ধৰ্ম্মের কাছারী। আমরা দেখেছি গায় মারে দশ বাড়ী ॥ রাজা কহে নায়েব সে বড় অত্যাচারী। মোকৰ্দমা জয় তব দিলাম এ ডি ক্রী ॥ এই শাস্তি হ’বে তার বংশের নিৰ্ম্ম ল । কুষ্ঠ ব্যাধি খসিবেক হস্তের অঙ্গুল ř গৃহদাহ হইবে নায়েবী কাৰ্য্য যাবে। কল্য কাছারীতে বসি সংবাদ পাইবে । এ সব সংবাদ পেয়ে করিবে রোদন। পরশ্ব করিবে বেটা গৃহেতে গমন ॥ সবে বলে জয় শ্ৰীহরিচাদের জয়। নাম গানুেমাতিল কাছারী ভঙ্গ হয় । পরদিন বাটীহ’তে পছছিল পত্র । গৃহ দাহ হইয়াছে স্বরনাহি মাত্র। দৈবাৎমরেছে তার সুযোগ্য নন্দন। শিরে করাঘাত করি করিছে রোদন ॥ লোক সহ পত্র এল রাজবাটী হ’তে । বরখাস্ত হ’লে তুমি নায়েবী হইতে ॥ কুষ্ঠ ব্যাধি হ’ল গায় চাকা চাকা দাগ। বাড়ী চলে গেল করে নেয়াবতী ত্যাগ । হইল গলিতকুণ্ঠ খসিল আঙ্গুল। . স্বধনে সবংশে দুষ্ট হইল নিৰ্ম্মল । সাধু হিংস্র নায়েবের হ’ল সৰ্ব্বনাশ। গ্রাম বাসী পাষণ্ডের লাগিল তরাশ ॥ সেই ভাবে সকলে রহিল মনোল্লাসে। নাম গানে নিশীভোর হ’ল ভাবাবেশে । কহিছে তারক চন্দ্র কবি-রসরাজ । সাধু দ্বেষী যেই তার মুণ্ডে হেন বাজ । মহাপ্রভুর জোনাসুর কুঠি যাত্রা। - দীর্ঘ ত্রিপদী। হাকিম হুকুম যাহা, প্রত্যক্ষ ফলিল তাহ, নায়েব চলিয়া গেল বাড়ী। , , গৃহ দাহ বাৰ্ত্ত এল, কার্য্যেতে জবাব হল, ভয় প্রাণ কঁপে থরহরি ॥ چه - - ..., পাষণ্ডী মুখ নিহত, লাফালাফি ক'রে ভাঙ্গে মাটি ॥ " যত সব জাতিনাশ, নাহিক অন্ত ব্যবসা, কিসে চলে খায় ব’সে ব’সে । কেহ অন্ন বস্ত্র হীন,

  • কি কৌশলে সবে এসে মিশে, . নীয়েব দিল লাঞ্ছনা, বিশ টাকা জরিমানা,

কাৰ্য্য গেল চলে গেল বাট । যত সব দুষ্ট খল, . শেষে যায় জোনাসুর কুঠি ॥ নজর দিয়া সবাই, ডিক সাহেবের ঠাই, করে এক কেতা দরখাস্ত । সাহেবের কাছে গিয়ে, একে একে দাড়াইয়ে, ' . বাচনিক বলিল সমস্ত ॥ যত আসে কহে তত, ভাগ মন্দ নাহি যে বিচার। যত সব ভাল ক্রিয়ে, - কহে যত কুৎসিৎ আচার । ,, । সাহেব শ্রবণ করে; বলে তাদের গোচরে, যেই নারী কীৰ্ত্তনেতে নাচে। , , কীৰ্ত্তনের প্রেমাবেশে, যেই নারী মিসে এসে, তাহাদের কেহ কি জেনেছে ॥ । কহে পাষণ্ডীর গণ, তাহাদের আত্ম অই কাৰ্য্য রড় ভাল বাসে। . সাহেব কহিছে হারে, তাহারা যে কাৰ্য্য করে, - মোর মনে মন্দ নাহি অ'সে ॥ সাহেব কহিছে বল, , কুকাৰ্য্য কি করে কোন জনে । নাচে গায় নিরবধি, তার মধ্যে র্কাদে যদি, o: কুপ্রবৃত্তি জন্মিবে কেমনে ॥ 岑 - সাহেব কহিছে আমি, দেখিব কেমন আদৃমি, যাহ হাম পেয়াদ। পাঠাই । পাষণ্ডীরা গৃহে গেল, , সাহেব লোক পাঠা’ল, - - উপনীত দশরথ ঠাই ॥ পদ্মবিলা গ্রামে বাস, ' শ্রীরামতনু বিশ্বাস, বুদ্ধিমান অতি বিচক্ষণ । কাছাৰী কুঠি মোকামে, রাজ দ্বারে কিম্ব গ্রামে, ; পরগণে মানে সৰ্ব্বজন। জুঠিয়া পাষাণ্ডী দল, . সেই সকল ত্যজিয়ে, . না কহিস, মিথ্যা ছল, : বালক যুব প্রবীণ, o i t - নায়েব যে দিনে মারে, রামতন্তু কুঠি সাহেব কহে বিশ্বাস, বল শুনি রামতনু, শীঘ্ৰ গিয়া দশরথ পদ ধরে, | - মহাপ্ৰভু শুনি

  • ১১২

শ্ৰীশ্ৰীহরিলীলামৃত – -. ^'^^حم۔ مہمہ ...م.. یہی مہم مح রামতনু অগোচরে, গোপনেতে করে যত খল । শেষে সকল শুনিল, ক্রোধে পরিপূর্ণ হ’ল, বলে এর দিব প্রতিফল ॥ " মানিব না উপরোধ, দিব এর প্রতিশোধ, ভিটা বাড়ী করিব উচ্ছন্ন । ঠাকুর বারণ করে, বাছ ধন বলি তোর, . তুমি কিছু করুন। এজন্ত । তাহাতে বারণ হ’ল, কুঠির পেয়াদা এল, - রামতন্তু জানিবারে পায়। দশরথ নিকটেতে, কহে গিয়া যোড় হাতে, এতে গুরু নাহি কিছু ভয়। রাম তনু বাল্য কালে, সাধু দশরথ স্থলে, পাঠশালে লেখা পড়া শিখে । রাম তনু সেই জন্য, দশরথে করে মান্য, চির দিল গুরু বলে ডাকে ॥ তিনি কন পেয়াদারে, পেয়াদ। পাঠ’ল কেনে, অত্যাচারে নায়েব ম’রেছে ॥ গিয়ে, নিরপক্ষ ভাব ল’য়ে, সত্য জানাইল সাহেবেরে । । আর প্লাহি অবিশ্বাস, ঠাকুরে কি দোষ কাৰ্য্য করে ॥ আমার জীবন তন্ত্র, ঠাকুরে কেন দেখিতে চায়। " কহ তুমি, ঠাকুর দেখিব আমি, আসুন আমার কামরায় ॥ " সাহেবে কড়ার দিয়ে, রামতন্তু গৃহে গিয়ে, গুরুদেব নিকটেতে কয় । জানাইল ঠাকুরেরে, সাহেবেরে দেখা দিতে হয় ॥ - তাই, বলে যাব তার ঠাই? t করিবারে রাজ দরশন। - ; যে দেখিতে চাহে মোরে, আমি ও দেখিব তারে, t মন চাহে তার সন্মিলন ॥ ঠাকুর করিল দিন, বল গিয়া আমি দীন, i কুঠি যা’ব তিন দিন পরে। রামতন্তু এইকালে, , বলে দশরথ স্থলে, | , so এবে দণ্ড দিব পাষণ্ডীরে ॥ কেন আলি মরিবারে; } . বল গিয়া সাহেবের কাছে। মূল মৰ্ম্ম নাহি জেনে, যতেক ভকতগণ, দশরথ পদ ধরে, যাইতে হইবে কুঠি, সেকথা ঠাকুর শুনে, কহে দশরথ স্থানে, }মান কর তোমার শিষ্যেরে। পাষণ্ডীর কিবা ভয়, যারা মম কিছু নয়, তাঁর মম কি করিতে পারে ॥ ঠাকুর কুঠিতে যাবে, দিন ধাৰ্য্য করি তবে, .য়ে স্থানে যে ভক্তগণ ছিল। প্রধান প্রধান ভক্ত, .. নাম গানে অম্বরক্ত, আসিতে সবারে আঞ্জুদিল । ঠাকুর সে দিন মত, ইয়া ভকত কত, দশরঞ্চুভূবনে আসুিল। . প্রেমিক প্রবীণ যত,* - - এসে সবে একত্রিত হ'ল ॥ . - রাউৎ খামার বাসী, অনেক মিশিল আসি, রাম চাদ হীরামন বাল।। আইল বদন চন্দ্র, কুবের আদি গোবিন্দ, __ নারিকেল বাড়ীর পাগলা, লক্ষ্মীপুর বাসী ভক্ত, : ; আসিলেন তারা দুটি ভাই । . এল নাটুয়া পাগল, ::প্ৰৱঞ্জ নাটুয়া পাগল, হরিবোল বিনে বোল নাই ..." বিশ্বনাথ দরবেশ, আসিল নেচে নেচে ধায়:আগে আগে।" হরিনামেতে মগন, সিংহের প্রতাপে ধায় বেগে ॥: - ল বেশ, গেল দশরথ ঘর ;. ... সবে হ’ল একতর, ভয়ভীত হ’ল দশরথ । ; : ঠাকুরের সাঙ্গোপাঙ্গ, দেখিয়া হ’ল আতঙ্গ, লোক হ’ল দুই তিন শত ॥iপ : এত ভক্ত কৈল আগমন । , , , , দৈরে লোক বহুজন, করা’তে স্নান ভোজন, মম সাধ্য না হ’বে কথন ॥ / ঠাকুর কহিছে বাছা, কেন তুমি ভাব মিছ, এল যত সাধু মহাজন। যে করে হরির চিন্তে, হরি করে তার চিন্তে, - খেতে দিবে যাহার স্বজন ॥ তুমি কি করিবে ভেবে, যার কার্য্য সে করিবে, স্নান করাইয়া সবে আন । - মাথায় লইব মাটি, কেশ মুক্ত বেশই প্রধান ॥ বলে প্রভুরগোচরে, r <3 ন চূড়ামণি বুদ্ধিমন্ত سن নাম বা লুইব কত, , , ~ দৈবে এক মেয়ে এল, s বিশ্বনাথ দরবেশে, . বলে স্বান কর এসে, কেশ ধৌত কর ল’য়ে মাটি। তুই ফকির মানুষ, হ’য়ে দেওনা পুকষ,

  • চুল ছেড়ে যেতে হবে কুঠি । মহাপ্রভু স্নান ছলে, যান পুষ্করিণী জলে,

এ দিকেতে যত নারীগণ L কলসী লইয়া কাখে, কেহ জল আনে সুখে, কেহ করে মস্তক মার্জন ॥ কেহ বা গাত্র মার্জন, কেহ পদ প্রক্ষালন, শ্ৰীঅঙ্গ মোছায় কোন নারী। যেখানে যে কাৰ্য্য করে, সবে হরিয অন্তরে, দলে দলে বলে হরি হরি ॥ • এ দিকে মেয়ের যত, সবে হ’য়ে হরষিত, এসেছেন বিশ্বাসের বাটী।

  • -"

-w:- কোন কোন নারীগণে, আশ্চৰ্য্য মেনেছে মনে,

শুনেছে ঠাকুর যাবে কুঠি ॥ " শুনেছে বাট হইতে, e. দশরথের বাটতে, আসিয়াছে মতুয়া সকল । - কেহ এনেছে চাউল, - কেহ এনেছে ডাউল, কেহ আনে দধি দুগ্ধ ঘোল ॥ " কুষ্মাণ্ড কদলী আদি, :- তুরকারী নানা বিধি, থোড় মোচী শাক শিম মূল । আলু কচুক আলাবু, কেহ কেহ আনে লেবু, iS N. -- --রারিতে অন্ন ভোজন, কেইষ্ঠানে পদ্মবীজ মূল ॥ .. ", ব্যঞ্জন লাবড়া পাক, সরিয়া বাটা শুক্ত শাক, মেয়েরা রন্ধন করে ঘরে । সেই ঘরূে-প্রবেশিল, কোন মেয়ে নাহি চিনে তারে । , তঙুল ঠিক দু'মন, পাক হইল যখন, ~. এমন সময় দয়াময়। . . গিয়া সে রসই ঘরে, নিযেধিল মেয়েদেরে, পাক ক্ষান্ত কর এ সময় , এই অন্নে হয়ে যাবে, বসাইয়া দেহ সবে, ক্ষুধার সময়-বয়ে যায়। - ঠাকুর বাহিরে এসে, বলিলেন হেসে হেসে, খেতে বৈস সাধুর সবায়। যত সব ভক্তগণ, ক্ষান্ত করি সংকীৰ্ত্তন, মহাপ্রভু নামে ভীর দিল।. * . . করি পদ্ম পত্রাসন, তার পর সকলে বসিল । [ 54 )

  • - z

~~ w মধ্য খণ্ড । এই সেবা হোকু শেষ, উত্তম ভোজন করি, . যতনে না কর ক্রট, . ঠাকুরের প্রিয়দাস, দেওড়া গ্রামেতে বাস, নামেতে প্ৰহলাদচন্দ্র ঘোষ। ল’য়ে ছয় হাড় দধি, গিয়াছিল ওঢ়ার্কাদি, উপনীত হইয়া সন্তোষ। - কহিছেন হরিচাদ, কি ক’রেছ রে! প্রহ্নাদ, . ক্ষীর কি মাখন আন নাই । সাধুসেবা হ’বে হেথা, শুনিয়াছ এই কথা, তোর দধি বড় ভাল খাই ॥ - ঘোষ কহে হ’য়ে নত, মেয়েরা এনেছে ঘূত, সেই স্থত এবে হবে ব্যয় ** ক্ষীর মাখন পায়স, . - আমি দিব বৈকালী সেবায়। - ছয় হাড়া দধি ছিল, দুই হাড়া মথি নিল স্বাধন তুলিল সে সময় । ー 。 কতকাংশ জাল দিয়া, সদ্য ঘৃত বানাইয়া, ' উঠাইয়d:রাখিল শিকায়। - মেয়েদের দেয় দুগ্ধ, ' জালাইয়া করি স্নিগ্ধ, ক্ষীর বানাইল-কতকাংশে। o দিয়া মালাবতী স্থলে, বলে লহ, মা! বৈকালে, - দিও ঠাকুরের সেবারসে। . o হইল পরিবেশন, > যত সব সাধুগণ, প্রভু প্রতি হরিধ্বনি দিয়া। . সবে বলে হরি হরি, আচমন করিল উঠিয়৷ । যে যে দ্রব্য এনেছিল, - সিকি মাত্র ব্যয় হ’ল, আর সব রহিল পড়িয়া , প্রভু কন মালাদেবী, তুমি পরম বৈষ্ণবী, : - এই সব দ্রব্য রাখ নিয়া । আমরা যাইব কুঠি, সাধু ভক্তগণ এই সব । ; : * সবে ল’য়ে সমিভারে, রাত্রি এসে তব ঘরে, . - পুনশ্চ করিব মহোৎসব। সাধীগণ একতরে, সবে বসি এই ঘরে, চিন্তা কর মঙ্গল আমার । . ঠাকুরের কুঠিযাত্রা, শেষলীলা শুভ বাৰ্ত্ত, কহে দীনরায় সরকার ॥ ১১৪ • হীরামন যায় ঠাকুরের অগ্রভাগে L_ _a ত্রগ্রহরিলীলামৃত い কুঠিতে নাম সংকীৰ্ত্তন “$. - ভক্ত বৃন্দ সঙ্গে ল’য়ে দয়াল ঠাকুর । চলিলেন সাহেবের কুঠি জোনামুর ॥ মৃদ্ধৌত-মার্জিত কেশ বেঁধে রেখেছিল । অৰ্দ্ধপথে গিয়া সবে চুল ছেড়ে দিল ॥ উড়েছে চিকুর যেন ঠিক ব্যোম-কেশ । চলিল কবরী ছাড়ি বিশে দরবেশ । আগে যায় বিশ্বনাথ নাচিয়া নাচিয়। -তার পিছে নেচে যায় গোবিন্দ মতুয়া ॥ মাঝে মাঝে গোবিন্দ মতুয়া দেয় লম্ফ। - জ্ঞান হয় তুহোতে হতেছে ভূমিকম্প । পাগলের দল যায় তার আগে আগে। ঠাকুরের পিছে পিছে যায় দশরথ ।. পিছেতে মতুয়া জুড়ে ঘাট মাঠ পথ ॥ দশরথ গান করে নিজকৃত পদ । সবে গায় তাহা প্রেমে হয়ে গদগদ । ..মহাপ্রভু পিছে যত ভক্তগণ ধায়। ', ঠাকুরের সম্মুখেতে কেহ নাহি যায়। * আগ্নেয় মেঘেতে যেন উল্কার পতন । , সবাকার কণ্ঠস্বর হতেছে তেমন । আগে পাছে ঠাকুরের বহু লোক,ধায় । জড়াজড়ি ধরাধরি ধরাতে লোটায় ॥ " . রক্ত জবা সম চক্ষু কাল মণি ঘেরা। তার মধ্যে জ্যোতি যেন আকাশের তারা । ঠাকুরের আগে আগে হীরামন ধায়। ঠিক যেন বীরভদ্র যায় দক্ষালয় ॥ ঠাকুরের পিছে চারিখানা খোল বাজে। অষ্ট জোড় করতাল বাজে তার মাঝে ॥ পশ্চিম দিকেতে প্রভু করেছে গমন । মুখপদ্মে ঝলসিছে স্বর্য্যের কিরণ ॥ রক্তবর্ণ চক্ষু কাল ফণী মণি ঘেরা। ভুরুধকু মণি র’ক্ষে দিতেছে, পাহার। ॥ ভালে কোট শশীছটা হ’য়েছে সংযোগ । তাহাতে ঘটেছে যেন পুষ্প-বন্ত যোগ ॥ দূর হতৃেসাহেব করেছে দরশন। রামতন্তু অগ্ৰে গেল সাহেব সদন ॥ جه সাহেব জিজ্ঞাসা করে রামতনু ঠাই । ঘোর শব্দ ভীমমূৰ্ত্তি কি দেখিতে পাই) বাজে খোল করতাল হুহুঙ্কার রোল । এত লোক কোথা হ’তে আসিল সকল ॥ রামতনু বিশ্বাস কহিছে সাহেবেরে । ইচ্ছা করিলেন যে ঠাকুরে দেখিবারে । সেই প্রভু এসেছেন ল’য়ে ভক্তগণ।। মহা সংকীৰ্ত্তন যেন ভীষণ গর্জন ৷ সাহেব কহিছে তন্তু এত ভক্ত যার। সামান্ত মনুষ্য নহে বুঝিলাম সার । রাজা রামরত্ব রায় আমি কৰ্ম্মচারী। এতলোক একত্রিত করিতে ন পারি। যদি একত্রিত হয় রাজ দণ্ড ভয়। হেতু বিনা এত লোক ভীড় কেন হয় ৷ ভক্তবৃন্দ সঙ্গে দেখি চ’ার পাচ শত। ” হেলে দুলে নাচে গায় যেন মদ মত্ত ॥ লোকে অসম্ভব এই অলৌকিক কাৰ্য্য। ক্ষণ-জন্ম। গ্রেক ইনি করিলাম ধাৰ্য্য। সাহেবের মাতা ছিল খট্রায় শয়ন। ডিক কহে মাদার করহ দরশন। দেখ মা ঠাকুর এল কামরা বাহিরে। N মতুয়ার উপস্থিত কুঠির উপরে , , বিশ্বনাথ দরবেশ প্রেমে মত্ত হ’য়ে। ধরণী পতিত হয় নাচিয়ে নাচিয়ে ॥ দাড়াইয়া কামরার দরজা সম্মুখে। সাহেবের। মাতা পুত্রে মতো দিগে দেখে । . সাহেক্সে মাতা য'বে করে.দরশন। এমন-সময় ক্ষান্ত করিল কীৰ্ত্তন ॥ ৯ একে একে সাহেব করিয়া দরশন। বলে তনু কহত ঠাকুর কোন জন ॥ সাহেবের মাতা বলে শুন বাছা ডিকৃ। ঠাকুরে দেখিয়া কি করিতে নার ঠিক ॥ আঞ্জামুলম্বিত ভুজ চৌরাশ কপাল। উৰ্দ্ধরেখা করে, চক্ষু কর্ণায়ত লাল ॥ চুল ছেড়ে দাড়িয়াছে ঠাকুর ঐ জন । স্বভাবত রূপ যেন ভুবন মোহন ॥ ভাল মত ঠাকুরকে দেখ হয়ে স্থির। , দেখেছ কাঙ্গালী মাকে এই তার পীর। মনুষ্যের শরীরে কি এত হয় জ্যোতি। পবিত্র চরিত্র যেন ঈশ্বর যুৱতি । - ... ." আমাদের অধিকারে হেন লোক আছে। এ ঠাকুরে দেখিলে মনের দুঃখ ঘুচে ] সাহেব কহিছে তন্তু ঠাকুরকে আন। নিকটে আসুন উনি দুরে রান কেন। মাদার চিনেছে ভাব ভঙ্গিতে নিশ্চিতে । আমিও ঠাকুরে চিনে লই ভালমতে ॥ ঠাকুর বুঝিয়া সাহেবের অভিপ্রায় । , আগু হ’য়ে সাহেবের নিকটে দাড়ায় । সাহেবের মাতা দেখে হয়ে অনিমিখ । সাহাবেরে বলে তোম দেখ দেখ ডিক্ ॥ হিন্দু বলে শ্ৰীহরি যবনে বলে আল্লা । দরবেশ ফকিরে যারে বলে যে হেলাল্লা। বৌদ্ধ যারে বুদ্ধ কহে খ্ৰীষ্টে বলে যীশু। এই তিনি নররূপে উদ্ধারিতে বসু ॥ সাহেব আনিয়া দিল চেয়ার পতিয় । , ঠাকুরকে বলিলেন বৈঠহ আসিয়া । ঠাকুর কহেন একি কহ অসম্ভব। চেয়ারে কি বৈসে কভু ঠাকুর বৈষ্ণব ॥ সাহেব কহে ঠাকুর যে ইচ্ছাতোমার। যথা ইচ্ছ। তথা বৈঠ হাম পরিহার। , গান ক্ষান্ত দেহ কেন গাও গাও গাও। নাচিয়। গাহিয়া সব.মের পাছ আও ৷ কামরার বাহিরেতে সকলে বসিয়া। পদ ধরি কেহ কেহ উঠেছে নাচিয়া ॥ নাচিয়া নাচিয়া করে হরি সংকীৰ্ত্তন। কেহ কেহ শিবনেত্র ধরায় পতন ॥ নাচে গায় দশরথ দিতেছে চিৎকার। শিঙ্গাস্বরে বার বার কৃরে হুহুঙ্কার । , লোমকূপ কণ্ডু লোম কণ্টক আকার। মস্তকে চৈতন্ত্যশিখা উদ্ধ হয় তার ॥ ক্ষণে ক্ষণে ধরাতলে পড়ে দশা হ’য়ে। গোবিন্দ মতুয়া উঠে ফিকিয়ে ফিকিয়ে ॥ শয়নে স্বপনে কিম্বা মল মূত্র ত্যাগে। উচ্চৈঃস্বরে হরিনাম যার মুখে জাগে ॥ সে বদন হরি হরি হরি বলে মুখে। . বিকারের রোগী যেন উঠে কালহিন্ধে। কঁদে আর নাচে মাথা স্কন্ধে ঘুরাইয়ে। ফিরিয়া ঘুরিয়া নাচে বিমুখ হইয়ে। উলটিয়ে মাথা নিয়ে পায়ের নিকটে। সেই ভাবে হরিবলি পালুটিয়া উঠে ॥ " মধ্য খণ্ড । S AAAAAASLSS AAAAAA AAAA AA AAAAAS S ১১৫ নাচিতে নাচিতে যায় কামরা ভিতর । শতধারে চক্ষে ধারা সাহেবের মার ॥ কুবের বৈরাগী নাচে মুখ ফুলাইয়া। অলাবুর পাত্রদেয় পেটে ঠেকাইয়া ॥ গোপীযন্ত্র পরে আমি মারিয়া থাবড়। নাচিতে নাচিতে যায় কামরা ভিতর ॥ গোসাই গোলোক যেন বাণ বেড়াপাক । ফিরে ঘুরে নাচে যেন কুস্তকার চাক । দরবেশ বিশ্বনাথ চুল ছেড়ে দিয়ে। - উগ্ৰচণ্ড নাচে যেন হাতে খাণ্ড ল’য়ে। নাচিতে নাচিতে যায় পুলকে পূর্ণিত। অনিমিষু রক্ত চক্ষু কৰ্বয় ঘূর্ণিত ॥ . নেচে নেচে যায় সাহেবের মার ঠাই । ফিরে ঘুরে নাচে যেন দিল্লীর সুবাই ॥ নেচে নেচে লেংটা খসে হইল উলঙ্গ 1 : - ' মেম আছে কাছে তাতে নাহি ভুরুভঙ্গ । “অশ্রুপূর্ণ নেত্র সাহেবের মা, দেখিয়া। " সাহেবের স্কন্ধ পরে বাহুখান দিয়া ॥: /বাম হস্ত সাহেবের গলায় গ্রন্থিক। " - ডান হাত তুলে বলে চেয়ে দেখ ডিক ॥. ইহারা নাচিছে সবে হয়ে জ্ঞানশূন্ত। ' বাহ জ্ঞান নাহি এর রহিত চৈতন্য । , একে রাজবংশ তুমি তাতে জমিদার। রাজা প্রজা এই ভয় থাকেত প্রজার। আরো আমি বাম লোক আছি সম্মুখেতে । উলঙ্গ হইতে নারে বিকার থাকিতে। -- নিৰ্ব্বিকার দেহ ঈশ্বরেতে প্রাণ দান। লজ্জা ঘৃণা মরা বাচা একই সমান । বেলা অপরাহ্ল হ’ল যেত্বে কহ দেশে। এই সব সাধুদিকে পাষণ্ডীরা দোষে ॥

অধিনস্থ মধ্যগাতী তুমি হও রাজা । „ - পাযণ্ডী প্রজাকে এনে তুমি দেও সাজ ॥ । • অগ্রভাগে-ডেকে এনে করহ বারণ । , আর যেন সাধু হিংস না করে কখন । সাহেবের মাত বলে ওরে ডিক আয় । সেলাম করহসেবে ঠাকুরের পায় ॥ সেলাম করিল যদি সাহেবের মাতা : , পরিবার সহ ডিক নোয়াইল মাথা । ঠাকুরের সম্মুখেতে সাহেব দাড়ায় l, সেলাম করিয়া সবে করিল বিদায়। 6. * ১১৬ . /

ഹ....ഹ১২:০৪, ৫ এপ্রিল ২০১৬ (ইউটিসি)~്JoyBot (আলাপ) ১২:০৪, ৫ এপ্রিল ২০১৬ (ইউটিসি)

সাহেবের মার্তা কহে শুনহে ঠাকুর । , i মুথে যেন থাকে ডিক কুঠি জোনামুর ৷ .| i: , কুঠি হ’তে ম’তোসব হইল বিদায় । চতুগুণ ক্ষত্তি হ’ল হরিগুণ গায়। নাচে গায় সব সাধু হীরামন হাসে । সুবে সম সমভাব একই উল্লাসে। : হীরামনে দেখি ডিক সাহেবের মায় i | বলে ডিক এই লোক সামান্ত ! ঠাকুরে দেখিয়া মন জীবন প্রফুল্ল s ইহাকেও দেখা যায় ঠাকুরের তুল্য॥. . . যারে দেখে সেই যেন ভাবের পাগল। . নাচে গায় ঢ’লে পড়ে প্রেমেতে বিস্তুেল ॥ এক বস্ত্র পরিধান নহে ধৌত কা অৰ্দ্ধবাস গলে বেড়া নাহি দে i. পিছুহতে বোধ হয় বাঙ্গালী প্ৰ সম্মুখে দেখায় যেন পুরুষঃ - মতুয়ার গণু মিলে, বাহু তুলে বলে হরিবল । - কেহ আগে কেহ পিছে, গেল সে নিয়ম ঘুচে, চলিল যেন চোঁদ মাদল : , কেহ করে গাল বাদ্য, কেহ করে কক্ষ বাদ্য, কেহ বলে জয় জয়, কেহ বলে জয়হীরা . গ্রুঞ্জলিনাত। . . | ডিক সাহেবের জয়, । | সদ্ধ ঘৃত মাখনাদি, ড়ে | স্বপন্দ্রব্য আর যত, বিশে দরবেশ জয়, গোলোক চাদের জয়, কেহ বলে জয় ভক্তগণ ॥: জয় দশরথ জয়, জয় রামতনু জয়, - জয় জয় ত্রিভুবন জন । জয় তার মাতৃ জয়, পলাইল দুরন্ত শমন । কেহ বলে বল ওকি, শমন প’লাবে সেকি, পালাবে কি শমনু আমুক। - | এই কীৰ্ত্তনের মাঝে, ৬ কোঙ্গাল বেহাল সেজে, - যম এসে সঙ্গেতে,নীচুক ॥ : সুমধুর উচ্চৈঃস্বরে, দৈব বাণী শূন্তোপরে, বলে আমি এসেছি শমন। : আছি কীৰ্ত্তন উৎসবে, ' *نی - আমারে তাড়াও কি কারণ ॥

হরি বলে নাচে স্থার গায়। সবেস" বgে কারে বারণ করে, মাধ্যাহিকৃদিব্য য

- তাহা সব হয়েছেরন্ধন। – ২ ঠাকুরের আজ্ঞাপৃেয়ে, - সংকীৰ্ত্তন ক্ষান্তু দিয়ে বসিলেন করিতে ভোজন৷ . . -- - - শেষ ক্ষীর দধি,. দিলেন প্রহ্লাদ চন্দ্র ঘোষ। সবে খায় ইয়া সন্তোষ। . সবার ভোজন হ’লে, : যে টুক আছে শৰ্ব্বী, বল সবে হরি হরি, --- জু ঘর। فة .. প্রভাতে যাইওনি * . . শীঘ্র আচমন করি, সবে বলে হরি হরি, প্রেমাবেশে রজনী পোহয়। । মৃহাভাবাবেশ রঙ্গে, ভক্তগ৭লয়ে সঙ্গে, মহাপ্রভু যান নিজলয় । হরিচাদ সুধালীলা, , যত কিছু শুনিয়াছ তার। যে কিছু গুনি শ্রবণে, ধ্যানে জ্ঞানে দৈবে জেনে, - রচিল বাসন রসনার ; . . " দিতেছেন দশরথ, - প্রভু হরি চাদ বলে, , ঠাই নাই শয়ন দিবার .. . مہ۔ পদ্মমধু পদ্ধবিল, , দশরথ বাড়ী এসে, ー。