সঙ্গীত-সুধা

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
 

সঙ্গীত-সুধা ৷

 

 

শ্ৰীশ্ৰীমৎ বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামীজী

 

বিরচিত।

 
 

কিরণচাঁদ দরবেশ গ্ৰন্থিত।

 

 

মূল্য দুই আনা।

 


 

প্রকাশক

শ্ৰীনলিনীরঞ্জন বন্দোপাধ্যায়।

২৩ নং পটলডাঙ্গা ষ্ট্রীট্‌, কলিকাতা।

১৩২২।

 


 

 


CALCUTTA :

Printed By Abinash Chandra Mandal

“Siddheswar Machine Press”

13. Shibnarayan Das’s Lane.


 

নিবেদন।

 মদীয় গুরুদেব শ্ৰীশ্ৰীমৎ বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামী-জী বিরচিত সঙ্গীতাবলী একত্রে সংগৃহীত হইয়া প্রকাশিত হইল। এক সময়ে এই সঙ্গীতগুলি ব্রাহ্ম-সমাজে ও বাঙ্গালাদেশে যুগান্তর আনয়ন করিয়াছিল। ইহা গানে ও শ্রবণে কত পাপীর পাপমোচন, কত তাপীর তাপনিবারণ ও কত ভক্তের আনন্দাশ্রু-পতন হইয়াছে, তাহার ইয়ত্তা নাই। যাঁহারা ব্রাহ্ম-সমাজের ভিতর দিয়া জীবনের পরিপূর্ণতার পথে অগ্রসর হইয়াছেন, গোস্বামী-জী বিরচিত সঙ্গীতাবলীর নিকট তাঁহারা অল্পাধিক পরিমাণে প্রায় সকলেই ঋণী। এই সহজ ও সরল ভাষায় রচিত গানগুলির মধুরতা ও মাদকতা অতুলনীয়।

 ভাষার পারিপাট্য ও ভাবের গাম্ভীর্য্যের মধ্যেই সম্যক্‌প্রকারে সঙ্গীতের প্রাণ নিহিত নহে। নিতান্ত সাধারণ ভাষায় রচিত এমন অনেক সঙ্গীত আছে, যাহা শ্রবণমাত্র হৃদয়ের প্রতি তন্ত্রীতে কী এক সাড়া পড়িয়া যায়, এবং প্রাণের মধ্যে তুমুল তরঙ্গ উত্থিত হয়। অথচ অনেক সঙ্গীতের ভাষার বাঁধুনি ও ভাবের কাঁদুনি আমাদের প্রাণকে বিন্দুমাত্র স্পর্শ করিতে পারে না। সঙ্গীত মন্ত্রবিশেষ; ইহা ভগবৎ-ভজনের এক প্রধান অঙ্গ। তাই একান্ত প্রাণের কথা সহজ ও সরল ভাষায় যে সমস্ত সঙ্গীতে ধ্বনিত হইয়াছে, তাহাই আমাদের নিকটে অধিক মধুর লাগে।

 গোস্বামী-জী-বিরচিত সঙ্গীতাবলী ব্রাহ্ম-সমাজের এক বিশেষ সম্পত্তি। ব্রাহ্ম-সমাজে সৰ্ব্বপ্রথম তিনিই সঙ্কীৰ্ত্তন রচনা করিয়া, খোলকরতাল সহযোগে কীৰ্ত্তনগানের প্রবর্ত্তন করিয়াছিলেন। তাঁহার ন্যায় মধুরকণ্ঠ গায়কও তৎকালে ব্রাহ্ম-সমাজে আর কেহ ছিল বলিয়া শুনা যায় না।

 এই গানগুলি সংগ্ৰহ করিতে আমি সাধারণ ব্রাহ্ম-সমাজ হইতে প্রকাশিত ‘ব্রহ্ম-সঙ্গীত’ পুস্তক হইতে যথেষ্ট সাহায্য পাইয়াছি; এজন্য সমাজের কর্ত্তৃপক্ষগণের নিকট একান্ত কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করিতেছি।

 
বারাণসী
১ চৈত্র
১৩২১

বিনীত 
কিরণচাঁদ দরবেশ



সূচিপত্র

—:•:—

১৯
১৬
১৯
২০
২১
১৪
১২
১২
১৬
১৬
১৫
২১
১০
১০
২০
১৮
১৭
১৩
১১
১৪
১৭
১১
২৩
১৩
২২
২৩
২৪
১৯
১৫
 

Vijay-krishna-gosvami2.jpg
 শ্রীমদাচার্য্য প্রভুপাদ বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামী।

এই লেখাটি ১ জানুয়ারি ১৯২৩ সালের পূর্বে প্রকাশিত এবং বিশ্বব্যাপী পাবলিক ডোমেইনের অন্তর্ভুক্ত, কারণ উক্ত লেখকের মৃত্যুর পর কমপক্ষে ১০০ বছর অতিবাহিত হয়েছে অথবা লেখাটি ১০০ বছর আগে প্রকাশিত হয়েছে ।