সাক্ষী
সাক্ষী
অর্থাৎ
শ্রীকেশবচন্দ্র সেনের প্রকৃত ছবি।
ভ্রাতৃসঙ্ঘ!
৮২ হ্যারিসন রোড, কলিকাতা।
প্রিণ্টার ও প্রকাশক— শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য দাস,
মেট্কাফ্ প্রিণ্টিং ওয়ার্কস্
৩৪ নং মেছুয়াবাজার ষ্ট্রীট্, কলিকাতা।
ভূমিকা।
আচার্য্য কেশবচন্দ্রের চরিত্রের এই কয়েকটী চিত্র সর্ব্বপ্রথমে সুলভ সামচারে প্রকাশিত হইয়াছিল। ১৮৭০ সালের পর এক পয়সা মূল্যের সুলভ সমাচার বঙ্গদেশে প্রচারিত হয়। এই সুলভ মূল্যের সুলভ সমাচার প্রচার হইবার পর দেশের মধ্যে ধনী দরিদ্র, বালক বৃদ্ধ, যুবক প্রৌঢ় সকলের মধ্যে এক নূতন ভাবের অবির্ভাব হইয়াছিল। এই দেশের চিন্তা রাজ্যে সেই সময় সুলভের প্রভাব সকলেই অনুভব করিতে পারিয়াছিলেন। সুলভ বঙ্গদেশে সমাজের উচ্চতম স্তর হইতে সর্ব্ব নিম্নস্তর পর্য্যন্ত সর্ব্বত্র যে নূতন ভাবের স্রোত প্রবাহিত করিয়াছিল তাহার মূলে কেশবচন্দ্র বর্ত্তমান ছিলেন! সেই পত্রের পাঠক পাঠিকাগণের জন্য এই কয়েকটি চিত্র লিখিত হয়। বর্তমানে দেশের মধ্যে নিম্নতর স্তরে জনসাধারণের উন্নতি সাধনের জন্য যে সকল অনুষ্ঠানের সূচনা হইতেছে সেই সকল অনুষ্ঠানের মূল অনুসন্ধান করিলে অনেক সময় কেশবচন্দ্রের শেষ জীবনের আলোচনা করিতে হয়। কেশবচন্দ্রের জীবনের চিত্র বর্ত্তমান সময়ে আবার নূতন করিয়া আলোচনা করিবার জন্য অনেকে উৎস্থক হইয়াছেন। সেই উদ্দেশ্য সাধনের পথে অগ্রসর হইতে হইলে কেশবচন্দ্রের জীবনের মধ্যে অনেক আলোক পাওয়া যাইতে পারে, এই আশা করিয়া কেশবচন্দ্রের বন্ধুর লিখিত এই কয়েকটী চিত্র তাঁহার জন্ম দিনের সাম্বৎসরিক উপলক্ষে প্রকাশিত হইল।
|
৮২ নং হ্যারিসন রোড।
|
|
ভ্রাতৃসঙ্ঘ। |
পরিচ্ছেদ (মূল গ্রন্থে নেই)
সূচীপত্র
এই লেখাটি বর্তমানে পাবলিক ডোমেইনের আওতাভুক্ত কারণ এটির উৎসস্থল ভারত এবং ভারতীয় কপিরাইট আইন, ১৯৫৭ অনুসারে এর কপিরাইট মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়েছে। লেখকের মৃত্যুর ৬০ বছর পর (স্বনামে ও জীবদ্দশায় প্রকাশিত) বা প্রথম প্রকাশের ৬০ বছর পর (বেনামে বা ছদ্মনামে এবং মরণোত্তর প্রকাশিত) পঞ্জিকাবর্ষের সূচনা থেকে তাঁর সকল রচনার কপিরাইটের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে যায়। অর্থাৎ ২০২৬ সালে, ১ জানুয়ারি ১৯৬৬ সালের পূর্বে প্রকাশিত (বা পূর্বে মৃত লেখকের) সকল রচনা পাবলিক ডোমেইনের আওতাভুক্ত হবে।