বিষয়বস্তুতে চলুন

হিন্দু রসায়নী বিদ্যা

উইকিসংকলন থেকে

হিন্দু রসায়নী বিদ্যা

হিন্দু রসায়নী বিদ্যা

বিশ্বভারতী গ্রন্থালয়

২ বঙ্কিম চাটুজ্যে স্ট্রীট

কলিকাতা

প্রকাশক—শ্রীপুলিনবিহারী সেন

বিশ্বভারতী, ৬।৩ দ্বারকানাথ ঠাকুর লেন, কলিকাতা

শ্রীভবেশচন্দ্র রায় কর্তৃক সংকলিত ও অনূদিত

১ অগ্রহায়ণ ১৩৫০

মূল্য আট আনা

মুদ্রাকর—শ্রীত্রিদিবেশ বসু, বি. এ.

কে. পি. বসু প্রিণ্টিং ওয়ার্কস্, ১১ মহেন্দ্র গোস্বামী লেন, কলিকাতা

সংকলয়িতার নিবেদন

 আচার্য প্রফুল্লচন্দ্রের ‘হিন্দু রসায়নশাস্ত্রের ইতিহাস’ দেশবিদেশে একখানি প্রামাণিক গ্রন্থ বলিয়া সমাদৃত। আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন এই গ্রন্থ ইংরেজী ভাষানভিজ্ঞ বাঙালী পাঠক-সমাজের অগোচরে থাকিবে ইহা আমাদের মাতৃভাষার পক্ষে গৌরবের কথা নহে। এইজন্যই আমি এই গ্রন্থ অনুবাদ করিতে সাহসী হইয়াছিলাম। যোগ্যতর ব্যক্তি এই প্রচেষ্টায় আত্মনিয়োগ করিলে নিশ্চয়ই তাহা অধিকতর আনন্দের বিষয় হইত, কিন্তু তাহা যখন এই সুদীর্ঘ একচল্লিশ বৎসরেও সম্ভব হয় নাই তখন তাহার জন্য আর অপেক্ষা না করিয়া সীমাবদ্ধ শক্তি ও জ্ঞান লইয়া আমিই এই চেষ্টা করিয়াছি, ইহাই আমার কৈফিয়ত। আচার্যদেব আজ রুগ্ন ও শয্যাশায়ী, তথাপি তিনি ইহার পাণ্ডুলিপি আগাগোড়া দেখিয়া দিয়াছেন ইহাই আমার একমাত্র সান্ত্বনা।

 এই প্রয়াসে প্রেরণা দিয়াছেন পূজনীয় অধ্যাপক শ্রীযুক্ত চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য মহাশয় এবং অনুবাদ ও সারসংকলনের কার্যে সাহায্য করিয়াছেন বন্ধুবর শ্রীযুক্ত শ্রীশচন্দ্র দাস। তাঁহাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি।

কলিকাতা
আগস্ট ১৬, ১৯৪৩


শ্রীভবেশচন্দ্র রায়

ভূমিকা

 বহুবর্ষ পূর্বে আমরা যখন বালক ছিলাম তখন ইউরোপীয় পণ্ডিতবর্গের লেখায় পড়িতাম প্রাচীনকালের হিন্দু পণ্ডিতেরা কেবল মনস্তত্ত্ব লইয়াই থাকিতেন। কিন্তু আধুনিক অনুসন্ধান ও গবেষণার ফলে জানা গিয়াছে যে প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের চর্চাতেও প্রাচীন ভারত তদানীন্তন অন্যান্য সভ্যদেশের অপেক্ষা বহু পরিমাণে শ্রেষ্ঠ ছিল। যখন সুশ্রুত, রসার্ণবতন্ত্র, রসরত্নসমুচ্চয় প্রভৃতি প্রাচীন গ্রন্থোক্ত পরীক্ষা ও পর্যবেক্ষণসমূহের কথা পাঠ করি তখন মনে বড় ক্ষোভের উদ্রেক হয়। কি ছিল, কি হইয়াছে! যে দেশে সুশ্রুত বলিয়াছিলেন, ‘শবব্যবচ্ছেদ ভিন্ন চিকিৎসাবিদ্যা শিক্ষা করা অসম্ভব’, সেই দেশে শব স্পর্শ করা পর্যন্ত নিষিদ্ধ হইয়া গেল; যে দেশের অভিজাতবর্গ সুবর্ণরত্নপরীক্ষা, ধাতুবাদ (metallurgy), ধাতু ও ঔষধসমূহের সংযোগক্রিয়ার জ্ঞান, ক্ষারনিষ্কাশন প্রভৃতি বিবিধ বিদ্যায় ব্যুৎপত্তি লাভ গৌরবের বিষয় বিবেচনা করিতেন সেই দেশে সেকরা ও কামারের কাজ উচ্চ জাতির অবজ্ঞার বিষয় হইয়া উঠিল; যে দেশের মনীষী ঢুণ্ঢকনাথ বলিয়াছিলেন,―

অধ্যাপয়ন্তি যদি দর্শয়িতুং ক্ষমন্তে
সূতেন্দ্র কর্মগুরবো গুরবস্ত এব।
শিষ্যাস্ত এর রচয়ন্তি গুরোঃ পুরো যে
শেষাঃ পুনস্তদুভয়াভিনয়ং ভজন্তে॥

অর্থাৎ, “যাঁহারা শিক্ষণীয় বিষয় পরীক্ষা দ্বারা দেখাইতে পারেন তাঁহারাই প্রকৃত শিক্ষক। যে সকল ছাত্র শিক্ষকের নিকট হইতে পরীক্ষাগুলি শিখিয়া নিজে নিজে সেইগুলি করিতে পারেন তাঁহারাই যথার্থ শিক্ষার্থী। এতদ্ব্যতীত অন্যান্য শিক্ষক ও ছাত্রগণ রঙ্গমঞ্চের অভিনেতা মাত্র।”—সেই দেশের কবিরাজগণ শরীরবিজ্ঞান বিষয়ক পরীক্ষা সম্বন্ধে সম্পূর্ণ উদাসীন থাকিয়া চিকিৎসাবিদ্যার শিক্ষকতা করিতে লাগিলেন। বস্তুত যেদিন হইতে সমাজের বুদ্ধিমান ও বিদ্বান লোকেরা শিল্পবিজ্ঞানের চর্চা ত্যাগ করিয়া তাহার ভার অশিক্ষিত নিম্নশ্রেণীর লোকের উপর অর্পণ করিলেন সেইদিন হইতে আমাদের অধঃপতন আরম্ভ হইল। নাপিতের হস্তে অস্ত্রচিকিৎসা ও বেদের হস্তে উদ্ভিদবিজ্ঞানের আলোচনার ভার ন্যস্ত করিয়া আমরা নিশ্চিন্ত মনে পরলোক চিন্তায় ব্যস্ত হইলাম।

 তবে দেশের হাওয়া ফিরিয়াছে, নূতন উদ্যম লইয়া ভারতীয় যুবকেরা বিজ্ঞান চর্চায় আত্মনিয়োগ করিতেছে। তাহাদের মৌলিক গবেষণাসমূহ পাশ্চাত্য পণ্ডিতগণের শ্রদ্ধা আকর্ষণ করিতেছে। ইহা দেখিয়া স্বতই মনে আশার সঞ্চার হয়।

 এই অধঃপতিত জাতিই একদিন বিজ্ঞানচর্চায় জগতে শ্রেষ্ঠ আসন অধিকার করিয়াছিল ভাবিলে ভারতের ভবিষ্যৎ সম্বন্ধে আশার উদ্রেক হয়। চরক ও সুশ্রুত, কণাদ ও বরাহমিহির, নাগার্জুন ও ঢুণ্ঢুকনাথের প্রতিভা আমরা উত্তরাধিকার সূত্রে লাভ করিয়াছি; ভবিষ্যতের চিত্রে ইহার প্রভাব কেনই বা পড়িবে না!

 সার্ধ দ্বিসহস্র বৎসর পূর্বে তক্ষশিলার সুবিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়ে জীবক ‘কোমারভচ্চ’ আত্রেয় মুনির চরণোপান্তে উপবেশন করিয়া চিকিৎসাবিদ্যা অধ্যয়ন করিয়াছিলেন। কিংবদন্তি আছে যে ব্যাকরণবেত্তা পাণিনি এবং প্রাচীন ভারতের ম্যাকিয়াভেলি সুপ্রসিদ্ধ রাজনীতিবিশারদ চাণক্যও এই বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষালাভ করিয়াছিলেন। জীবক যে ‘কোমার-ভচ্চ’ উপাধি লাভ করিয়াছিলেন সেই উপাধির অর্থ প্রাচীন ভারতে বিজ্ঞানচর্চা সম্বন্ধে গবেষণাকারী মাত্রেরই সুপরিজ্ঞাত। ইহা সংস্কৃত ‘কৌমার-ভৃত্যে’র পালি অপভ্রংশ। ‘কৌমার-ভৃত্য’ আয়ুর্বেদের অষ্টশাখার অন্যতম। এক কথায় বলিতে গেলে জীবক ধাত্রীবিদ্যা ও তৎসংক্রান্ত বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ছিলেন। আমরা এক্ষণে সেই সুদূর অতীতের অবস্থা সম্বন্ধে সুস্পষ্ট ধারণা করিতে অক্ষম। প্রাচীন ভারতে যে কেবল নানাবিধ শিল্প ও বিজ্ঞানের অনুশীলন হইত তাহা নহে, পরন্তু কেহ কেহ তাহার মধ্যে কোন এক বিষয়ে সম্যক্ ব্যুৎপত্তি লাভ করিয়া তাহাতে বিশেষজ্ঞ বলিয়াও পরিগণিত হইতেন।

 হিন্দু রসায়নশাস্ত্রের প্রাচীনত্ব সম্বন্ধে আজ আর কোন সন্দেহের অবকাশ নাই। এই সম্পর্কে ইংলণ্ডের বৈজ্ঞানিকমণ্ডলীর মুখপত্র ‘নেচার’ (Nature) যে অভিমত প্রকাশ করিয়াছিলেন তাহাতে বলা হইয়াছে, “আমরা যে সকল আবিষ্কার পাশ্চাত্ত্য জাতিগণ কর্তৃক সম্পাদিত হইয়াছে মনে করিতাম, এখন দেখা যাইতেছে তাহাদের মধ্যে অনেকগুলি প্রাচীন হিন্দুগ্রন্থে লিপিবদ্ধ আছে। ‘রসার্ণবতন্ত্র’ প্রভৃতি পুস্তকে ঊর্ধ্বপাতন, অধঃপাতন, তির্যক‍্পাতন, ধাতুনিষ্কাশন প্রভৃতির বর্ণনা পাঠ করিলে তীক্ষ্ণ পর্যবেক্ষণ শক্তির পরিচয় পাওয়া যায়। ইংলণ্ডে বেকন যে পরীক্ষাপদ্ধতির কথা প্রচার করেন, বহুকাল পূর্বে প্রাচীন ভারতের বুধমণ্ডলীর নিকট তাহা সুপরিচিত ছিল।” অতঃপর ঢুণ্ঢুকনাথের কথা উদ্ধৃত করিয়া নেচার বলিয়াছেন যে, “শিক্ষাদান কার্যে পরীক্ষার (experiment) সাহায্য যে কিরূপ ফলদায়ক তাহাও হিন্দুগণ বিস্মৃত হন নাই।”

 জগতের প্রাচীন জাতিরা রসায়নশাস্ত্রে কতখানি ব্যুৎপত্তি লাভ করিয়াছিল ইহা জানিবার জন্য প্রথম হইতেই আমার আগ্রহ ছিল অসীম। এই উদ্দেশ্যে আমি প্রায় দ্বাদশ বৎসর ধরিয়া টমসন, হোয়েফার ও ক্কপের প্রাথমিক গ্রন্থনিচয় সর্বদা পাঠ করিয়াছি; বলিতে গেলে এক সময় এই সকল গ্রন্থ ছিল আমার সঙ্গের সাথী। এগুলি ভালভাবে অধ্যয়ন করিতে গিয়া রসায়নশাস্ত্রের আলোচনায় প্রাচীন ভারতের স্থান কোথায় ইহা আমি অনুসন্ধান করিতে চেষ্টা করিয়াছি। এইজন্যই চরক সুশ্রুত প্রভৃতি যে সমস্ত আয়ুর্বেদীয় গ্রন্থ কালের করাল গ্রাস হইতে আত্মরক্ষা করিয়া আজিও বর্তমান রহিয়াছে, রাসায়নিকের দৃষ্টি লইয়া সেগুলিকে পুঙ্খানুপুঙ্খরূপে বিচার করিতে চেষ্টা করিয়াছি। এই অনুসন্ধানে যখন আমি ব্যস্ত তখন ১৮৯৭ খ্রীষ্টাব্দে রসায়নবিজ্ঞানের তদানীন্তন আচার্য ফরাসী পণ্ডিত মসিয়ে বার্থেলোর সহিত আমার পত্রালাপ হয়। রসায়নবিজ্ঞানের অতীত ইতিহাসের ছাত্র হিসাবে আমাদের উভয়ের এই যোগাযোগ আলোচনার ধারায় একটি নূতন গতির সঞ্চার করিল। বার্থেলো ছিলেন প্রাচীন ইউরোপের রসায়নচর্চার ইতিহাস সম্বন্ধে অদ্বিতীয় পণ্ডিত। এ সম্বন্ধে আলোচনা করিয়া তিনি অনেক নূতন তথ্যের আবিষ্কার করিয়াছেন, অনেক ভ্রান্ত ধারণা দূর করিতে সাহায্য করিয়াছেন। এক পত্রে তিনি আমাকে প্রশ্ন করিলেন, রসায়নবিজ্ঞানে প্রাচীন হিন্দুগণের অবদান কতটুকু। এ সম্বন্ধে তথ্যাদি সংগ্রহ করিয়া দিয়া তাঁহাকে সাহায্য করিতেও আমাকে সনির্বন্ধ অনুরোধ জ্ঞাপন করিলেন। তাঁহার এই অনুরোধে উৎসাহিত হইয়া ১৮৯৮ খ্রীষ্টাব্দে আমি তাঁহাকে হিন্দু আলকিমি ও তন্ত্রশাস্ত্রের একখানি পুস্তিকা উপহার দিলাম। পুস্তিকাখানি ‘রসেন্দ্রসারসংগ্রহ’ অবলম্বনে লিখিত। পুস্তিকাখানির প্রকৃত মূল্য আমি তখন বুঝিতে পারি নাই এবং ইহা যে হিন্দুরসায়ন সম্বন্ধে তথ্যবহুল ইহাও আমার ধারণা ছিল না। মসিয়ে বার্থেলো এই পুস্তিকা সম্বন্ধে নিজের সুচিন্তিত অভিমত সহ একটি সুন্দর প্রবন্ধ প্রকাশ করিলেন এবং আমাকে তাঁহার সুপ্রসিদ্ধ ‘রসায়নশাস্ত্রের ইতিহাস’ শীর্ষক গ্রন্থের তিন খণ্ডই উপহার পাঠাইলেন। মধ্যযুগের রসায়নচর্চা বিশেষ করিয়া রসায়নশাস্ত্রে আরব ও সিরিয়াবাসীদের অবদান সম্বন্ধে এই গ্রন্থ লিখিত। গ্রন্থখানি আদ্যন্ত মনোযোগের সহিত পাঠ করিয়া হিন্দু রসায়ন সম্বন্ধে অনুরূপ একখানি গ্রন্থ লিখিতে আমার প্রবল ইচ্ছা জন্মিল।

 এই ইচ্ছার ফলেই ১৯০২ খ্রীষ্টাব্দে ইংরেজী ভাষায় ‘হিন্দু রসায়নশাস্ত্রের ইতিহাসে’র প্রথম অংশ ও ১৯০৪ খ্রীষ্টাব্দে উহার দ্বিতীয় ও শেষাংশ প্রকাশিত হয়।

 আমার প্রিয় ছাত্র শ্রীমান্ ভবেশচন্দ্র রায় পুস্তকখানির একটি সংক্ষিপ্ত অনুবাদ সংকলন করিয়াছেন। শ্রীমান্ ভবেশের সাহিত্যিক বলিয়া খ্যাতি আছে, বর্তমান অনুবাদ ও সংকলনে তাহা বৃদ্ধি পাইবে বলিয়া আমার ধারণা। আমি তাহার পাণ্ডুলিপি পড়িয়া দেখিলাম এবং তাহার অনুবাদ ও সার-সংকলনের কৃতিত্বে মুগ্ধ হইলাম।

কলিকাতা
আগস্ট ১৯, ১৯৪৩

শ্রীপ্রফুল্লচন্দ্র রায়


সূচীপত্র

১।
২।
৩। ১৬
৪। ২১
৫। ৩৬
৬। ৪১
৭। ৪৪
৮। ৪৯

পরিশিষ্ট

 হিন্দু রসায়নী বিদ্যা সম্পর্কে আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন বক্তৃতা, প্রবন্ধ ও গ্রন্থাদিতে বহু আলোচনা করিয়াছেন। ইংরেজী ভাষায় তাঁহার বিখ্যাত গ্রন্থ ‘A History of Hindu Chemistry’ দুই খণ্ড ছাড়া তিনি বাংলা ভাষায়ও ‘নব্য রসায়নী বিদ্যা ও তাহার উৎপত্তি’ নামক একখানি পুস্তক রচনা করেন। উহা ১৩১৩ সালে ‘বঙ্গীয় সাহিত্য-পরিষৎ’ হইতে প্রকাশিত হয়। উহাতে তিনি নব্য রসায়নী বিদ্যার আলোচনা প্রসঙ্গে এই বিষয়ে ভারতীয় মনীষিগণের চিন্তা ও সাধনার কথা পাঠকগণকে বার বার স্মরণ করাইয়া দিয়াছেন। কৌতূহলী পাঠক ১৩১০ সালের ‘সাহিত্য-পরিষৎ-পত্রিকা’য় তাঁহার ‘আয়ুর্বেদের প্রাচীনত্ব’ এবং ১৩২২ সালের ভাদ্র মাসের ‘প্রবাসী’তে ‘হিন্দু রসায়নশাস্ত্রের প্রাচীনত্ব’ প্রবন্ধ দুইটিও পাঠ করিলে অনেক নূতন তথ্য সংগ্রহ করিতে পারিবেন। ‘আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায়ের প্রবন্ধ ও বক্তৃতাবলী’ গ্রন্থের দ্বিতীয় ভাগে ‘প্রাচীন হিন্দুদিগের রসায়নশাস্ত্র-জ্ঞান’ এবং ‘লাবোয়াসিয়ে ও নব্য রসায়নশাস্ত্রের উৎপত্তি’ প্রবন্ধ দুইটিও দ্রষ্টব্য।

শ্রীচারুচন্দ্র ভট্টাচার্য

এই লেখাটি বর্তমানে পাবলিক ডোমেইনের আওতাভুক্ত কারণ এটির উৎসস্থল ভারত এবং ভারতীয় কপিরাইট আইন, ১৯৫৭ অনুসারে এর কপিরাইট মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়েছে। লেখকের মৃত্যুর ৬০ বছর পর (স্বনামে ও জীবদ্দশায় প্রকাশিত) বা প্রথম প্রকাশের ৬০ বছর পর (বেনামে বা ছদ্মনামে এবং মরণোত্তর প্রকাশিত) পঞ্জিকাবর্ষের সূচনা থেকে তাঁর সকল রচনার কপিরাইটের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে যায়। অর্থাৎ ২০২৬ সালে, ১ জানুয়ারি ১৯৬৬ সালের পূর্বে প্রকাশিত (বা পূর্বে মৃত লেখকের) সকল রচনা পাবলিক ডোমেইনের আওতাভুক্ত হবে।