পাতা:আমার কথা (প্রথম খণ্ড) - বিনোদিনী দাসী.pdf/১৪৫: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

উইকিসংকলন থেকে
 
পাতার অবস্থাপাতার অবস্থা
-
সমস্যাসঙ্কুল
+
মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি
পাতার প্রধান অংশ (পরিলিখিত হবে):পাতার প্রধান অংশ (পরিলিখিত হবে):
১ নং লাইন: ১ নং লাইন:
{{FI
|file = আমার কথা (প্রথম খণ্ড) - বিনোদিনী দাসী (page 29 crop).jpg
| tsize = 500px
| width = 500px
| float = floating-center
| caption =
}}

প্রথম খণ্ডের শেষের দুটী কথা। | এতদিনে আমার কর্ম্মতরু সম্পূর্ণরূপে ফলফুলে পূর্ণ হইয়া আমার অদৃষ্টাকাশে শাখা প্রশাখা বিস্তার করিয়া | ছাইয়া উঠিল। এইবার সব ঠিক। কারণ কি তাহার কৈফিয়ৎ দিতেছি। অনেক দিবস হইল ৮ গিরিশচন্দ্র ঘোষ মহাশয়ের বিশেষ অনুরোধে আমার নাট্যজীবনী লিখিতে আরম্ভ করি: তিনি ইহার প্রতি ছত্র, প্রতি লাইন দেখিয়া শুনিয়া দেন; তিনি দেখিয়া ও বলিয়া দিতেন মাত্র, কিন্তু একছত্র কখন লিখিয়া দেন নাই। তাহার বিশ্বাস ছিল যে আমি সরলভাবে সাদা ভাষায় যাহা লিখি তাহার নিকট সেই সকল বড় ভালই বলিয়া মনে হয়। | এইরূপে আমার জীবনী লিখিয়া আমার কথা। নাম দিয়া ছাপাইবার সঙ্কল্প করি। তিনিও এ বিষয়ে বিশেষ উদ্যোগী হন। কিন্তু তিনি মধ্যে মধ্যে রোগ যাতনা ভোগ করিবার জন্য ও নানা ঝাটে কতদিন চলিয়া যায়। পরে তাহার পরিচিত বাবু অবিনাশচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
প্রথম খণ্ডের শেষের দুটী কথা। | এতদিনে আমার কর্ম্মতরু সম্পূর্ণরূপে ফলফুলে পূর্ণ হইয়া আমার অদৃষ্টাকাশে শাখা প্রশাখা বিস্তার করিয়া | ছাইয়া উঠিল। এইবার সব ঠিক। কারণ কি তাহার কৈফিয়ৎ দিতেছি। অনেক দিবস হইল ৮ গিরিশচন্দ্র ঘোষ মহাশয়ের বিশেষ অনুরোধে আমার নাট্যজীবনী লিখিতে আরম্ভ করি: তিনি ইহার প্রতি ছত্র, প্রতি লাইন দেখিয়া শুনিয়া দেন; তিনি দেখিয়া ও বলিয়া দিতেন মাত্র, কিন্তু একছত্র কখন লিখিয়া দেন নাই। তাহার বিশ্বাস ছিল যে আমি সরলভাবে সাদা ভাষায় যাহা লিখি তাহার নিকট সেই সকল বড় ভালই বলিয়া মনে হয়। | এইরূপে আমার জীবনী লিখিয়া আমার কথা। নাম দিয়া ছাপাইবার সঙ্কল্প করি। তিনিও এ বিষয়ে বিশেষ উদ্যোগী হন। কিন্তু তিনি মধ্যে মধ্যে রোগ যাতনা ভোগ করিবার জন্য ও নানা ঝাটে কতদিন চলিয়া যায়। পরে তাহার পরিচিত বাবু অবিনাশচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়

০৬:০০, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ তারিখে সংশোধিত সংস্করণ

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

প্রথম খণ্ডের শেষের দুটী কথা। | এতদিনে আমার কর্ম্মতরু সম্পূর্ণরূপে ফলফুলে পূর্ণ হইয়া আমার অদৃষ্টাকাশে শাখা প্রশাখা বিস্তার করিয়া | ছাইয়া উঠিল। এইবার সব ঠিক। কারণ কি তাহার কৈফিয়ৎ দিতেছি। অনেক দিবস হইল ৮ গিরিশচন্দ্র ঘোষ মহাশয়ের বিশেষ অনুরোধে আমার নাট্যজীবনী লিখিতে আরম্ভ করি: তিনি ইহার প্রতি ছত্র, প্রতি লাইন দেখিয়া শুনিয়া দেন; তিনি দেখিয়া ও বলিয়া দিতেন মাত্র, কিন্তু একছত্র কখন লিখিয়া দেন নাই। তাহার বিশ্বাস ছিল যে আমি সরলভাবে সাদা ভাষায় যাহা লিখি তাহার নিকট সেই সকল বড় ভালই বলিয়া মনে হয়। | এইরূপে আমার জীবনী লিখিয়া আমার কথা। নাম দিয়া ছাপাইবার সঙ্কল্প করি। তিনিও এ বিষয়ে বিশেষ উদ্যোগী হন। কিন্তু তিনি মধ্যে মধ্যে রোগ যাতনা ভোগ করিবার জন্য ও নানা ঝাটে কতদিন চলিয়া যায়। পরে তাহার পরিচিত বাবু অবিনাশচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়