পাতা:অমরনাথ (কৃষ্ণচন্দ্র রায় চৌধুরী).pdf/১৪৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


S\58 অমরনাথ । তোমার কাছে কীস্তে নেগিচি কেন ? কারে তিন টাকা কারো চার টাকা । তাই তোমার কাছে এক বার জানাতে এমু, তুমি যেতি কিছু কর তো ভাল, আর তা নয়তো বল, আমরা দোকান পাট সব তেগ করি । অমর। এত টেকস হয়েচে ? তা তোমাদের জমিদারকে জানfওনা কেন ? ১ দোকান। বলে জমিদারকে জানাও না কেন ? জমিদারকে জানাইনি যে কেন, সে কথা আর কি বোলব ? অামাদের যে জমিদার অাছে, তা টের পাই খাজনা আর মাঙন দেবার সময়। তা নৈলে তিনির সঙ্গে আমাদের কি কথা হয়, না তিনিকে সেলাম কোল্লে সেলাম ন্যায় ? যে নজরের টাকাটি নে বানাৎ কোরে ফেলতে পারে, এই তারই স্কুট একটা কথা কন্নে ষ্টেই দ্যায়। নজরের টাকা না নিয়ে গেলে সে বাড়ীতেই ঢুকুতে দ্যায় না । মেড়োবাদীরে আগে জিগ্রগেস করে নজরের টাকা নেইচিস? এই এমন দশা। তা আমাদের কি ? না ঐ যে ছাছতোৱে বোলেচে, “তোর ঢেকে রাখ মোর বিকিয়ে যাক” জমিদারের হয়েচে সেই যোর যো । অমর। বটে ? তা তোমরা এখন চাও কি ? ২ দোকান। চাই এই যে তুমি আপনি একটু কোন জুতবরাত কোরে এই টেসকোট উঠিয়ে দিতে পার কি ক্যামন ? অমর। আচ্ছ, তা আমি দেখৃব চেষ্টা। ১ দোকান। তুমি একটু তেষ্টা দেখুলিই হবে। আমরা শুনিচি নাকি তোমার কথ। সেই আশাশোর বড় মান্যেতা করে। অমর। আছছ তা হবে।--আর কিছু কথা আছে ? ২ দোকান। অার এক কথা এই যে আমরা সকলে কিছু টাকা ধার চাই, তা লেহমত শুদ দেব। তার কিছু তনিষ্টি হবে না। অমর। অtছ তাও আমি দিব । আমি তোমাদের কাছে শুদ চাইনে, তোমরা মুদ্ধ আসল টাকাগুলি তাই শুক্তিতে মতে দিও।