পাতা:অসমীয়া সাহিত্য.pdf/৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


૨ অসমীয়া সাহিত্য অনাগতদিনের রপেও উপত ও প্রচ্ছন্ন আছে তার প্রতি পত্রে ও ছত্রে। সাহিত্য মানুষের নিজেরই অন্তরতম পরিচয় এবং রবীন্দ্রনাথের ভাষায় “এই পরিচয় সমস্ত জাতির জীবনযজ্ঞে জবালিয়ে তোলা অগ্নিশিখার মতো। তারই থেকে জবলে তার ভাবীকালের পথের মশাল তার ভাবীকালের গ্রহের দীপ।” ভারতের এই প্রাতান্তিক প্রদেশের চলোমি ইতিহাস ও কৃটিসংঘষের বিচার করিলে দেখা যায় যে প্রাচীন আয’সভ্যতা এখানে আগন্তুক হইলেও আত্মপ্রতিষ্ঠিত। তাহার পাবে অবশ্য অস্ট্রিক, নিগ্রোবট, কিরাত, বোডো, ভোটচীনরা আসিয়াছে। আলৌহিত্য ব্ৰহমপুত্রের এপারে ওপারে নাগা, মিকির, খাসি, জয়ন্তীয়া প্রভৃতি পাবত্য জাতিরা, প্রাগজ্যোতিষ কামরাপে আযসভ্যতার প্রাচুর্য, পরে তন্ত্ৰমতের প্রতিষ্ঠা, বৌদ্ধধর্মের প্রভাব, শৈববাদ, শ্রীহট্ট, কাছাড়, মনিপর হেরম্বদেশে মগধগোঁড় সভ্যতার প্রসার, পববতীকালে শান জাতির অহম শাখার অভিযান অসমীয়া সভ্যতা ও সংস্কৃতিকে এক বিচিত্র রপায়নে পরিণত করিয়াছে। ভারতীয় সংস্কৃতির অন্তরতম প্রবণতা কবির ভাষায় এইখানে সম্পণে ভাবে প্রযুজা, মহাভাবতের বীজ এইখানে প্রচ্ছন্ন। মহামানবের সাগরতীরে সদীঘকালের ইতিহাসের মণিমেখলায় কত কথা ও কাহিনী, কত কিবদন্তী, কত গাথা যে গ্রথিত আছে তার ইয়ত্তা নাই। তার সাহিত্যিক বা ঐতিহাসিক মলা কতটুকু, নিক্তির ওজনে সমালোচকের নিরিখে তাহাব বিচার হউক আপত্তি নাই, কিন্তু মানবমনের চিরন্তনী বেদনার ইতিহাসে, রসবেত্তার মম কোযেও তাহার একটা নিজস্ব মল্য আছে, তাহা অস্বীকার কবিবাব উপায় নাই। নরক ভগদত্ত, বাণ উষা অনির্যন্ধ, অজান চিত্রাঙ্গদা, উলুপী বভ্রমবাহন, ভীম হিড়িম্ববা, শ্ৰীকৃষ্ণ রকিমণী সত্যভামা, ভাস্করবমর্ণ, হিউয়েনচাঙ, শীলভদ্র, মৎস্যেন্দ্রনাথ, অভিনবগতে, কামেশ্ববর মহাগৌরীব উপাসকরা, শালস্তম্ভবংশীয় নৃপতিগণ, কুচিয়া জাতির আদি পবেষ কুন্তী ও আদি জননী মামা, ব্রা বি, আইগোসানী, তামেশ্বরী, কমতাধিপতি পাথরোজ, সাহিত্যের পৃষ্ঠপোষক দলভনারাযণ, মালাগাভবন, হেড়ম্ববপতি তাম্রধবজ. জৈন্তাধিপতি রামসিংহ, স্বগদেবগণ, বডগোহাঁই বঢ়াগোহাই, তামলি বপ্লবপন্যা, লাচিত বড়ফুকন, নিত্যপাল, তুলারাম, রাজা শিবসিংহ, রানী ফুলেশ্বরী, অম্বিকাদেবী কনকলতা, নিরঞ্জনবাপা, সবের্ণপবি মহাপুরুষ শ্ৰীমন্ত শংকর দেব, মাধব দেব, দামোদর দেব, রামায়ণকার কন্দলী ও তাঁদের শিষ্যগণ আসামেব ইতিহাস, সাহিতা ' ও মন জড়িযা বসিয়া আছেন । এই প্রসঙ্গে ‘আহোম’ ও ‘অসমীয়া এই দুইটি শব্দের পাথক্যের কথা বলুr যাইতে পারে। ১৮৪১ খ্রীস্টাব্দে প্রকাশিত Robinson -এর Descriptioe Accounts of Assam- q vif<T, ST>{TJQ<; <GTT £TZE SI >; I, unequalled বা unrivalled সাল এডোয়াড গেট ও peerless আথে ইহাকে গ্রহণ করিয়াছেন। তাইশাখার শানের ত্রয়োদশ শতাব্দীতে যখন এই প্রদেশে আসে, তখন তাহাদের অা সাম, অসম, অা চাম, অ হম বলা হইত। কোনো কোনো ঐতিহাসিক বলেন যে বিজেতাবা দেশটিকে মিউং ডুন চানখাম বা সোনার দেশ বলিয়া বণনা করিত, কিন্তু শান দেশ হইতে আগত বলিযা তাহাদের অা সাম বা অা হম বলা আয সংস্কৃতির বৈষ্ণব, শান্ত, শৈব, বৌদ্ধ বাদেব সহিত ক্ৰমাগত সংমিশ্রণের সযোগ ঘটিয়াছিল। ফলে বিজেতারা পরোদস্তুর হিন্দভাবাপন্ন হইযা তাহাদের ধর্ম ভাষা সাহিত্য ও সংস্কৃতি গ্রহণ করিয়াছিল। অবশ্য বিজেতাদের বংশধরেরা, নানা সংমিশ্রণ সত্ত্বেও তাহদের নিজস্ব ভাষা কিছটো রক্ষা করিতে চেস্টা করিয়া