পাতা:আত্মচরিত (প্রফুল্লচন্দ্র রায়).djvu/২৬১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


দক্ষতা দেখাইতে পারে। কিন্তু যাহাদের ব্যবসায় বন্ধি আছে এবং নানা বাধা বিঘ্যের সঙ্গে সংগ্রাম করিয়া স্বীয় চেষ্টায় সাফল্য লাভ করিয়াছে, সেই শ্রেণীর লোকই কেবল কোন ব্যবসায় গড়িয়া তুলিতে পারে। বতমান চীন সম্বন্ধে একজন চিন্তাশীল ও দরদশী ব্যক্তির মন্তব্য উদ্ধত করিয়া আমি অধ্যায়ের সচেনা করিয়াছি। আর একজন দরদশী লেখকের সারগভ মন্তব্য উদ্ধত করিয়া আমি এই অধ্যায় শেষ করিব। “একথা সত্য যে, চীন এখনও কৃষিপ্রধান দেশ, কিন্তু গত ত্রিশ বৎসরের মধ্যে চীনে বহন ব্যবসায় ও কলকারখানার কেন্দ্র গড়িয়া উঠিয়াছে এবং যেখানে ঐগুলি সম্প্রতিষ্ঠিত হইয়াছে, সেখানেই দেখা গিয়াছে যে চীনা ব্যবসায়ী ও শ্রমিকেরা আধুনিক প্রয়োগ কৌশল আয়ত্ত করিয়া লইয়াছে। চীনারা পাশ্চাত্য শিল্পকৌশল প্রয়োগ করিতে পারে। তাহারা কারখানা, রেলপথ, ব্যবসায়ী সঙ্ঘ এবং সামরিক বিভাগ গড়িয়া তুলিতে পারে।” Scott Nearing: Whither China? p. 182. দেখা যাইতেছে, এই উভয় গ্রন্থকারেরই সুচিন্তিত অভিমত এই যে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠা করিতে হইলে ব্যবসায়ী ও শ্রমিকদের সহযোগিতা চাই। তাহারা এমন সমস্ত বিশেষজ্ঞদের নিযুক্ত করিবে, যাহারা পাশ্চাত্য শিপে কৌশল কাজে লাগাইতে পারে। কিন্তু বিজ্ঞানের গ্রাজয়েট বা শিলপ বিদ্যালয়ের ডিপ্লোমাধারীরা এই শ্রেণীর বিশেষজ্ঞ নহে।