পাতা:আত্মচরিত (৪র্থ সংস্করণ) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/৪৮০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


8\9e শিবনাথ শাস্ত্রীব আত্মচারিত [ ২১শ পরিঃ নগরে যাই। তৎপূর্বে আমি ও আমার বন্ধু দুৰ্গামোহন দাস উদ্যোগী DBBD LLLSLL LLLLLL BDD DBDBBD DBDBD DBBD DDBB রাজার সমাধি-মন্দিরের মেরামতের বন্দোবস্ত করিয়াছিলাম। কিরূপ মেরামত হইল, তাহা দেখিবাবও ইচ্ছা ছিল। ঐ দিন আমি সমস্ত দুপুর বেলা রাজার সমাধি-মন্দিরে যাপন করি, এবং সন্ধ্যার সময় এক প্ৰকাশ্য হলে রাজার বিষয়ে বক্তৃত কবি । রাজার স্মৃতি যে এখনও ব্ৰিষ্টলবাসীর মনে আছে তাহা জানিতাম না । আমি দুপুরবেলা সমাধি-মন্দিরে বসিয়া আছি, দেখিলাম সেই সময়ের মধ্যে কয়েক ব্যক্তি আসিয়া সমাধি-মন্দিরের সমক্ষে ভক্তিভাবে দাড়াইয়া সমাধিতে লিখিত বাক্যগুলি পাঠ করিতে লাগিলেন । তৎপরে সন্ধ্যার সময় আমার বক্তৃতা শেষ হইলে দেখি যে একটী কুন্ধা-স্ত্রীলোককে লোকে ধরিয়া সভা মধ্য হইতে আমার দিকে আনিতেছে। আমি তঁহাকে দেখিয়া সসন্ত্রমে তাহার দিকে অগ্রসর হইলাম। তিনি হস্ত প্রসারিত করিয়া আমার হস্ত ধরিয়া বলিতে লাগিলেন—“এই হাতে রামমােহন রায়ের হাত ধরিয়াছিলাম। এস, আজ তোমার হাত ধরি।” বিলিয়া মহোৎসাহে আমার হাত ধরিলেন। তাহার পর তঁহার মুখে, কোথায় কিরূপে রামমোহন রায়কে দেখিয়াছিলেন, তাহ শুনিলাম ॥৫ রাজা রামমোহন রায্যের মুন্নিৰ্ম্মিত মুৰ্ত্তি ও শালের পাগড়ী।।- পরে আর একটী ঘটনা ঘটিল, তাহাও চিরস্মরণীয়। মৃত্যুকালে রাজা রামমোহন রায়কে যে ডাক্তার চিকিৎসা করিয়াছিলেন, তাহার কন্যা তখনও জীবিত ছিলেন। তিনি তাহার যৌবনকালে নিজ পিতার সঙ্গে ঝুসার্মোহন রায়কে অনেকবার দেখিয়াছেন, রাজার সঙ্গে মিশিয়াছেন, “ও তাঁহার আতিথ্য করিয়াছেন। রাজা ও তাহার পিতা গত হইলে, তিনি নিজ পিতার নিকটে প্ৰাপ্ত মুক্সিৰ্ম্মিত রাজার মস্তক ও তাহার মাথার শালের পাগড়ী প্ৰভৃতি স্মৃতিচিহ্নগুলি সমূদ্ধে রক্ষা করিয়া