পাতা:আত্মচরিত (৪র্থ সংস্করণ) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/৫৫০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


obr दिनाथ अाक्षौनि आप्रविड [ পরিা নয়। বৎসর বয়সে কলিকাতায় আসি। আসিয়া সংস্কৃত কলেজে ভক্তি হই। তখন বিদ্যাসাগর মহাশয় ঐ কলেজের অধ্যক্ষ ছিলেন। কেবল তাহা নহে, বন্ধুতাসুত্রে আমার মাতুলের সঙ্গে দেখা করিবার জন্য মধ্যে মধ্যে আমাদের বাসাতে আসিতেন । অগ্ৰেই বলিয়াছি, তিনি আমাকে দেখিলেই হাতের * দুই অঙ্গুলি চিমটার মত করিয়া আমার ভুড়ির মাংস টানিয়া ধরিতেন। এই ভয়ে, তিনি আসিতেছেন জানিতে পারিলেই, আমি সেখান হইতে নিরুদেশ হাইতাম। কিন্তু তিনি আমাকে বড় ভালবাসিতেন। আসিয়াই আমাকে খুজিতেন, আমার কথা জিজ্ঞাসা করিতেন। আমার বাবাকেও অত্যন্ত ভালবাসিতেন, এবং মাতুলের সঙ্গে সংস্কৃত ব্যাকরণ লইয়া বিচার উপস্থিত হইলে, বাবাকে ডাকিয়া মীমাংসা করিয়া লইতেন। বাবার ব্যাকরণে বুৎপত্তি বিষয়ে তাহার প্ৰগাঢ় আস্থা ছিল । কলেজে। আমরা তঁহাকে ভয়ের চক্ষে দেখিতাম, এবং তঁহা হইতে দুরে দূরে থাকিতাম। ছেলেরা দুষ্টামি করিলে তিনি ধরিয়া নিজের ঘরে লইয়া যাইতেন, কোণে দাড় করাইয়া রাখিতেন, এবং ‘বইয়ের পাতাকাটা সুইসের দ্বারা তাহদের পেটে মারিতেন। আমার যেন মনে হয়, আমার কোনও দুষ্টামির জন্য আমাকে ধরিয়া লইয়া আমার ভুড়িতে মারিয়াছিলেন, ও আমাকে কোণে দাড় করাইয়া রাখিয়াছিলেন। আমরা কলেজের ছোট বড় সকল ছেলে বিদ্যাসাগর মহাশয়কে একজন ক্ষণজন্ম পুরুষ বলিয়া মনে করিতাম। আমার বেশ মনে আছে, তিনি যখন ডিরেকটিারের সহিত ঝগড়া করিয়া কলেজ ছাড়িলেন, তখন আমরা গবৰ্ণমেণ্টের উপর মহা চটিয়া গিয়াছিলাম। তিনি যেন আমাদের প্রাণ সঙ্গে করিয়া লইয়া গেলেন। তার পর যত বয়স বাড়িতে লাগিল, ততই ভঁর সঙ্গে আরও গাঢ় ৰোগ হইতে লাগিল। আমি ব্ৰাহ্মসমাজে যোগ দিলে-ৰাৰায় যে ফ্লোশ