পাতা:আত্মজীবনী ও স্মৃতি-তর্পন - জলধর সেন.pdf/১২৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


स्षांखाौबर्नौ ७ डि-ऊ* SSS DBBDBS DDD DDDB uB uBD BDBDBDB SBDEDLK DD BDBuB BBDD তারপর হৃদয়কেও খবর দিলেন । হৃদয় তা আমাকে দেখে অবাক। সে বললে,-বা, তুমি মে লিখেছিলে মে মাসে এসে ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে ভৰ্ত্তি হবে ? আমি বললাম-আমি সে সংকল্প ত্যাগ করেছি। আজ জেনারেল এসেমূরি কলেজে ফাষ্ট ইয়ারে ভক্তি হয়েচি । গিরীন্দ্ৰদাদা বললেন-তা বেশ করেচ । তারপর এখানে এসে থাকার ব্যবস্থা কি করেচ ? আমি তখন বিদ্যাসাগর মশায়ের সঙ্গে সাক্ষাতের কথা, কলেজে ভৰ্ত্তি হওয়ার কথা সব তাকে জানিয়ে বললাম-গিরীনদাদা, থাকার কিছুই ঠিক করিনি, আমাদের অবস্থার কথা ত জান । দশটা টাকা স্কলারসিপের ওপর নির্ভর করেই এখানে এসেচি। পাঁচ টাকা ত মাইনেই যাবে, থাকবে পাঁচ টাকা । আর বিদ্যাসাগর মশায় বোধ হয় মাসে পাঁচ টাকা দেবেন। এই দশ টাকায় কোন মেসে থেকে চলে না, তাই তোমাদের কথা মনে হে’ল। এখন কি কববো সেই পরামর্শর জন্যেই তোমাদের কাছে এসেছি । গিরীন্দ্র দাদা একটু চুপ করে থেকে বললেন-চল, মেজ জ্যোঠামশায়ের কাছে যাই, তিনি ঐ ঘরে আছেন। তোকে কিছু বলতে হবে না । তোর নাম তিনি জানেন, তুই যে পাশ করেচিস সে কথা তার কাছে বলেছি। হৃদয় কুমারখালিতে থাকতে, তুই যে তাকে খুব যত্ন করেচিস, সে গল্প হৃদয় মেজ জ্যোঠামশায়ের কাছে করেছে। চল, তঁর কাছে যাই । হৃদয় এতক্ষণ চুপ করেই দাড়িয়ে ছিল, গিরীন্দ্ৰদাদা দাড়াতেই সে বলে বস্ল-ও যাই-টাই নয় দাদা, জলাধরকে আমাদের এই আড়তে রাখতেই হবে, ওর ব্যবস্থা করে দিতেই হবে তোমায় । গিৰীন্দ্ৰ দাদা হেসে বললেন-আমরা দু-ভাই গিয়ে যদি চেপে ধরি, তাহলে মেজ জ্যোঠামশায়ের বাবারও সাধ্য নেই যে অস্বীকার করেন । আমি মনে মনে বললুম, ভগবান, তাই যেন হয়। আমরা মোজকর্তার ঘরে গিয়ে দেখি, তিনি একটা বিছানার ওপর বসে তামাক খাচ্চেন। গিরীন্দ্ৰদাদা আমার পরিচয় দিতে, আমি গিয়ে তঁর পায়ের ধূলো নিলুম। তিনি আশীৰ্বাদ করে বললেন-তুমি তা জলপানি পেয়েচ, এ খবর পেয়েচি। হ্যারে হৃদয়, কুমারখালি ভুলে ভাল পড়া হয় না বলে তুই যে।