পাতা:আর্য্যাবর্ত্ত (চতুর্থ বর্ষ).pdf/২০৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


আষাঢ়, ১৩১ ০ ৷৷ দিল্পীর লৌহ-স্তম্ভ। ' ' Sሳእ এই যে, যদিও ইহা দেড় হাজার বৎসর মুক্ত বায়ুতে অনাবৃত স্থানে অবস্থিত রহিয়াছে, তবুও ইহাতে একটুও মরিচ পড়ে নাই! ইহার ঘনকৃষ্ণ ও মসৃণ আকৃতি দেখিলে মনে হয় যে, ইহা অল্পদিন মাত্ৰ প্ৰস্তুত হইয়াছে। অত প্ৰাচীন কালে এইরূপ সুবৃহৎ স্তম্ভ বিশুদ্ধ লৌহদ্বারা- এবং তাহাও আবার কোন কলকারখানার সাহায্য ব্যতিরেকে কিরূপে নিৰ্ম্মিত হইয়াছিল, তাহা এখন য়ুরোপীয় বৈজ্ঞানিকগণ বুঝিতে পারেন না। যখন তাহারা দেখেন যে, এই সুদীর্ঘকালের মধ্যে জল ও বায়ু ইহার তিলমাত্র অনিষ্ট করিতে KLB DDSDBD DDDEB BBDBY KB BD J DS হিন্দুর এই প্ৰাচীন কীৰ্ত্তিস্তম্ভের ঐতিহাসিকত্ব নির্ণয়কল্পে আমি এই প্ৰবন্ধের অবতারণা করি নাই। ইহার শীর্ষভাগে যে লিপি ক্ষোদিত আছে, gDDD BB DDSDK BDBBt DBDDBDDB BDLL DDD DDS DD DDD s লিপিতে কোন তারিখ নাই, তথাপি প্রিন্সেপ ইহার আকার ও গঠন দেখিয়া এই স্তম্ভটি খৃষ্টীয় তৃতীয় কি চতুর্থ শতাব্দীতে স্থাপিত বলিয়া স্থির করিয়াছেন। ফাগুসন বলেন,-“আমাদের বিশ্বাস যে, ইহা গুপ্তবংশের কোন রাজার রাজত্বকালে ৩৬৩ কিংবা ৪০০ খৃষ্টাব্দের পরে নিৰ্ম্মিত হইয়াছিল। ৪০০ খৃষ্টাব্দই যদি ইহার ' নিৰ্ম্মাণকাল হয়—এবং ইহাই প্রকৃত সময় বলিয়া বোধ হয় - তাহা হইলে আমরা দেখিতে পাইতেছি যে, হিন্দুরা অতি প্ৰাচীনকালে যেরূপ বৃহৎ স্তম্ভ নিৰ্ম্মাণ করিতে পারিত, সেরূপ বৃহৎ স্তম্ভ অল্পদিন পূর্বেও য়ুরোপে নিৰ্ম্মিত হয় নাই এবং এখনও যে বেশী অধিক হয়, তাহা নহে। আর এই চৌদ্দ শত বৎসরের বাতাস ও বৃষ্টিতেও যে ইহাতে মরিচ পড়ে নাই এবং চৌদ্দ শত বৎসর পূর্বে ইহার শীর্ষদেশে যে লিপি খোদিত হইয়াছিল, তাহা যে এখনও ঠিক সেই রকমই পরিষ্কার আছে, তাহাও কম বিস্ময়ের বিষয় নহে।” * রস্কো বলেন,-“হিন্দুরা লৌহের কারবারে যে কিরূপ নিপুণতা লাভ করিয়াছিল, তাহা দিল্লীর নিকটস্থ কুতবা-মসজিদের মধ্যবৰ্ত্তী অনু্যন ৬০ ফীট দীর্ঘ লৌহস্তম্ভ হইতে বুঝিতে পারা যায়। * * বাষ্পচালিত সুবৃহৎ হাতুড়ী; এবং অন্যান্য যন্ত্রের সাহায্যেও বর্তমানকালে এরূপ লৌহস্তম্ভ প্ৰস্তুত Indian and Eastern Architecture,