পাতা:আর্য্যাবর্ত্ত (চতুর্থ বর্ষ).pdf/২১৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


১৯২ - ছ - আৰ্যাবৰ্ত্ত। ' g-༦ གྲྭ་ ማ«ቂ፣i ! করেন। ‘বঙ্গসুন্দরীতে’ ষে দুঃখের অভিব্যক্তি আছে, তাহা পাঠ করিয়াই SL EBDBDDDD DBD DDDB BDDBBBD SuuSDD DBES rg BB Bg DDD DB BDBBDSSED DBYSDBDDD BB BBB BDS BDDDBD BDDB কথা।” “বঙ্গ-সুন্দরী’কে লক্ষ্য করিয়াই মহামহোপাধ্যায় শ্ৰীযুক্ত হরপ্রসাদ শাস্ত্রী মুহাশয় লিখিয়াছিলেন, “আমি এমন মিষ্ট কবিতা আর কোথাও পড়ি নাই।” ইিঞ্জবিহারীলালের শ্ৰেষ্ঠ কাব্য “সারদা-মঙ্গল’ প্ৰথমে ১২৮১ সালে ‘আৰ্য্য:দর্শন" পত্রে, পরে পরিবৰ্ত্তিত হইয়৷ ১২৮৬ সালে পুস্তকাকারে প্রকাশিত হয়। ১২৭৭ সালের বাসন্তী পঞ্চমী উপলক্ষে কবি ৭টি শ্লোক রচনা করিয়া মুদ্রিত করেন। তাহা হইতেই সারদামঙ্গলের সূচনা। কবি লিখিয়া গিয়াছেন,— *মৈত্রীবিরহ, প্রীতিবিরহ, সরস্বতীবিরহ, যুগপৎ ত্ৰিবিধ বিরহে উন্মত্তবৎ হইয়া আমি সারদা-মঙ্গল সঙ্গীত রচনা করি।” এই কাব্যের কোনও আখ্যান-বস্তু নাই-ইহা সারদার ধ্যান । সারদা আদি কবিগণের ৰীণাপাণি, পাশ্চাত্য কবিকুলের Muse,-ইনি কাব্যজননী, সঙ্গীতকলা-মূৰ্ত্তিদ্বতী। প্ৰত্যুত বিহারীলালের সারদা বিশ্বব্যাপী সত্য, শিব, সুন্দরের প্ৰাণস্বরূপ-জগন্মাতা । “সারদা-মঙ্গল” কাব্যের ভাষা ও ভাব অবিচ্ছেদ্যভাবে বিজড়িত; এই কাব্যে কবির চিন্তালহরী মনে প্রভাত-স্বপ্নের মত বিচিত্ৰ ভাবে উত্থানপতন প্রাপ্ত হইয়াছে। সারদার সহিত কবির সাক্ষাৎ ও প্রণয়, বিচ্ছেদের ও মিলনের কথা, কবির প্ৰেম ভক্তি, আশা নৈরাশ্য, “হর্ষ বিষাদ, সন্দেহ অভিমান প্রভৃতি শত কথা এক অপূর্ব স্বপ্নের মত সূত্রে BLL SDB SDDDS DDDY BBBD DBBD DDDSS BBBDBuB SuDBSDBDS DBBB DBDDBD DBBBDBDSDBDBDBDS BBDBDD gD মহাসঙ্গীত । “সারদা-মঙ্গল” কাব্য রচিত হইবার পর বিহারীলাল ‘মায়াদেবী’ ‘দেবরাণী’ ও ‘ধূমকেতু নামে তিনটি কবিতা ( প্ৰভাত মধ্যাকু সন্ধ্যা L DD DDD KDDBDBSSKDBiSDBDB DDL BBDDDB LsDDD খণ্ড কাব্য, “বাউল বিংশতি’ আখ্যাত একখানি গীতপুস্তক, ‘সাধের আসন’। নামক অপেক্ষাকৃত দীর্ঘািয়তন আর একখানি খণ্ড কাব্য এবং ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কুয়েকটি কবিতা ও গান রচনা করেন। কবি এই রচনাগুলির সংশোধন ও পরিমার্জন করিয়া যাইতে পারেন নাই। সে গুলির অধিকাংশই SZB SuDDDSDBHELS S SS SDDDS BD DBBBD DD DBB