পাতা:আর্য্যাবর্ত্ত (তৃতীয় বর্ষ - দ্বিতীয় খণ্ড).pdf/৩৭৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


আৰ্য্যাবৰ্ত্ত । o, s-YY (ty endowing idols and in making grants of lands to Brahmans, and even to Mahammadan saints. Ram Deb Ray was . . . especially celebrated for these virtuous acts.” “Çfq fậCE” Iš BTGOSK DDD DDSS BDBDDt DtBDD DBDBB BBDBDBB BB BDD S রামদেবের সময় নবাব মুর্শিদ কুলি খাঁ মুর্শিদাবাদের ‘তখততোসে’ উপবিষ্ট ছিলেন। তঁহার অধীনে সৈয়দ রেজা খার অমানুষিক অত্যাচারের কথা ইতিহাসজ্ঞ পাঠকের অবিদিত নাই। কার প্রদানে বিলম্ব হইলে জমীদারগণের রক্ষা থাকিত না। রাজা রামদেব কয়েক বৎসর কর বাকি রাখিয়াছিলেন, এই অপরাধে নবাব মুর্শিদ কুলি খাঁ রামদেবকে ধুতি করিবার নিমিত্ত ১৭২১ খৃষ্টাব্দে একদল সৈন্য প্রেরণ করেন। রামদেব নবাল-সৈন্যের আগমন-বার্তা শুনিয়া ভীতচিত্তে নলডাঙ্গা হইতে পলায়ন করিয়া নিকটবৰ্ত্তী এক গ্রামে আশ্রয় গ্ৰহণ করেন। নবাব সৈন্য পািনর দিবস নলডাঙ্গায় অবস্থান করিয়া হতাশচিত্তে মুর্শিদাবাদে প্ৰত্যাগমন করিল। নবাবের সৈন্য মুর্শিদাবাদে প্ৰত্যাগমন করিবার অব্যবহিত পরেই রামদেব স্বয়ং নবাবসকাশে গমন করিয়া জমীদারীত্যাগ করিবার প্রস্তাব করিলেন। নবাব স্বীকৃত হইলে রামদেব তদনুযায়ী দলিল লিখিয়া দিলেন। র্তাহার আমমোক্তার শ্ৰীকৃষ্ণদাস সে দিন ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না। কয়েক দিনের মধ্যে তিনি মুর্শিদাবাদে আগমন করিয়া এই দারুণ ঘটনা আমূল শ্রবণ করিলেন ; তৎপরে নবাব মুর্শিদ কুলি খ্যার টি. কট গমন করিয়া দলিল দেখিবার প্রার্থনা করিালেন। দলিল হস্তগত করিয়া কৃষ্ণদাস ভাবিলেন, যদি কোনও উপায়ে দলিলখানি নষ্ট করা যায়, তবে প্ৰভু রামদেবের জমাদারী রক্ষণ হইলেও হইতে পারে। এইরূপ স্থির করিয়া প্ৰভুভক্ত শ্ৰীকৃষ্ণ তৎক্ষণাৎ দলিলখানা গিলিয়া ফেলিলেন। নবাবের লোকরা তাঁহাকে বিষম প্রহার করিল এবং অৰ্দ্ধমৃত অবস্থায় গঙ্গাগর্ভে ভাসাইয়া দিল। রামদেব সে সময় গঙ্গায় মান করিতেছিলেন। কৃষ্ণদাসের মৃতপ্ৰায় দেহ ভাসিয়া যাইতে দেখিয়া রামদেবের অনুচরগণ তৎক্ষণাৎ তঁহাকে তীরে আনয়ন করিল। কিয়ৎক্ষণ শুশ্ৰষা করিবার পর শ্ৰীকৃষ্ণ চৈতন্যলাভ করিলেন। রাজা রামদেব কৃষ্ণদাসের এই অলৌকিক প্ৰভুভক্তিদর্শনে একান্ত প্রীত হইয়া তাহাকে দেবসেবুব নিমিত্ত এক ক্ষুদ্র জমীদারী প্ৰদান করেন এবং অবাসভূমি

  • J. Westland's "Report on the District of Jessove'-PP. 43-44