পাতা:আর্য্যাবর্ত্ত (দ্বিতীয় বর্ষ - প্রথম খণ্ড).pdf/৩০৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


air, Yost tarf fifter sas SLBDDBS ggB DBDBSYYS S BDDBDS BDBDt DBD D SLLL S S BD বলিল,-“মাহেন্দ্রক্ষণে “সাহেবের’ সহিত তোর শুভদৃষ্টি হ’য়ে ছিল।” রমেশ বাবু একটু গভীর প্রকৃতির লোক, এতক্ষণ চুপ করিয়া বসিয়া ছিলেন, তিনি অতি মৃদুস্বরে সহানুভূতিজড়িত কণ্ঠে বলিলেন,-“এইবার তোমার দুঃখ ঘুচিল, ভাই!” আমি কেবল হর্ষবিষাদের আন্দোলনে তাড়িত হইতে হইতে ঐ শেষের কথাই ভাবিতেছিলাম ; মনে হইতেছিল, বুঝি আজি এই পাঁচিশ বৎসর বয়সে জগতের মধ্যে মাথা খাড়া করিয়া দাড়াইবার একটা অধিকার পাইলাম ; বোধ হইল, জগতের সাধারণ সুখ-দুঃখের উপর আমার একটা দাবী, একটা স্বত্ব যেন আঞ্জ হইতে নিজের পাওনা-গণ্ডা বুঝিয়া লইবার জন্য মাথা তুলিতে আরম্ভ করিল ; মনে হইতে লাগিল, বুঝি এত দিনের জল-ঝড়ের পর, আজ আবার সৌভাগ্যের মুখরবি মাথার উপর মঙ্গল-আশীষের পূর্ণজ্যোতি-বিকাশে অতীতের সেই দুঃখ ভোগের স্মৃতিকে মধুরতর করিয়া তুলিতে লাগিল,--আর সঙ্গে সঙ্গে আমার বিগত জীবনের সুখসামগ্রীর অভাব আমার নয়নকে অশ্রু ভারাক্রান্ত করিল । এমন সময়ে মেসের ছেলেরা আমার পিঠে একটা চড় মারিয়া বলিল,-“কি দাদা ! নগদ টাকা ক’টা একদমে খরচ ক’রে কি heart এর contraction টা বেড়ে । গেল নাকি ?” ( R ) নুতন কাযে খুব প্ৰাণপণে খাটিতেছি। “সাহেব যথেষ্ট স্নেহ করেন, আর হাসপাতালের অনাথ, পীড়িত, রোগক্লিষ্ট বেচারীদের শীর্ণ পাণ্ডুর মুখের মান জ্যোতি আমার হৃদয়ের সমস্ত করুণাকে এমন একটা সবল আঘাতে জাগাইয়া । তুলিয়াছে যে, সে আর আমার মনকে একটুও অবসন্ন হইতে দেয় না, কাযে। কাযেই ফাঁকি দিবার প্রবৃত্তিটা তাহার বড় কমই হয়। কিন্তু আর তা পারি না ! প্রতিনিয়ত রোগীদিগের সেই “গেলুম-মলুম” চিৎকার,-সেই একঘেয়ে। কান্নার সুর, সেই এক রকমের আইডোফিমের গন্ধ, সেই একই প্রকৃার অসুখ, ব্যাণ্ডেজ, আর ড্রেসিং, সেই একই অনুচর সহচর ও কায্যের ফর্দি-আমাকে যেন একেবারে “অতিষ্ঠা” করিয়া তুলিয়াছে। এরা সব যেন আমাকে পাগল করিবার | জন্য একযোগে ষড়যন্ত্র করিয়াছে; সবাই রোজ একই ভাবে, একই সুরে, একই সজ্জায় আমার বৈচিত্রবিহীন জীবনটাকে একটা নীরস, শুষ্ক-না, একটা প্ৰকাণ্ড মরুভূমিতে পরিণত করিবার চেষ্টা করিতেছে।