পাতা:আর্য্যাবর্ত্ত (দ্বিতীয় বর্ষ - প্রথম খণ্ড).pdf/৪২৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


= A ... " " . - . a . . ”...::: مت "" . . . . . . . . . . - : In - - - s . س:' ካ•፧ . . ". . . . . . = له 'ቖ።፧ ኃጋ;`ሩ}ኳ ‘. - ".... ፲“ “እቲ. . . . . . . . . . . . . . . . и и is . * - H' • •፻= ¢ ኸቸ‛‛ሽኋ፰ . . ' *= ' په .. ' '2 - ״ . . . டே ኞች . " •է է " . . . . . . . " " r : i. . .", ... " བབ་ - ܆ 36. · · Sጃ .ኛቕ--�Š ጓፍቂjዝ ዘ Yvy... -N. . . . . . . . . . . . . ...... . . . . . : مجهٔ - : من به ب.م به سمت ."ج . * ، جاه - একদিনের একটি বৃত্তান্তের গল্প অতি করুণভাবে তিনি বলিতেন। তিনি বলিতেন, “আমি একদিন বাড়ী যাবার সময় দুপুরের রোদে কিঞ্চিৎ বিশ্রামের জঙ্গে একটি খোড়ো বাড়ির বাহিরের রোয়াকে বোসে আছি, এমন সময় বাড়ীর ভেতর থেকে গুটি দুই তিন ছেলে নাচতে নাচতে আর গানের সুরে চেচাতে চেঁচাতে বেরিয়ে এল। তাদের মুখে এই বুলি—আজ আমাদের ডাল হয়েছে, আজ আমাদের ডাল হয়েছে। আমি ত দেখে শুনে অবাক। ভাবলুম যে, এদের এত দুরবস্থা যে বছরের মধ্যে পাল পাৰ্ব্বণের মত দু’ এক দিন ডাল রান্না খেতে পায় ! আর বোধ হয় এমন অনেকেই আছে।” এই গল্প করিতে করিতে কখনও কখনও তঁাহার চক্ষুতে জল আসিত । ‘তারানাথ তর্কবাচস্পতি মহাশয়ের মুখে শুনিয়াছি যে, সংস্কৃত কলেজে অধ্যয়নকালে বিদ্যাসাগরের উক্ত প্ৰকার গ্যাটাগোটা শরীরের জন্য তঁাহারা সকলে উইকে “টিপলে বলিয়া ডাকিতেন ; এবং বিদ্যাসাগর যখন কোনও একটা শাস্ত্রের-বিশেষতঃ স্মৃতিশাস্ত্রের-ভালরূপ মীমাংসা করিয়া দিতেন, তখন তাহারা বলিতেন, “আমাদের টিপলে না হোলে এরকম আর কে করে দিতে পারে।” “বিদ্যাসাগর যখন বহু বিবাহের বিরুদ্ধে লেখনী ধারণ করেন, তখন তর্কবাচস্পতি মহাশয়ের নিজের মুখে শুনিয়াছি যে, শূদ্ৰস্য ভাৰ্য্যা শূদ্রেব সা চ সা চ বিশঃ স্থতে এই মনুবচনের বিদ্যাসাগর যে তাৎপৰ্য্য ব্যাখ্যা করিয়াছেন, তাহা তর্কবাচস্পতি মহাশয়ের সম্পূর্ণ সম্মত । শেষে কিন্তু তর্কবাচস্পতি মহাশয় বহুবিবাহের সমর্থনপক্ষে লেখনী ধারণ করিলেন, এবং বিদ্যাসাগরের সহিত বাদে (controversy ) প্ৰবৃত্ত হইলেন । “পদব্ৰজে পথপৰ্যটনে বিদ্যাসাগর কখনও ক্লান্তি বোধ করিতেন না। শেষাবস্থায় যখন তিনি অত্যন্ত কাহিল হইয়াছিলেন, কিছুই পরিপাক হইত না, তখন ডাক্তারদিগকে ইহার উপায় জিজ্ঞাসা করাতে তাহার কহিলেন, “খুব হঁাটিতে আরম্ভ করুন।” তিনি জিজ্ঞাসা করিলেন, “কতক্ষণ করিয়া হাটব ?” ডাক্তার বলিলেন, “যতক্ষণ না ক্লান্তি বোধ করেন।” বিদ্যাসাগর উত্তর দিলেন, তাহলে ত রাত্রিদিন হাঁটতে হয়, কারণ হেঁটে আমি কখনও ক্লাস্তি বোধ করি। “কলেজের প্রিন্সিপাল হইবার পর তিনি কিছুদিন কলেজের ইমারতেই রাসা কম্বিয়া বসবাস করিয়াছিলেন। সেই সময়ে মালির ঘরের দিকে মাটি ফেলিয়া ।