পাতা:ঐতিহাসিক চিত্র (প্রথম বর্ষ) - নিখিলনাথ রায়.pdf/৩৩৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


€0Y7° ঐতিহাসিক চিত্ৰ না পারিয়া কতিপয় অনুচর সহ মণকরার শিবিরে উপস্থিত হইলেন । নবাবের ইঙ্গিত অনুসারে তঁহার সৈন্যগণ ভাস্করকে খণ্ড বিখণ্ড করিয়া ফেলে। ভাস্করের অনুচরবর্গের মধ্যে কেহ বা আহত, কেহ বা নিহত হইলে, অবশিষ্ট কয়েক জন নদীতে কম্পপ্ৰদান করিয়া পরপারে উত্তীর্ণ হয় । অবশেষে মহারাষ্ট্ৰীয়েরা কাটোয়া পরিত্যাগ করিয়া চলিয়া যায় । এই ভীষণ মহারাষ্ট্রীয় আক্রমণের জন্য বঙ্গভূমি বারম্বার বিপৰ্য্যস্ত হওয়ায় এবং অধিবাসিগণ উৎপীড়িত, হৃতস্বৰ্ব্বস্ব ও পলায়িত হওয়ায় সরকারের রাজস্বের অনেক ক্ষতি হইয়াছিল । বিশেষতঃ এই অবিশ্ৰান্ত যুদ্ধের ব্যয়ভার নির্বাহের জন্য নবাবকে যারপর নাই অর্থাভাব অনুভব করিতে হইয়াছিল, কিন্তু যেখানে জগৎশেঠের গাদী সরকারের সাহায্যের জন্য সৰ্ব্বদাই উন্মুক্ত রহিয়াছে, সেখানে অর্থাভাব কোথায় ? তাই নবাবের অর্থাভাব উপস্থিত হইলে ও তাহাকে অধিক দিন তাহার কষ্টভোগ করিতে হয় নাই । শেঠেরা প্ৰয়োজনানুসারে নবাবের সাহায্য করিয়া তাহাকে এই ভয়াবহ বিপদ হইতে মুক্ত করিয়াছিলেন । এই শেঠবংশীয়দিগের সহিত মুর্শিদাবাদের নবাবগণের সম্বন্ধ যে কিরূপ প্ৰগাঢ় ছিলো এষ্ট সমস্ত ঘটনা হ প্ৰতীত হইয়া থাকে । এই বৎসর অর্থাৎ ১৬৪৪ খৃষ্টাব্দে * জগৎশেঠ ফতে চাঁদের মৃত্যু হয়। তাহার মৃত্যুর পর তদীয় পৌত্র ও শেঠ আনন্দ চাদের পুত্র মহাতাবর্চাদ গদীতে উপবিষ্ট হন। ফতেচাদের বয়স অশীতি বৎসর হইয়াছিল। সেই বহুদৰ্শী বুদ্ধ

  • হণ্টার লিখিয়াছেন যে, ১৭৪৪ খৃষ্টাব্দে ফতেচাদের মৃত্যু হয়। ইহা কতদূর সত্য বলা যায় KSDBBS DBD DDBDBBLB BDDEL DBDDBDB DBBDB KD D DDBB DB S DDD K DSDBBDB KKB BBD SSSS DDBB DSSDD0 S খৃষ্টাব্দে ODBDEEL DD MOg DDDDS S S YJS চাদের মৃত্যুর ৪ বৎসর পরে এই উপাধি পাওয়ায় তাহার মরণব্দ ১৭৪৪ কি না ইহাতে সন্দেহ উপস্থিত হয়। তবে যদি সেই সময়ে মহাতাবর্চাদের বয়স অধিক না থাকায় অথবা মহারাষ্ট্রয় DBDDD LgL KDBBD BBDLLDDDD DKBDD BDT DDBD SBDBDBLBuu BB yBBDBD DBDD Bu থাকে তাহা হইলে ১৭৪৪ খৃষ্টাব্দে ফতেচরদের মৃত্যু হওয়া অসম্ভব বলিয়া বোধ হয় না। হণ্টার LD LLLB DDL KKDDDE EED DDDSDDD D DBLDBBDD DDLLBLJJ DBD DBBJ বিবরণ সংগ্ৰহ করিয়াছিলেন। তজ্জন্য সন্দেহ থাকিলেও আমরা ১৭৪৪ খৃষ্টাব্দে ফতোটাদের মৃত্যুবৎসর ধরিয়া লইলাম ।