পাতা:কাশীদাসী মহাভারত.djvu/২৮২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


uT_৩৪৪ রথে চড়াইল দুই কুমার কুমারী । মুহূর্তেকে উত্তরিল কুণ্ডিন নগর । রথ অশ্ব সহিতে রাখিয়া রাজপুরে । পুনঃ গেল বাষ্ণেয় সে নিষধ নগরে ॥ পুণ্যকথা ভারতের শুনে পুণ্যবান । কাশীদাস বিরচিল নলের আখ্যান ৷ ললের বলে গমন ও ময় গুf sণগ । পুষ্করের সহ পাশ থেলি রাজা নল । ক্রমে ক্রমে রাজ্যধন হুরিল সকল ॥ বসন ভূমণ আর রত্ন অলঙ্কার । সকলি হারিল রাজ কিছু নাছি আর ॥ হাসিয়৷ পূঙ্কর তবে বলিল বচন । খেলিব কি আছে আর শীঘ্র কর পণ ॥ অবশেষে তব কিছু নাহি দেগি আর } রাণী দময়ন্তী পণ কর এই বার ॥ এতেক শুনিয়া ক্রোপে লোহিত লেচন । :নাহিক কহিতে শক্তি বিষণ্ণবদন ॥ তবে রাজ। বস্ত্র রত্ন ম; ছিল শরীরে । বাহির করিয়া সব দিলেন পুষ্কর ॥ অঙ্গের ভূষণ মত ফেলিল খুলিয়া । চলিলেন মহারাজ এক বস্ত্ৰ হৈয়৷ ৷ আজ্ঞ দিল পুষ্কর আপন অনুচরে । এই কথা জ্ঞাত কর নগরে নগরে ৷ ੋਸ রাজ। লাইবেন সন্নিকটে যার । মলেরে রাখিলে তার সবংশে সংহার ॥ মাজ্ঞামত্রে রাজ্যে রাজ্যে জানাইল চর। iাজ-আজ্ঞা শুনিয় লোকের হৈল ডর ॥ তন দিন ছিল নল নগর ভিতর । Iাজার ভয়েতে কেহ না যায় নগর ॥ སྡིག་ করে জিজ্ঞাসা তারে না যায় নিকটে । ফুধায় তৃষ্ণায় নল গেল নদীতটে ॥ ూ রাত্রি দিনান্তরে করি জলপান । }ারপর বনমধ্যে করিল পয়াণ ॥ }াছু পাছু দময়ন্তা করিল গমন । 驚 মধ্যে প্রবেশিল দুইজন ৷ প্রসন্নবদনাং ক্ষীণমধ্যাং ধ্যায়েচ্ছিবাং গুরুং । [ মহাভারত। বহু দিন ক্ষুধা তৃষ্ণ শরীর পীড়িত । বনমধ্যে স্বর্ণপক্ষী দেখে আচম্বিত ॥ পক্ষী দেখি আনন্দিত ভাবিল রাজন । মাংস ভক্ষি পক্ষা বেচি পাব বহুধন ॥ ধরিবারে উপায় চিন্তিল মনে মন । পক্ষীর উপরে ফেলে পিন্ধন বসন ॥ বস্ত্র ল’য়ে উড়িল মায়াবী বিহঙ্গম । আকাশে উড়িয়া বলে আরে মতিভ্ৰম ॥ সৰ্ব্বনাশ কৈলু অক্ষে ভ্ৰষ্ট করি জ্ঞান । আমি কলি দ্বাপর বলিয়া এবে জান ॥ আমি সব এড়ি ভৈর্মা বরিল তোমারে তাহার উচিত ফল দিলাম উহারে ॥ এত শুনি ভৈমী বলিলেক নলে । যতেক কহিলে পক্ষী শ্রবণে শুনিলে । অক্ষে ঘেই হারাইল সেই বস্ত্র নিল । বিস্ময়ে আমারে প্রিয়ে জ্ঞানহত হৈল ॥ এখন যে বলি শুন তাহার কারণে । এই যে দেখহু পথ যাইতে দক্ষিণে ॥ অবন্তীনগরে লোক যায় এই পথে । এই মে দেখহ পথ কোশল মাইতে ॥ এই পথে যা ও প্রিয়ে বিদর্ভ নগরে । শুনিয়া হইল ভৈমা কম্পিত অন্তরে ॥ রোদন করিয়া ভৈমী কহে রাজ প্রতি । তব বাক্য শুনি মম স্থির নহে মতি ॥ রাজ্যনাশ বনবাস বিবস্ত্র হইয়া । ক্ষুধা তৃষ্ণ মহাদুঃখ-সাগরে ডুবিয়া ॥ সব পাসরিব আমি থাকিলে সংহতি । অামারে ত্যজিতে কেন চাহ নরপতি ॥ ভাৰ্য্যার বিহনে রাজা নাহি সুখ লেশ । আমারে ত্যজিলে বনে পাবে বড় ক্লেশ ॥ নল বলিলেন সত্য যতেক কহিলে । ভাৰ্য্যা সম মিত্র আর নাহি ক্ষিতিতলে ॥ ত্যজিবারে পারি আমি আপন জীবন । তোমা ত্যাগ না করিব জানি কদাচন ॥ ভৈমী বলে মোরে যদি ত্যাগ না করিবে । বিদর্তের পথ কেন দেখাইয়া দিবে ॥