পাতা:কাশীদাসী মহাভারত.djvu/৪৬২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


BBBBB BBBBBBBBBBBBBBBBBBBBBBB BBBSBBBDDS পরদার আমি তাহ জানহ আপনে । কীচক বলিল শুন গন্ধৰ্ব্ব কি ছাঁর । পাপদৃষ্টি আমারে করিলে কি কারণে ॥ কাহার শকতি হয় অগ্ৰেতে আমার । গন্ধৰ্ব্ব আমার পতি যদ্যপি দেখিবে । । পঞ্চ গন্ধৰ্ব্বেতে রক্ষা করে বলি কয় । কুটুম্ব সহিত তোরে নিমিষে মারিবে ॥ সহজ গন্ধৰ্ব্ব হৈলে নাহি করি ভয় ॥ পঞ্চ গন্ধবের্বর আমি করি যে সেবন । নষ্টা স্ত্রী-প্রকৃতি যাহা নাহি জান তুমি । অনুক্ষণ রাখে মোরে সেই পঞ্চজন । দুষ্ট। স্ত্রীলোকের ঠাই শুনিয়াছি আমি । কালরাত্রি প্রভাত হইল আজি তোরে । ভ্ৰাতৃ কিম্বা পুত্র হোকু একান্তে পাইলে । র্তেই হেন দুষ্টভাষা কহিস আমারে ॥ বিহার করিতে ইচ্ছা হয় জানি ভালে ॥ তুমি যে এমন ভাষা আমারে কহিলে । মুখেতে সতীত্ব কহে অন্তরেতে আন । রবিহুত কিঙ্কর ধরিল তোর চুলে ॥ সেইমত সৈরিন্ধীরে কর অনুমান ॥ স্ববুদ্ধি পণ্ডিত যেই জ্ঞানবন্ত জন । যদি মোরে চাহ তবে বল শীঘ্ৰগতি । পরস্ত্রী দেখিলে হেট করয়ে বদন ॥ দাসী তারে কর ভয়, সোদরে অপ্রীতি ॥ দ্রৌপদার বাক্য শুনি কাঁচ ক দুঃখিত । রাণী বলে যত কহ কামের বশেতে । কামবাণাঘাতে হ’য়ে অত্যন্ত পড়িত ৷ মম বৰ্ণ নহে সেই কহিব কিমতে ॥ কাচক ভগিনী হল বিরাটের রাণী । সৈরিন্ধা লইতে নিজ মরণ ইচ্ছিলে । তfর স্থানে কহে গিয়া সবিনয় বাণী ॥ র্তেই হন ঢুকৰ্ম্মে ভগিনী নিয়োজিলে ॥ ক্সচেতন অঙ্গ প্রায় সঘনে নিশ্বাস । নিশ্চয় নিকট-মৃত্যু দেখি যে তোমার । কহিতে না পারে, কহে অৰ্দ্ধ অৰ্দ্ধ ভাষ ॥ যা ও শীঘ্ৰ পাঠাইব করিয়া প্রকার ॥ ভগিনীরে ধ বাক্য কহিতে না যুয়ায় । ভক্ষ্য ভোজ্য সামগ্রী রাখিবে গিয়া ঘরে । কামে হতচিত্ত হ'য়ে লল। নাহি পায় ॥ সৈরিন্ধ্রা পাঠাব স্থধা আনিবার তরে ॥ ভগিনা, দেখহ মম বাহরায় প্রাণ । শান্তিকথা সব তারে কহিবে প্রথম । যদি মোরে ঢাহ শীঘ্র কর পরিত্রাণ ॥ শান্তিতে ভজিলে হয় সকল উত্তম | সৈরিন্ধী আছিয়ে যেই তোমার সদনে । এত শুনি শীঘ্ৰ গৃহে করিল গমন । তাহারে আমায় দেহু তুমি এইক্ষণে ॥ য। বলিল ভগ্নী তাহা করিল তখন ॥ না দিলে সোদর-হত্য হইবে তোমার । তবে কতক্ষণে বিরাটের পাটরাণী । এখনি ত্যজিব প্রাণ তোমার গোচর । সৈরিন্ধা ডাকয় কহে সুমধুর বাণী ॥ মধুর বলিয়া তোষে বিরাটের রাণী । ফ্রাড়ায় ছিলাম আমি তৃষ্ণায় পীড়িত । কেন হেন কহ ভাই অনুচিত বাণী ॥ ভ্র? তৃগৃহ হৈতে স্থধ৷ আনহ ত্বরিত ॥ দাসা ছার লাগি কেন ত্যজিবে জীবন । হদেষ্ণার বাক্য শুনি যেন বজাঘাত । iদবার হইলে আমি দিতাম এখন ॥ ভয়েতে কম্পয়ে কৃষ্ণ যেন রম্ভাপতি ॥ অভয় দিয়াছি আমি লয়েছে শরণ । কৃষ্ণ বলে স্বতপুত্র নির্লজ্জ দুৰ্ম্মতি । দুষ্টমতি নহে সেই বুঝিয়াছি মন ॥ তার ঠাই যেতে মোরে না বলহ সতী ॥ চক্ষু মেলি নাহি চাহে পুরুষের পানে । প্রথমে তোমার স্থানে কহেছে সময় । তব ভাৰ্য্য হৈতে তারে বলিব কেমনে ॥ | রাখিলা আপন গৃহে করিয়া অভয় ॥ আছয়ে গন্ধৰ্ব্ব পঞ্চ তাহার রক্ষণ । আপন বচন দেবি করহ পালন । শান্ত হও ত্যজ ভাই সৈরিব্রীতে মন ॥ স্বধা আনিবারে তথা যাকু অন্যজন ।