পাতা:কাশীদাসী মহাভারত.djvu/৫৫৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


○ 8b" দ্যাং লিখস্তীং জটামেকাং লেলিহানাসবং স্বয়ং, মুছে হ’য়ে পড়িল উলুক অনুচর। সচেতন করিলেন তারে দামোদর ॥ চেতন পাইয়া চর চাহে চারি পানে । হাসিয়া তাহারে কৃষ্ণ কহেন তখনে ॥ দেখিছ উলুক চর রক্ষা নাছি আর । রুষিল অর্জন বীর কুন্তীর কুমার ॥ সত্য কথা কুরুগণে মারিবে নিমিষে । ত্ৰিভুবন নাহি অৰ্ণটে পার্থ যদি রোষে ॥ ধনঞ্জয় কহিলেন উলুকে চাহিয়া । মোর দম্ভ দুর্য্যোধনে শীঘ্ৰ কহ গিয়া ॥ সূতপুত্র সঙ্গে এস করিয়া সাজন । মোর হাতে তোমা সহ লইবে শমন ॥ ইন্দ্র যদি রক্ষা করে রক্ষা নাহি পাবে । অবশু্য আমার হাতে যমঘরে যাবে । এইরূপে পার্থ গৰ্ব্ব করেন বিস্তর । মন্দ্রিীর তনয় তবে কহিল সত্বর ॥ ধৃষ্টঢ়্যক্ষ সাত্যকি যতেক বীরগণ । একে একে উলুকেরে কহে সৰ্ব্বজন ॥ উলুক পাইয়া আজ্ঞা রথে আরোহিয়া । দুৰ্য্যোধনে সব কথা নিবেদিল গিয়া ॥ যে কহিল পাণ্ডবেরা কহিতে সে ভয় । কহিল নিষ্ঠুর কথা ভীম ধনঞ্জয় ॥ রাজা বলে কিবা ভয় কহত কাহিনী । কি কহিল ভীমসেন ধৰ্ম্ম নুপমণি ॥ কি কহিল ধনঞ্জয় মন্দ্রিীর নন্দন । ধৃষ্টদ্যুম্ন বিরাটাদি যত বীরগণ ॥ উলুক বলিল রাজা না কহিলে নয় । শুন যাহা বলিলেন ধৰ্ম্ম মহাশয় ॥ ধৃতরাষ্ট্র গান্ধারীর চাহি আমি মুখ । সে কারণে সহিলাম দিল যত দুঃখ ॥ কৃষ্ণেরে পাঠাই অগ্রে করিবারে প্রীতি । অহঙ্কারে না শুনিল গোবিন্দের নীতি ॥ ইহার উচিত শাস্তি হাতে হাতে পাবে। অচিরাতে সবংশেতে নিপাত হইবে ॥ ক্রোধে ভীম দপ করি বলিল বচন । মোর সম বলিষ্ঠ না দেখি কোনজন ॥ মহাভারত রাক্ষস দানব মোর অগ্রে নহে স্থির |গদার বাড়িতে তার নাশিব শরীর ॥ মাদ্রীর নন্দন আদি যত বীরগণ । একে-একে প্রতিজ্ঞা করে জনে জন । যে হয় উচিত রাজ করহ বিহিত । শুনি দুর্য্যোধন করে সৈন্য সমাহিত । আশ্বাসি কহিল সব যত যোদ্ধাগণে । মোর মনোবাঞ্ছা পূর্ণ কর সর্বজনে ॥ শুন কণ মহাবীর রাধার নন্দন । পরম বান্ধব তুমি মোর প্রাণধন ॥ পূর্বে অঙ্গীকার কৈলে সবার গোচরে। পাণ্ডবে মারিয়া রাজ্য দিবে হে আমারে। তাহার সমর এই হৈল উপনীত । করহ বিধান সখে ইহার উচিত ॥ কর্ণ বলে রাজা মোর সত্য অঙ্গীকার । প্রাণপণে কাৰ্য্য সিদ্ধ করিব তোমার ! যাবৎ শরীরে প্রাণ আছয়ে আমার । , তাবৎ সাধিব কাৰ্য্য শুন সারোদ্ধার ॥ এত শুনি দুর্য্যোধন হৈল হৃষ্টমন । বহু পুরস্কার কর্ণে দিল সেইক্ষণ ॥ কর্ণের জন্ম বিবরণ । জন্মেজয় জিজ্ঞাসিল কহ তপোধন । কুন্তীগর্ভে জন্মে কর্ণ বিখ্যাত ভুবন ॥ কৌরবের পক্ষে কেন র নন্দন । দেখিয়া ধরিল কুন্তী কিরূপে জীবন ॥ মুনি বলে শুন কুরুবংশ-চুড়ামণি । কৌরবের রণে গেল কণবীর শুনি ॥ বিদুরের মুখে শুনি এ সব বচন । চিত্তেতে চিন্তিত কুন্তী ভাবে মনে মন । আমার নন্দন কর্ণ কেহ না জানিল । র্য্যর ঔরসে জন্ম কর্ণের হইল ॥ দৈবের এ সব কথা বিধির ঘটন। রাধা যে পাইয়া পুত্র করিল পালন ঃ রাধার নন্দন বলি ঘোষে সৰ্ব্বজন । কেহ জ্ঞাত নহে কৰ্ণ আধাৰু নন্দন .