পাতা:কাশীদাসী মহাভারত.djvu/৬৩৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


やR8 ডাকিনী বামপশ্বস্থাং কল্পসূৰ্য্যানলোপমাম্ l [ মহাভারত । এতেক কহিয়া কৃষ্ণ কমললোচন । এক সরোবর কৈল অপূর্ব রচন ॥ নানা জাতি পক্ষীগণ ক্রীড়া করে তাহে । নানা পুষ্প ফুটে তার গন্ধে মন মোহে ॥ ংসগণ ক্রীড়া করে হংসীর সহিত । সারস সারসী ক্রীড়া করে আনন্দিত ॥ পদ্মের সৌরভে গন্ধ চতুর্দিকে যায় । লাখে লাখে মত্ত আলি মধুলোভে ধায় ॥ অমৃত সমান হৈল সরোবর-নীর । অশ্ব ল’য়ে তাহাতে নামেন যত্নবীর ॥ জলেতে ধোয়ান কৃষ্ণু অশ্বের শোণিত । অদ্ভুত দেখিয়া সবে হইল বিস্মিত ॥ অর্জনেরে ভূমে দেখি যত যোদ্ধাগণ । সন্ধান পূরিয়া করে অস্ত্র বরিষণ ॥ দেখিয়া অৰ্জ্জুন তবে পূরেন সন্ধান । আকর্ণ পুরিয়া বিন্ধিলেন দিব্য বাণ ॥ শূন্যেতে দোহার বাণ একত্র হইল । গ্রহের সদৃশ হয়ে শূন্যেতে রহিল ॥ আনন্দে গোবিন্দ তবে ল’য়ে অশ্বগণে । জলপান করালেন হরষিত মনে ॥ জলপানে অশ্বগণ হৈল বলবান । পূর্বের সদৃশ হৈল করি জলপান ॥ তবে কৃষ্ণ অশ্বগণে লইয়া সংহতি । রথেতে উঠেন গিরা অতি শীঘ্ৰগতি ॥ অশ্বগণে রথে যুড়ি বলেন অর্জুনে । বলবান হৈল অশ্ব দেখ জলপানে ॥ অতঃপর রথে আসি চড় মহামতি । রথ চালাইয়। আমি দিব শীঘ্ৰগতি ॥ এত শুনি ধনঞ্জয় ধনুঃশর হাতে । এক লাফ দিয়া বীর চড়িলেন রখে ॥ কৃতাঞ্জলি অর্জন কহেন সবিনয় । এক নিবেদন করি শুন মহাশয় ॥ তোমার চরিত্র আমি বুঝিতে না পারি। আপন বৃত্তান্ত মোরে কহ কৃপা করি ॥ নিরবধি অপরাধ করি তব স্থান । চিনিতে না পারি আমি বড়ই অজ্ঞান ॥ শ্ৰীকৃষ্ণ বলেন পার্থ না কর বিস্ময়। মম পরিচয় তোমা দিব ধনঞ্জয় ॥ এত বলি দেন কৃষ্ণ চালাইয়া হয় । ধনু ধরি করেন সমর ধনঞ্জয় ॥ দ্ৰোণপৰ্ব্ব স্থধারস জয়দ্ৰথ বধে । কাশীরাম দাস কহে গোবিন্দের পদে ॥ ভূরিশ্রব কর্তৃক সাত্যকির পরাজয় । মুনি বলে শুন পরীক্ষিতের তনয় । যেইমতে সাত্যকির হইল পরাজয় ॥ একদিন বাহুদেব পিতৃশ্ৰাদ্ধ কালে । নিমন্ত্ৰণ করি যত কুটুম্ব আনিলে ॥ সোমদত্ত বাহলীক যে পাঞ্চাল রাজন। শাল্ব শিশুপাল এল' পেয়ে নিমন্ত্রণ ॥ আইল অনেক রাজা না ছয় বাথান । সবাকারে বাসুদেব করে অভু্যুথান । বিচিত্র আসনে বসাইল সৰ্ব্বজন । তার মধ্যে সোমদত্ত করিল গমন ॥ সভার মধ্যেতে যদি সোমদত্ত গেল । সোমদত্ত দেখি শিনি ক্রোধেতে জ্বলিল । বাসুদেব খুড়া শিনি সাত্যকির বাপ । সোমদত্তে দেখি শিনি পাইলেক তাপ ॥ ডাকিয়া বলিল শিনি শুন সোমদত্ত । সভামধ্যে বৈল তুমি এ কোন মহত্ত্ব ॥ আমা সব না মানিস্ কোন অহঙ্কারে । পৃথিবীর মধ্যে কেবা না জানে তোমারে । মৰ্য্যাদা থাকিতে শীঘ্ৰ যাও পলাইয়া । আপন সদৃশ যোগ্যস্থানে বৈস গিয়া ॥ এত শুনি সেমিদত্ত ক্রোধেতে জ্বলিল । অগ্নির উপরে যেন ঘৃত ঢালি দিল ॥ সোমদত্ত বলে শিনি না করিস গৰ্ব্ব । তোমার মহত্ত্ব যাহা আমি জানি সৰ্ব্ব ॥ এতেক উত্তর মোরে করিস বর্বর্বর । কোন অর্থে নুন আমি পৃথিবী ভিতর ॥ তোমা হৈতে নূ্যন কেব৷ আছয়ে ররণী । মম অগোচর নহে সব আমি জানি ॥