পাতা:কাশীদাসী মহাভারত.djvu/৭৫৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


_শক্তিপৰ্ব্ব । ] ব্রাহ্মণের নিন্দ যেই করে অনুক্ষণ । পিতৃ মাতৃ নিন্দে যেই বেশ্বাপরায়ণ ॥ বিষ্ণুভক্তি আশ্রয় করিয়া যেইজন। পরনারী সঙ্গে সদা করয়ে রমণ ॥. তাহারে আনিবি তোরা প্রহার করিয়া । নাসিক ছেদন করি পাশেতে বান্ধিয়া ॥ পরনারী হরে যেবা হইয় অজ্ঞান । সভামধ্যে গুরুজনে করে অপমান ॥ তাহারে আনিবি তোরা আমার সদন । হাতে গলে মহাপাশে করিয়া-বন্ধন ॥ দেবতা উদ্দেশে দ্ৰেব্য আনি যেই জন । দেবতারে নাহি দিয়া করয়ে ভক্ষণ ॥ লৌহপাশে বান্ধি তারে আনিবে হেথারে । , করিয়া প্রহার মাথে লৌহের মুদগরে ॥ ধৰ্ম্ম বিল্পকর আর বিদ্বেষী যেই জন । উপহাস করে দ্বিজে হৈয়া দুষ্টমন । হেথকারে বান্ধি তোরা আনিবি তাহারে । পরবৃত্তি হরে যেবা জন্মিয়া সংসারে ॥ পরভাৰ্য্যা হরে যেবা বলাৎকার করি । অজ্ঞান হইয়া যেবা হরয়ে কুমারী ॥ তাহারে আনিবি তোরা করিয়া বন্ধন । এইরূপ পাপ আচরয় যেই জন ॥ এত শুনি বিস্ময় মানিল দূতগণ । করযোড়ে ধৰ্ম্মরাজে করয়ে স্তবন ॥ এ সকল কথা পিতা করিয়া শবণ । অবশেষে পাপ মম হইল খণ্ডন ॥ বিধিমতে যম মোরে করিল পূজন । স্বগ হ’তে দিব্য রথ আইল তখন ॥ অজ্ঞানে হইল একাদশী আচরণ ॥ সেই পুণ্যে হ’ল মম স্বর্গে আরোহণ ॥ কোটি কোটি বর্ষ তাত স্বগে হৈল স্থিতি । তদন্তরে ব্রহ্মলোকে করিমু বসতি ॥ কোটি যুগ ব্ৰহ্মলোকে করিয়া-ভ্রমণ । তোমার ঔরসে আসি হুইল জনম ॥ দিব্যজ্ঞানে পাপ মোর না হয় বাধক । সে কারণে একাদশী করিমু সাধক ॥ " ভষ্মক্ৰতং মধ্যস্থাদি রক্তরিক্তঞ্চ কুকুমৈঃ ॥ R8సి ইহার বৃত্তান্ত এই কছিলাম পিতঃ। শুনিয়া গালব মুনি হইল বিস্মিত ॥ আনন্দিত হৈয়া পুত্রে করিল চুম্বন। সেই হৈতে হৈল মুনি হরি পরায়ণ ॥ মহাভারতের কথা অমৃত লহরী। একচিত্তে শুনিলে তরয়ে ভববারি ॥ শাস্তিপৰ্ব্ব ভারতের অপূৰ্ব্ব কথন । সাবহিত হইয়া শুনয়ে যেই জন ॥ মনোবাঞ্ছা ফল লভে নাহিক সংশয় । ব্যাসের বচন ইথে কভু মিথ্যা নয় ॥ মস্তকে বন্দিয়া ব্রাহ্মণের পদরজ । কহে কাশীদাস গদাধরের অগ্রজ ॥ হরিমন্দির মার্জনের ফল । ভীষ্ম বলিলেন শুন রাজা ধৰ্ম্মরায় । আর কিছু ধৰ্ম্মকথা কহিব তোমায় ॥ গোবিন্দেরে করয়ে যে স্তুতি আচরণ ! নানা উপহার দিয়া করয়ে পূজন ॥ সোমবার দ্বাদশী দিবস শুভক্ষণে । ক্ষীর জলে স্নান যে করায় নারায়ণে ॥ বংশের সহিত যায় বৈকুণ্ঠ ভুবন । কদাচ না পায় সেই যমের তাড়ন ॥ ভাদ্রমাসে কৃষ্ণাষ্টমী রোহিণী লক্ষণে । ক্ষীরজলে স্নান যে করায় নারায়ণে ॥ উপবাস করি হরি করয়ে চিন্তন । ত্রিভঙ্গ ললিত দিব্য মূৰ্ত্তি নারায়ণ ॥ সৰ্ব্বপাপে মুক্ত হয় সেই মহাশয় । ংশের সহিত হয় বৈকুণ্ঠে বিজয় ॥ গোবিন্দ-মন্দির যেই করয়ে মার্জন । তাহার পুণ্যের কথা না যায় কথন । অজ্ঞানে সজ্ঞানে করে নাহিক বিচার । সৰ্ব্ব ধৰ্ম্ম লভে সেই মহাপাপে পার ॥ পূৰ্ব্বে শুনিলাম আমি দেবলের মুখে । | সেই হেতু মহারাজ কহিব তোমাকে ॥ সাবধান হ’য়ে রাজা শুন একচিত্তে । যজ্ঞধ্বজ নাম ছিল ইক্ষাকু বংশেতে ॥