পাতা:কাশীদাসী মহাভারত.djvu/৮১৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অশ্বমেধপর্বর্ব । l তপোবনে মুনিস্থানে করহ প্রস্থান । দুঃখ না ভাবিও তুমি শুনহ অর্জুন n · প্রদ্যুম্ন অর্জুন আর কত রথিগণে । মনি সম্ভাষিতে সবে গেল তপোবনে ॥ /সাঁভরি রহিয়াছেন আপন আশ্রমে । শিমাগণ বসিয়াছে র্তার বিদ্যমানে ॥ বেদ শাস্ত্র পাঠ দেন আনন্দিত মনে । ধনঞ্জয় কামদেব গিয়া সেইখানে ॥ প্ৰণিপাত করিলেন ভূমিষ্ঠ হইয়া । iনজ পরিচয় দেন বিনয় করিয়া ৷ পাণ্ডুর তনয় যুধিষ্ঠির নরপতি । অশ্বমেধ করিলেন কৃষ্ণের সংহতি ॥ আমরা আইনু অশ্ব করিতে রক্ষণ । অৰ্জ্জুন আমার নাম শুন তপোধন ॥ ভ্ৰমিতে ভ্ৰমিতে অশ্ব আইল কানন । পাষাণ ধরিল পোড়া না জানি কারণ ॥ ভয় পেয়ে নিবেদন চরণে তোমার । কহ কহ মহামুনি কি হবে আমার । জ্ঞাতবধ পাপে রাজা উৎকণ্ঠিত মন । ম; হুইল যজ্ঞ সাঙ্গ শুন তপোধন ৷ সঙ্গুন কছেন যদি এতেক উত্তর । শুনিয়া ঈষৎ হাসি কহে মুনিবর ॥ শুন শুন পার্থ তুমি বচন আমার ; চিত্তের সন্দেহ কেন না ঘুচে তোমার ॥ অখিল ব্রহ্মাণ্ডনাথ তোমার সারথি । তাথাপিও পাপ বলে মনে ভাব ভীতি ॥ কোটি ব্ৰহ্মহত্যা যায় র্যাহার স্মরণে । হেন কৃষ্ণ নাম তুমি নাহি লও কেনে । না দেখি যে কিছু ভক্তি তোমার অন্তরে । সখী বলি জান তুমি দেব গদাধরে ॥ হিংসাতে পূতনা পায় কৃষ্ণের শরীর । জ্ঞাতিবধ পাপে কেন ভাবে যুধিষ্ঠির । সতত সম্মুখে যেই দেখে নারায়ণ । পাপ নাহি থাকে তার পাণ্ডুর নন্দন ॥ তবে যদি অশ্বমেধে করিয়াছ মতি । পাইবে যজ্ঞের হয় না করই ভতি । দক্ষোৰ্দ্ধাদক্ষবরদ করকা দণ্ড মাহবয়েৎ । Եր a Զ ব্ৰহ্মশাপে শিলাতলু হুইল ব্রাহ্মণী । চণ্ডী নামে উদালক মুনির রমণী ॥ তুমি পরশিলে তার হইবে মুকতি । পাইবে পূর্বের তনু শুন মহামতি ॥ মুক্ত হইবেক অশ্ব শুন মহাশয়। গোবিন্দ বান্ধব তুমি না করিহ ভয় । শুনিয়া এসব কথা সোঁভরি বদনে । অশ্ব পাশে আইলেন আনন্দিত মনে ॥ মুনির বচনে তবে আনন্দ অন্তরে । শিল পরশিয়া উদ্ধারেন অশ্ববরে ॥ অৰ্জ্জুন শিলাকে স্পশিলেন দুই করে। শিলারপ পরিহরি নারীরূপ ধরে ॥ বহুমতে অৰ্জ্জুনেরে করিল স্তবন । তোমার পরশে হৈল এ পাপ মোচন ॥ তুমি নারায়ণ ইথে নাহি করি আন । শাপ হ’তে আমারে করিলে পরিত্রাণ ॥ মুক্ত হ’য়ে নিজালয়ে গেলেন ব্রাহ্মণী । পাণ্ডবের সৈন্য দিল জয় জয় ধ্বনি ৷ মহাভারতের কথা অমৃত লহরী। কাশীরাম দাস কহে ভবভয় তরি ॥ ব্ৰাহ্মণর পাষাণ ইবাৰ বুজাস্ত । জন্মেজয় রাজ বলে শুন তপোধন । ব্রাহ্মণী পাৰাণ ছৈল কিসের কারণ ॥ অভিশাপ কেন মুনি দিলেন তাহাকে । কৃপা করি সেই কথা কহিবে আমাকে ॥ বলেন বৈশম্পায়ন শুন নরপতি । মন দিয়া শুন কহি ব্যাসের ভারতী ॥ উদালক নামে মুনি ছিল তপোবনে । চণ্ডী নামে র্তর ভার্য্য। বিখ্যাত ভুবনে ॥ বিবাহ কাণ্ডুয়া মুনি ছিল নিকেতনে । চণ্ডকে বুঝান মুনি বিবিধ বিধানে ॥ অামি তব স্ব মা বটে হই গুরুজন । যতনে পালিবে তুমি আমার বচন ॥ চণ্ডী বলে তব বাক্য আমি না শুনিব । তুমি যাহা বল তাহা আমি না করিব ।