পাতা:কাশীদাসী মহাভারত.djvu/৮২০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


سیbہ میb শক্ৰাধদৈত্তং ধ্যারেন্থটি প্রভাৈিদৰত 1. [ মহাভারত । এ বড় অধিক ছুঃখ রহিল অন্তরে । অৰ্জ্জুন সহিত কৃষ্ণ না দেখি সমরে ॥ ওহে কৃষ্ণ রক্ষা কর অকাল মরণ । তপ্ত তৈলে মোরে রক্ষা কর নারায়ণ ॥ উচ্চৈঃস্বরে স্বধম্বা ডাকিছে নারায়ণে । সঙ্কটে রাখিতে কেহ নাহি তোমা বিনে ॥ এত বলি সুধম্বা জপিছে কৃষ্ণ নাম । ইহা শুনি শোকে লোক হইল অজ্ঞান ॥ স্বমতি পাত্রের পুত্র ধরি সুধম্বারে । ফেলাইয়া দিল তপ্ত তৈলের উপরে ॥ ভক্ত বুঝি তাহারে রাখেন নারায়ণ । তপ্ত তৈল হৈতে তার নছিল মরণ ॥ সুধম্বা বসিয়া আছে তৈলের ভিতরে । তৈলে বসি কৃষ্ণনাম ডাকে উচ্চৈঃস্বরে ॥ ঘন ঘন হরিনাম ডাকিছে সুধম্বা । | নৃপতির সভায় হেথা উঠিলেক কান্ন ॥ শুন রাজা জন্মেজয় কহিনু তোমারে । পড়িল স্থধস্ব তপ্ত তৈলের ভিতরে ॥ ভক্ত বুঝি তাহারে রাখেন নারায়ণ । তপ্ত তৈলে স্থধম্বার নহিল মরণ ॥ i শ্ৰীজন্মেজয় বলে কহ মহামুনি । কি কৰ্ম্ম স্থধস্ব কৈল কহ দেখি শুনি ॥ اسے n_} তপ্ত তৈলে স্নধস্বর পতনে রাণীর শোক । না দেখিয়া স্থধস্বারে,কান্দিতেছেউচ্চৈঃস্বরে, ভূমিতে লোটায়ে সৰ্ব্বজন । কেহ মনে ছুঃখ পেয়ে, রাজার সম্মুখে গিয়ে, কহিলেন সুধম্ব নিধন ॥ তাহ শুনি পুরোহিতে,রাজাকহে দুঃখচিত্তে, স্থধম্বা মরিল তৈল পাশে । রক্ষা পায় ধৰ্ম্মপথ, রহিল শাস্ত্রের মত, দেখিবারে চলহু হরিষে ॥ তবে হংধাজ রায়, ধরি পুরোহিত পায়, তৈল পাশে আনিল সত্বরে। তাহাতে বেড়িয়া লোক,করে নানাবিধশোক, রণস্থলে প্রবেশিবে, এত বলি সে রাজন, নLদেখি বৈষ্ণব স্থধম্বারে ॥ -مے হংসধ্বজ নরপতি, বিহালে পড়িয়া ক্ষিতি, পুত্ৰশোকে হরিল চেতন । কেহ জল দেয় মুখে, কর্ণমূলে কেহ ডাকে, পুত্ৰশোকে মুর্চিস্থত রাজন ॥ নগরে বনিত ধেয়ে, সমাচার দিল গিয়ে, সুধম্বার জননি যেখানে । শুন শুন ঠাকুরাণী, স্বধস্ব ত্যজিল প্রাণী, অগ্নি সহ ভৈলের মিলনে ॥ শুনি অমঙ্গল কথা, চলে স্থধস্বর মাত, ত্যজিয়া চলেন অন্তঃপুরী । বধূগণ চলে সাথে, শোকাকুল হয়ে চিতে, প্রভাবতী স্থধস্বার নারী ॥ লজ্জা ভয় নাহিকরে,কান্দেরামা উচ্চৈঃস্বরে কোথা প্ৰভু বৈষ্ণব সুধম্বা । , রণস্থলে প্রবেশিয়ে, কে ধরিবে ধনঞ্জয়ে, কৃষ্ণকে দেখাবে কোন জন ॥ ধরিয়া রাজার পায়, কান্দে রাণী উভরায়, কেন কৈলা নিদারুণ পণ । অর্জনেরে পরাজিবে, মিছে তুমি করিলে ভাবন ॥ রাজা বলে উঠ পুত্র, লহ তুমি নানা অস্ত্র, পরাভব করহ অর্জুনে । আছিল সে অভিলাষ, দেখিবারে শ্ৰীনিবাস, আনিয়া দেখাও নারায়ণে ॥ - পুত্ৰশোকে অচেতন, প্রবোধ করয়ে রাজরাণী । শোকসিন্ধু তেয়াগিয়া, অর্জনেরে পরাজিয়া, আনিয়া দেখাও চক্রপাণি ॥ পুলকে পূর্ণিত হয়ে, নৃপ অগ্রে পাত্ৰ ধেয়ে, কহিছেন শুন মহারাজ । স্থধস্ব না মরে তৈলে, বলিয়াছে কুতূহলে, যেন দেখি প্রফুল্ল পঙ্কজ ॥ মহাভারতের কথা, শ্রেবণে ঘুচয়ে ব্যথা, কলির কলুষ হয় নাশ । কমলাকাস্তের স্থত, স্বজনের মনঃপূত, বিরচিল কাশীরাম দাস ॥