পাতা:কৃষিতত্ত্ব - নীলকমল লাহিড়ী.pdf/৪৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

কৃষিতত্ত্ব । Yoዓ থাকিবে, ওদিগে উক্ত মতে চারা উঠাইয়া জলে রাখিবে, ক্ৰমে ক্ষেত্ৰ প্ৰস্তুত হইতে থাকিবে, ক্ৰমে চারা উঠান হইবে, যথা সময়ে রোপণ করিবার নিমিত্ত ত্বরাব্বান হইবে। জ্যৈষ্ঠ মাস হইতে আষাঢ় পৰ্যন্ত গচিবিছনা চার ও শ্রাবণ হইতে ভাদ্র মাস গচি ও নেওচা উভয় চারা উঠাইয়া স্থানান্তরে রোপণের সময় । আশ্বিন মাসের প্রথমাৰ্দ্ধেও রোপণ করা যায়; কিন্তু তাহাতে সুবিধা হয় না । যে ভূমিতে চারা রোপণ করিবে, সেই ভূমির অবস্থা বিবেচনায় চারি ত ছয় বারা পৰ্য্যন্ত কর্ষণ করিতে হয় ৷ প্ৰতিবার কর্ষণের পর এক একবার মই দিবে। জলযুক্ত ক্ষেত্র ভিন্ন চারা রোপণের কাৰ্য্য হয় না। অতএব জলযুক্ত ভূমি উক্ত প্রকারে চাষ করির ক্ষেত্ৰ কৰ্দমিত করিবে। বৃষ্টি হইয়া ক্ষেত্রে জল হইলে চাষের উপযুক্ত হয়। বৃষ্টি হইবার পূৰ্ব্বে জল রক্ষার নিমিত্ত ক্ষেত্রের চতুষ্পার্শ্বে এক ফুটের নূ্যন নয়। এই পরিমাণ আলি বান্ধিবে। যদি পুৰ্ব্বতন আলির কোন স্থানে ভগ্ন হয়, তাহার সংস্কার করিবে । জ্যৈষ্ঠ মাসে দুই দুইটী আষাঢ় মাসে চারি চারিটীি শ্রাবণ মাসে ছয় ছয়টি ভাদ্র মাসে আট আটটা চারা এক এক স্থানে রোপণ করিবে । এই সাধারণ নিয়মের সামান্যতঃ উল্লেখ করা হইল, কিন্তু কৃষকের এই বিবেচনা করিয়া কাৰ্য্য করিতে হইবে যে, যত অগ্ৰে রোপণ করা হয়, তত চারা অল্প লাগে । এতাবত মাসের প্রতি দৃষ্টি না করিয়া ভূমির ও সময়ের অবস্থা বিবেচনা করিয়া মাস শেষ হইবার পূর্বেই চারার সংখ্যা বাড়াইবে । জ্যৈষ্ঠ ও আষাঢ় মাসে এক এক ফুট ব্যবধান করিয়া চারা রোপণ করিবে, তৎপরে ইহার অপেক্ষা কিছু ঘন ঘন রোপণ করিলে ভাল হয়। চারা রোপণ করিবার পর জল শুকাইয়া মৃত্তিক নীরস হইলে চারা সকল মরিয়া যায়। মৃত্তিকাতে রস থাকিলে মরে না, কিছু দিন পরে বৃষ্টি হইলে পুনৰ্ব্বার সতেজ হয়। চারার গোড়ায় নিয়ত জল থাকিলেই উত্তম হয়। এই ধান্যের গাছের কবল অগ্রভাগ জলের উপর থাকিয়া অপর সমুদয় অংশ ডুবিয়া থাকিলেও কোন ক্ষতি হয় না। সমুদয় গাছ একবারে ডুবিয়া গেলে " दिन छे झूक्ष । কাৰ্ত্তিক মাসেও কিঞ্চিৎ বৃষ্টির জলের বিশেষ প্রয়োজন। এই সময় বৃষ্টি