পাতা:গোবিন্দ দাসের করচা.djvu/১৫১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


હર গোবিন্দ দাসের করচ। প্রভূর ইঙ্গিতে তবে ভূপতির ঠাই। जांभांछ ८गां८कब्र छाग्न भू४ि डिक क्रांहे ॥ ভিক্ষা দিয়া মহারাজ করিলা গমন । নিত্য ক্রিয়া গোর চাদ করে সমাপণ ॥ পশ্চিমেতে প্রভাতে উঠিয়া চলে যাই । কিছু দূর গিয়া মোরা মহানদী পাই ॥ বড় বেগবতী নদী দেখিতে সুন্দর। তার মধ্যে বেগে চলে বিস্তর পাথর। নদী পার হয়ে মোর গোরা বিনোদিয়া । আমেদাবাদের কাছে পৌছছিল গিয়া ৷ আশ্চর্য্য আমেদাবাদ জাকের সহর । কতই উদ্যান কত গৃহ মনোহর ॥ বড় বড় অট্রালিকা মধ্যে শোভা পায় । নিরত দেশের লোক অতিথি সেবায় ॥ গ্রাম্য লোক অতিথিরে দেবতুল্য মানে। অতিথির সেবা তার করে প্রাণপণে ॥ প্রভুর রূপেতে লোক মোহিত হইয়া । ভক্তি ভাবে চারিদিকে দাড়ায় আসিয়া ॥ কেহ বলে শুন শুন নবীন সন্ন্যাসী । ভিক্ষণ দেই সেবা কর মোর গৃহে আসি ॥ প্রভু বলে না যাইব গৃহীর আগারে। আজি রাত্রি কাটাইব নন্দিনীর ধারে ॥ নন্দিনী বাগান এক বাগিচা স্বন্দর। তার ধারে আড্ডা করে প্রভু বিশ্বম্ভর ॥ ইহ দেখি গ্ৰাম্য লোক ভিক্ষণ আনি দিল । রজনীতে গেরা চাদ ভোগ লাগাইল ॥ বহু লোক জন আসি প্রভুরে বেষ্টিয়া। * ভক্তি ভরে কথা কহে সন্ন্যাসী দেখিয়া ॥ এক জন পণ্ডিত আসিয়া দেখা দিল । শ্ৰীভাগবতের শ্লোক পড়িতে লাগিল ॥ প্রভু বলে কৃষ্ণগুণ গাহ ভাল করি। ইচ্ছা হয় শ্লোক শুনি সমস্ত পাশরি ॥ ভাগবত নিত্য তুমি কর আলোচনা। .তোমারে দেখিলে ঘুচে সংসার যাতন ॥ প্রতিদিন কর তুমি কৃষ্ণগুণগান। ধন্য ধন্ত বিপ্ৰ তুমি বড় ভাগ্যবানু ॥ প্রভুর সহিত বিপ্র করি আলাপন । সমস্ত লোকেরে ডাকি কহিলা তখন ॥ ভাল করি কর সবে সন্ন্যাসীর সেবা । সন্ন্যাসী সামান্ত নহে হবে কোন দেবা ॥ ইহারে দেখিলে হয় বৈরাগ্য উদয় । সামান্ত মানুষ নহে জানিহ নিশ্চয় ॥ না পারি লোকের বুলি সমস্ত বুঝিতে। যাহা পারি তাহা লিখি আকার ইঙ্গিতে ॥ এই দেশে তীর্থ পৰ্য্যটিয়া দীর্ঘকাল । সকলের বুলি বুঝে শচীর জুলাল ॥ দুই চরি বাত কতু প্রভুরে পুছিয়া । করচা করিয়। রাখি মনে বিচরিয়া ॥ যেই লীলা দেখিলাম আপন নয়নে । করচা করিয়া রাখি অতি সঙ্গোপনে ॥ সদ। উন্নমত প্ৰভু কৃষ্ণপ্রেমাবেশে । তীর্থে তীর্থে ঘুরিয়া বেড়ায় দেশে দেশে। আমেদাবাদের মধ্যে বহু লোক জুটি। প্রভুরে দেখিতে সব আসে গুটি গুটি ॥ বহু লোক চারি পাশে দেখি গোরা রায় । আনন্দে মাতিয়া নাম সকলে বিলায় ॥ প্রভু বলে ভক্তি ভরে নাম কর সবে। সব তাপ দুরে যাবে দুঃখ নাছি রবে । কাহাকেও না করিবে ঘৃণা গৰ্ব্ব ভরে। গৰ্ব্ব শূন্ত হয়ে বল হরে কৃষ্ণ হরে। বিদ্যার গৌরবে নহে পণ্ডিত সে জন । ভক্তি রসে যে জনের শুদ্ধ নাহি মন ॥