পাতা:চিঠিপত্র (ঊনবিংশ খণ্ড)-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১৮৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অবদান” শীর্ষক একটি ছড়াও রচনা করে দিয়েছিলেন রবীন্দ্রনাথ। ছড়টির প্রথম ছত্ৰ— “গলদা চিংড়ি তিংড়ি-মিংড়ি”। এই ছড়াটির সঙ্গে একটি মুখবন্ধ যুক্ত ছিল। (দ্র. রবীন্দ্রনাথের পত্র-২৫) 血 প্রসঙ্গত কৌতুক চিত্রসহ ছড়টি “শনিবারের চিঠি’র ১৩৪৬ অগ্রহায়ণ সংখ্যায় প্রকাশিত হয়। কবিতাটির রচনাকাল বিষয়ে একটি কথা এখানে উল্লেখযোগ্য। “ ‘ছড়া’ বইটির প্রথম প্রকাশকাল থেকে এখনও পর্যন্ত– এর শেষতম মুদ্রণ (জ্যৈষ্ঠ ১৩৯৫) পর্যন্ত কবিতাটির তারিখ দেওয়া আছে “১৯ নভেম্বর ১৯৪০’। বিভিন্ন রচনাবলীতে (বর্তমান রচনাবলীতেও) ওই একই তারিখ মুদ্রিত আছে। কিন্তু কবিতাটির তারিখ ১৯ নভেম্বর ১৯৩৯। পাণ্ডুলিপিতে এই তারিখই দেখা যায়।” (দ্র, রবীন্দ্র-রচনাবলী ষোড়শ খণ্ড, পশ্চিমবঙ্গ সরকার, পৃ. ৪৭৪) পত্র-২৬ ১ রচনাবলী সংস্করণের প্রথম দিকে রবীন্দ্রনাথ “প্রাক সন্ধ্যাসঙ্গীত যুগের” রচনাগুলিকে আমল দিতে কুষ্ঠিত ছিলেন। হওয়া প্রয়োজন। সজনীকান্ত এই মর্মে কবির বাল্য ও কৈশোরের জন্য রবীন্দ্রনাথের কাছে আবেদন করেছিলেন। রবীন্দ্রনাথ জোর গলায় বলেছিলেন—“সাহিত্যের ক্ষেত্রে আমি ইতিহাসের ধারা মানিনে।” ‘আত্মস্মৃতিতে সজনীকান্ত লিখেছেন– “কবি শেষ পর্যন্ত অনেক অনুনয়বিনয়-ধস্তাধস্তির পর “আচলিত সংগ্রহ’ আখ্যা দিয়া “রচনাবলী’র কয়েকটি খণ্ড প্রকাশে অনুমতি দিলেন।” (দ্র, ‘আত্মস্মৃতি’, পৃ. ৫৩৭) “শনিবারের চিঠি’তে সজনীকান্ত লিখেছেন—“রবীন্দ্রনাথের ঝড়তিপড়তি লেখা সংগ্রহ ও প্রকাশে তাহার যে আপত্তি ছিল না” উল্লেখিত দলিলটি তারই সাক্ষ্য। (দ্র, রবীন্দ্রশতবার্ষিকী সংখ্যা “শনিবারের চিঠি’ (سراوان - ۹ ماری لا }C{it را وا هم