পাতা:চিঠিপত্র (ঊনবিংশ খণ্ড)-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/২০০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


রবীন্দ্রনাথের শারীরিক পরিস্থিতির জন্য সভাপতি রূপে তাকে পাওয়া তখন অসম্ভব জেনেও, পত্ৰযোগে সজনীকান্ত কবিকে সনির্বন্ধ অনুরোধ করে প্রস্তাবটি জানিয়েছিলেন। এই চিঠিতে কবি তারই উত্তর দিয়েছেন। ২ ১৯৪০ সালে চণ্ডীদাসকে নিয়ে সেই সময় বাঁকুড়া ও বীরভূম জেলার মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়। ৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৪০, সজনীকান্ত শান্তিনিকেতনে কবিসকাশে উপস্থিত হলে—ওই দিন সেখানে বাঁকুড়া জেলার কয়েকজন গণ্যমান্য ব্যক্তি রবীন্দ্রনাথকে বাঁকুড়া জেলার সাহিত্য সম্মিলনী সভায় যোগদানের জন্য আমন্ত্রণ জানাতে এসেছিলেন। তৎকালীন বাঁকুড়া জেলা অধিকর্তা ও বর্ধমানের অস্থায়ী কমিশনার ছিলেন বিখ্যাত অধ্যাপক হীরালাল হালদারের পুত্র, সুধীন্দ্রকুমার হালদার (আইসিএস)। তার স্ত্রী, কলকাতায় বিখ্যাত চিকিৎসক প্রাণকৃষ্ণ আচার্যের কন্যা, উষা দেবী ছিলেন রবীন্দ্রনাথের একান্ত স্নেহাস্পদা। এই হালদার দম্পতিই ছিলেন বাঁকুড়ার সাহিত্য সম্মেলনের প্রধান উদ্যোগী। এবং এদেরই আগ্রহাতিশয্যে রবীন্দ্রনাথ ওই বয়সে বাঁকুড়ায় সাহিত্য-সভায় যোগদানে সম্মত হয়েছিলেন। ‘আত্মস্মৃতিতে সজনীকান্ত লিখেছেন :– “ইহাদের প্রার্থনা শ্রদ্ধেয় রামানন্দ চট্টোপাধ্যায় মহাশয়ের অনুরোধ সম্পূক্ত ছিল। আমি স্পষ্ট বুঝিতে পারিলাম এই সভার মূল উদ্দেশ্য রবীন্দ্রনাথের সাহায্যে বাঁকুড়ায় চণ্ডীদাসকে প্রতিষ্ঠিত কর।” (দ্র, ‘আত্মস্মৃতি’, পৃ. ৫৪৫-৪৬) এই প্রসঙ্গে অধ্যাপক জগদীশ ভট্টাচার্য লিখেছেন—“বীরভৌমিক ছাতনাপন্থীরা তার সমর্থন আদায়ের চক্রান্ত করেছেন। সজনীকান্ত অন্তরঙ্গ অবসরে এ বিষয়ে কবিকে সচেতন করিয়ে দিলেন।” তারই ইঙ্গিত রয়েছে ‘চাণ্ডীদাসিক চক্রবাত্যার মধ্যে। (দ্র, ‘রবীন্দ্রনাথ ও সজনীকান্ত’, পৃ. ১৯১) ৩ ৪ মার্চ, ১৯৪০। প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায় লিখেছেন : “বাঁকুড়ায় কবি ছিলেন হিলহাউস নামে একটি বাড়িতে (১-৩ মার্চ ১৯৪০ : ১৭-১৯ ফাল্পন › ዓ ዓ > તે ll S ૨