পাতা:চিঠিপত্র (ঊনবিংশ খণ্ড)-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/২১৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


প্রসঙ্গত কাব্য-পরিচয়ের আদি ও মধ্য-যুগের নির্বাচন কার্য সমাধানের পথে জেনেও রবীন্দ্রনাথের উদবেগ ও অশান্তির পরিধি ছিল না। নানা দিক থেকে তরুণ কবির দলের—বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ, অনুরোধ ও নির্দেশে তার অশান্তির মাত্রা ধৈর্যের সীমা লঙ্ঘন করে। ১১ নভেম্বর ১৯৩৮ রবীন্দ্রনাথ সজনীকান্তকে লিখলেন “কাব্য পরিচয়ের আদ্য ও মাধ্যদের শ্রাদ্ধ সমাধা হয়ে গেছে—সুতরাং তারা অশান্তি ঘটাবেন না। অন্তরা ভয়াবহ।” (দ্র, রবীন্দ্রনাথের পত্র-১৭) ৪ দ্র, রবীন্দ্রনাথের লেখা চিঠি সংখ্যক-১৭। সূত্র ১ পত্র-৯ ১ ১৬ নবেম্বর, ১৯৩৮, সজনীকান্ত ঢাকা থেকে কলকাতায় ফিরে এসেছিলেন। ২ এই চিঠিতে সজনীকান্ত, রবীন্দ্রনাথের লেখা ১ ১/১১/৩৮ তারিখের চিঠির প্রাপ্তি সংবাদ জানিয়েছেন। (দ্র, রবীন্দ্রনাথের পত্র-১৭) ৩ দ্র, রবীন্দ্রনাথের লিখিত পত্র সংখ্যা-১৪ । সূত্ৰ-৬ ৪ বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ পত্রিকায়, ‘বাংলা ভাষা পরিচয়’এর ভূমিকাটি প্রকাশিত হবার পূর্বে সজনীকান্ত রবীন্দ্রনাথের অনুমোদনের জন্য প্রফাঁট শঞ্জিনকেতনে পাঠিয়েছিলেন। কারণ প্রয়োজনে কিছু রদবদল করতে হয়েছিল প্রবন্ধটিতে। পত্র- ১ ০ চিঠির উপরাংশে বাঁদিকে লাল কলিতে "file’ শব্দটি বড় করে লেখা রয়েছে। ১ ১৯৩৮-এর ডিসেম্বর মাসেই “কাব্য-পরিচয়’এর পাণ্ডুলিপি প্রেসে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল। সেই সুবাদে কবির কাছ থেকে ‘কাব্য-পরিচয় সংক্রান্ত শেষ চিঠি আসে, ২৯/১১/৩৮ তারিখে লিখিত এলাহাবাদের একজন আধুনিক কবির একটি সুদীর্ঘ পত্রের প্রথমাংশে রবীন্দ্রনাথের “মার্জিনাল মন্তব্য সহ”। (দ্র, রবীন্দ্রনাথের পত্র-১৮)। ২ সুরেন্দ্রনাথ সেন ছিলেন দেবেন্দ্রনাথ সেনের সহোদর। খ্যাতনামা কবি। ‘হিন্দোল’, ‘তুষার’, ‘বৈকালী’ ইত্যাদি গ্রন্থে তার কাব্যশক্তি ও পণ্ডিত্যের পরিচয় পাওয়া যায়। র্তার মৃত্যু হয় ১৯৪৯ । > సి 8