পাতা:চিঠিপত্র (দ্বাদশ খণ্ড)-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৫৬০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পরিষদের গৌহাটী শাখার পক্ষ থেকে কাজন হলে এবং অসমীয়া, মহিলাদের তরফ থেকে আইনকলেজ হলে সংবর্ধনা জ্ঞাপন করা, হয়। সংবর্ধনার উত্তরে প্রদত্ত রবীন্দ্রনাথের ভাষণ গৌহাটী সাহিত্য পরিষদ পত্রিকায় সঙ্কলিত হয়। এ প্রসঙ্গে বিশদ বিবরণের জন্ত দ্রষ্টব্য সত্যভূষণ সেন, গৌহাটীতে রবীন্দ্রনাথ, কবিপ্ৰণাম (১৩৪৮), *ब्रिनिटे शृ. २२-२8 ॥ কবি শিলংএ থাকাকালে শ্রীহট্ট ব্রাহ্মসমাজের তৎকালীন সম্পাদক গোবিন্দনারায়ণ সিংহের এবং শ্রীহটের অন্তান্ত সমিতি ও প্রতিষ্ঠানের অঙ্গুরোধক্রমে তিনি শ্রীহট্টম্রমণে সম্মত হন । কবি গৌহাটী থেকে আসাম বেঙ্গল রেলপথে যাত্রা করে ৫ নভেম্বর (১৯১৯) শ্ৰীহট্টে পৌছেন এবং সন্ধ্যায় ব্রাহ্মসমাজ মন্দিরে উপাসনা করেন । ৬ নভেম্বর সকালে শ্রীহট্ট টাউনহল প্রাঙ্গণে জনসাধারণের প্রদত্ত সংবর্ধনার উত্তরে কবি প্রায় দেড়ঘণ্টাকাল’ বকৃত করেছিলেন। এটি পরে ‘বাঙালীর সাধনা’ নামে প্রবাসী পৌষ ১৩২৬-এ মুদ্রিত হয়। ওই দিন মধ্যাহ্নে ব্রাহ্মসমাজ গৃহে কবি মহিলা সমিতির অভিনন্দনের উত্তরে ৰকৃত করেন। সন্ধ্যায় টাউনহলের বিপুল জনসমাবেশে তিনি পুনরায় বক্তৃতা করেন । এই বক্তৃতা অনুলিখিত না হওয়ায় মুদ্রিত হয় নি। ঐ সভার শ্রোতা, গোবিন্দনারায়ণ সিংহের পুত্র স্বধীরেন্দ্রনারায়ণ পরে লেখেন ‘আজো আমার সেদিনকার কথা স্বম্পষ্টরূপে মনে আছে । বক্তৃতা স্বরু হল প্রথমে খুব ধীরে ধীরে, কণ্ঠস্বর কানে পৌছায় না। তারপর আস্তে জান্তে কণ্ঠ তার উচ্চ থেকে উচ্চতর গ্রামে উঠতে লাগল। কবি ¢:ፃ