পাতা:জগজ্জ্যোতি বা নুরজাহান.pdf/২৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

[ २९ ] মানের অভ্যন্ত অত্যাচার জারম্ভ করিবে । এবং যেমন হিন্দু কর্তৃক ভারতরাজ্য, মুসল মানদিগের হইয়াছে, তেমনি হিন্দুদিগের কর্তৃক ইহা আবার অপরের হস্তে ন্যস্ত হইবে । মীরজা খণ, আপনি এ বেশ জানবেন, যে হিন্দুদিগের অসাধ্য কাৰ্য্য নাই। ওঃ, আমার বুকের ভিতর কেমন করিতেছে । একটু জল— ( রাজ্ঞী কর্তৃক আকৃবরের মুখে জল প্রদান ) কৃ। মন্ত্রীবর, মৃত্যুকালেও আমি ভারতবর্ষের মমতা ভুলিতে পারিতেছি না, দেখ কত কষ্টে ষে আমি এই ভারত রাজ্য শক্ৰ শূন্য করিয়াছি, তাহা মনে হলে হৃদয় এখন কম্পিত হয় । উঃ, সুধু কি আমারি ক্লেশ! পিতা এবং পিতামহের এক দিনের ক্লেশ আমায় সহ্য করিভে হইলে সিংহাসনের আশা পরিত্যাগ করিয়া স্বদেশে ফিরিয়া যাইতে হইত। দেখ মীরজা খা, ভারতের ভবিষ্যতের মুখ এখন আমারই হস্তে—আমি যদি সেলিমকে রাজ্য না দিয়া অন্য কোন পুত্রকে প্রদান করি, তাহা হইলে ভ্রাতৃবিরোধে এই মনোহর ভারত রাজ্য শীঘ্রই ছারখার হইয়া যাইবে । কিন্তু যদি আমি জাহাঙ্গীরকে রাজ্য দিই, তাহা হইলে নিৰ্ব্বিবাদে কিছুদিন রাজ্য চলিতে পারে । ওঃ, তবে কি আমার হস্তারককে রাজ্যে অভি ষেক করিব ? স্থা তাহাই করিতে হইল । যে রাজ্য চিরজীবন পরিশ্রম করিয়া স্থাপন করিয়াছি, উহা স্বহস্তে কিরূপে ংস করি ? না কখনই তাহণ করা হুইবে না । কে আছিস শীঘ্ৰ যেয়ে কারাগার হইতে জাহাঙ্গীরকে নিয়ে আয় ।