পাতা:জগজ্জ্যোতি বা নুরজাহান.pdf/৩২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

[ રાr ] ফরিদ। শের আফগান, ঐ দেখ পশ্চিমদিকে কি ভয়ঙ্কর ধুলা রাশি উড়িতেছে। উহা কি, বোধ হয় তুমি বুঝতে পেরেছ,— দিল্লীশ্বরের অসংখ্য অসংখ্য সৈন্য তোমার বাটি আক্রমণ করিতে আসিতেছে। ঐ দেখ, ওরা প্রায় ক্রমে এসে পড়লো, এখনও যদি জীবনের আশা থাকে, তাহা হইলে নুরজাহানকে এনে দাও ; আমরা বিন্দুমাত্র রক্তপাত না করিয়া চলিয়া যাই । শের । শের আফগান জীবিত থাকতে তো নয় । (সৈন্যগণ আসিয়া উপস্থিত হইলে ফরিদ শের অফিগানকে আক্রমণ করিতে ইঙ্গিত করায় । শের আফগান অসংখ্য সৈন্ত বিনাশ করিয়া বক্ষঃস্থলে বর্শাঘাতে মূছৰ্ণ হুইয়। পতিভ। ) শের । উঃ ! মৃত্যুকালে নূরজাহানকে একবার চক্ষের দেখাও দেখতে পেলুম না। হায়! অদ্য ছয় মাস পূর্ণ হইল, কল্য জামি নুরজাহানকে বিবাহ করিয়া মুখস্বচ্ছনে কালযাপন করিব মনে করেছিলাম ; কিন্তু সে অাশালতা অঙ্কুরিত করে বিধি কুঠারাঘাত করিলেন। আকৃবর সা ! কেন তুমি জামায় নুরজাহানকে বিবাহ করিতে আদেশ করিয়া ছিলে, তাহা না হইলে ভ অকালে কালগ্রাসে পতিত হতে হত না। হায়! এ রত্নাকর ভূমি অপেক্ষা সেই প্রস্তরময় আফগানিস্থান আমার পক্ষে সহস্র গুণে ভাল ছিল । তাহা হইলে আমি পিতা, মাতা, ভ্রাভা ও বন্ধুর সমক্ষে মরিতে পরিভাম। ও: ! পিতা মাতার সঙ্গে আর আমার এ জন্মের আর দেখা হল না। মাগো ! একবার তোমার শের জাফগানের দশা দেখে যাও। তোমার শের আফগান জন্মের মত