পাতা:জয়তু নেতাজী.djvu/২৬৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পরিশিষ্ট ૨૨૭ বৈগু-মনোবৃত্তির জষ্ঠ তিনি ব্রিটিশ রাজশক্তিকে মনে মনে অতিশয় শ্রদ্ধা করিতেন ; তাহাদের সেই রাজসিক ব! রাজকীয় দৌরাত্ম্য র্তাহাকে বিদ্বেষভাবাপন্ন করিতে পারে নাই । রাজশক্তির সহিত বৈগু-বুদ্ধির একটা স্বভাব-মৈত্রী আছে—সৰ্ব্বদেশে ও সৰ্ব্বযুগে । বৈশ্য জানে, সে রাজ্য-শাসল করিতে পরিবে না ; এবং ঐ রাজশক্তির বা প্রভূ-ধর্মের আশ্রয় ব্যতিরেকে তাহার ধৰ্ম্মও সে পালন করিতে পাপ্লিবে না । ইহার উপর, গান্ধী স্পষ্টই দেখিতে পাইয়াছিলেন– সে দৃষ্টি অৰ্দ্ধ সত্য হইলেও, ভারতের গত-যুগেব অবস্থা ও অভিজ্ঞতার দিক দিয়া পুর্ণ সত্য—বে, ভারতবাসী জনগণ পাশ্চাত্য স্বাধীনতার মর্থ বুঝে না তাহার। তাছা কামনাও করে না ; তাহীদের রাজনৈতিক সংস্কার নাই বলিলেই হয় । রাজা তাহদের চাই,– একটা প্রভূশক্তির পূজা করিতে না পাইলে তাহার। নিশ্চিস্ত হইতে পারে না ; কেবল, সেই রাজাকে একটু প্রজ্ঞরঞ্জক ও দয়ালু হইতে হইবে । ইহা যে কত সত্য, তাহ বর্তমানে ভাবতে যে প্রজাতন্ত্র ও জাতীয়ত-ধৰ্ম্মী শাসন প্রতিষ্ঠিত হইয়াছে, সেই অপূৰ্ব্ব সাধাৰণ-তন্ত্রের প্রতি জনগণের –শিক্ষিতগণেরও —গভীর অমুরক্তি হইতেই প্রমাণিত হয় । এইরূপ রাজভক্তি—অর্থাৎ শক্তিমানের প্রতি অস্তরের প্রণতি-নিবেদন—ভারতবাসী জনসাধারণের মজ্জাগত । এক্ষণে ঐ মজ্জাগত সংস্কারকে নানা যুক্তি ও তত্ত্বকথায় ঢাকিয়া তথাকথিত স্বাধীনতা-ধৰ্ম্মী শিক্ষিত-সম্প্রদায় কোনরূপে আত্মপ্রসাদ লাভ করিতেছে। গান্ধী বুঝিয়াছিলেন, এই জাতির চিত্তে সেই মজ্জাগত প্রবৃত্তিকে দমন করিয়া, রাজভক্তির পরিবর্তে, কেবলমাত্র ব্রিটিশ-বিদ্বেধ উদ্দীপিত করিলে তাছার সমূহ অকল্যাণ হইৰে— কাবণ, ব্রিটিশ-বিদ্বেষ ও স্বাধীনতাব আকাঙ্কণ এক বস্তু নয় ; বিলাতী আদর্শের স্বাধীনতা ভারতের পক্ষে ঘোরতর পরধর্ণ । অতএব যাহার। ব্রিটিশ-বিদ্বেষের