পাতা:জীবনীকোষ-ভারতীয় ঐতিহাসিক-দ্বিতীয় খণ্ড.pdf/২৬৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

কৈলাসচন্দ্র জীবনী-কোষ ২৬২ সম্পন্ন ছিলেন । তিনি কৈলাসচন্দ্রকে ভূতি ও উৎসাহের জন্য তিনি ক্রমান্বয়ে র্তাহার সহকৰ্ম্মীরূপে নিযুক্ত করিয়াছিলেন । এইরূপে তিনি ক্রমে ক্রমে উন্নতি লাভ করিয়াছিলেন । ‘বেঙ্গলী’, ‘হিন্দুপেটিয়ট প্রভৃতি পত্রিকায় লিখিত র্তাহার সুচিস্তিত প্রবন্ধাবলী দেশের সুধীমণ্ডলী মধ্যে ইতিপূৰ্ব্বেই তাচার যশ দিগন্ত ব্যাপ্ত করিয়াছিল। বড়ই দুঃখের বিষয় মাত্র ৫১ বৎসর বয়সে ১৮৮৮ খ্ৰীঃ অব্দে এই উদীয়মান মনস্বী পরলোক গমন করেন । কৈলাসচন্দ্র বসু, সার – তিনি কলিকাতা নগরীর বিশিষ্ট নাগরিক ও খ্যাতনামা চিকিৎসক । (জন্ম ১৮৫০ খ্ৰী: ) । তিনি কলিকাতা মেডিকেল কলেজ হইতে শিক্ষা সমাপন করিয়া কিছুকাল সরকারী চাকুরী করেন । পরে উহ। পরিত্যাগ করিয়া স্বাধীন ভাবে চিকিৎসা ব্যবসায় করিতে থাকেন। জনহিতকর বহু পোর প্রতিষ্ঠানের সহিত তিনি ঘনিষ্ঠ ভাবে যুক্ত ছিলেন । তিনি কলিকাতা পুরতন্ত্র ( Municipality ) fosofo প্রভৃতির সদস্ত ছিলেন। তদ্ভিন্ন চিকিৎসা সংশ্লিষ্ট বহু প্রতিষ্ঠানের সহিত র্তাহার যোগ ছিল । নানারূপ সৎকার্য্যেও র্তাহার বিশেষ উৎসাহ ছিল। কলিকাতাস্থ মাড়বাড়ী ব্যবসায়ীদিগের মধ্যে র্তাহার প্রতিপত্তি খুব বেশী ছিল । জন কল্যাণকর কার্য্যে সহানু ब्रांप्रदांशष्ट्रव्र, नेि-ञांश्-झे (C.I.E.) ও বি-ঈ ( O. B. B. ) এবং সার (Knight) উপাধি প্রাপ্ত হন । ১৩৪৩ বঙ্গাব্দের মাঘ মাসে তাহার পরলোক ॐांश्ॐि श्ध्न ! কৈলাসচন্দ্র বিদ্যাভূষণ এম, এ— বঙ্গাব্দের ২৫শে অগ্রহায়ণ হাওড়া জিলার অন্তর্গত সীতারাগাছি গ্রামে প্রসিদ্ধ পণ্ডিত বংশে তাঁহার জন্ম হয় । তাহার পিতার নাম নন্দলাল বিদ্যারত্ন । তাহার পিতামহ দেশবিশ্রাত নৈয়ারি ক পণ্ডিত হলধর ন্যায়রত্ন মহাশয়ের টোলে কেবল বঙ্গদেশ নহে দ্রাবিড়, উড়, মধ্য ভারতবর্ষ প্রভৃতি স্থান হইতেও পাঠার্থী সমাগত হইত । কৈলাসচন্দ্র পিতার মধ্যম পুত্র । তিনি কলিকাতা শিবনারায়ণ দাসের লেনস্থ স্বীয় মাতামহ কাশীনাথ তর্কবাগীশ মহাশয়ের আলয়ে অবস্থান পূৰ্ব্বক সংস্কৃত কলেজে অধ্যয়ন করিতেন এবং তথা হইতে এম-এ পরীক্ষায় কৃতিত্বের সহিত উত্তীর্ণ হইয়া ডাফ কলেজের সংস্কতের অধ্যাপকের পদে নিযুক্ত হন। প্রসিদ্ধ ‘সোমপ্রক শ’ পত্রিকার সম্পাদক পণ্ডিত দ্বারিকানাথ বিদ্যাভূষণ মহাশয় পরলোক গমন করিলে, কৈলাসচন্দ্র বিদ্যাভূষণ মহাশয় তাহার পুত্রদের নিকট হইতে সোমপ্রকাশ পত্রিকার সত্ত্ব ক্রয় করিয়াছিলেন এবং স্বয়ং সম্পাদক ما واج لا