পাতা:জীবন্মৃত রহস্য - পাঁচকড়ি দে.pdf/১৪৬

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ তর্ক-বিতর্ক দত্ত সাহেব কহিলেন, “রহিমের উপরে আমার যথেষ্ট বিশ্বাস আছে। আপনি যতই বলুন না কেন, আমি কিছুতেই তাহার উপরে আজ এমন একটা গুরুতর সন্দেহ করিতে পারি না । সে যাহা হোক, রহিমকে যে একটা উগ্ৰ ঔষধের সাহায্যে অচেতন করা হইয়াছে, কেমন করিয়া আপনি এমন অনুমান করিতেছেন, বুঝিতে পারিলাম না।” গ। যখন আপনি রহিমবক্সের নিকটে আমাকে লইয়া যান, তখন সেই ঘরের মধ্যে কেমন একটা গন্ধ পাইতেছিলাম। দ। ( সাগ্রহে ) কিসের গন্ধ ? কি রকম ? গ। তা” আমি ঠিক বলিতে পারি না-গন্ধটা অতি তীব্ৰ-কেমন যেন বিষাক্ত বলিয়া বোধ হয় ; সে গন্ধটা অতি সহজে সর্বাগ্ৰে যেন মস্তিষ্ক ভেদ করিয়া উঠিতে থাকে। দ। ডাক্তার বেণ্টউড কি সে গন্ধ পাইয়াছিলেন আপনাকে সে সম্বন্ধে কোন কথা বলিয়াছেন ? গ। গন্ধটা তিনি পাইয়াছিলেন বটে, কিন্তু জিজ্ঞাসা করায় তিনি গন্ধের কথা ঠিক করিয়া কিছুই বলিতে পারেন নাই। তঁহার ধারণা, মস্তকে দারুণ আঘাত লাগায় রহিমবক্স অজ্ঞান হইয়া পড়িয়াছে। আনি বলিতেছি, সে কথা ঠিক নয় ; কোন প্রকার তীব্র ঔষধের ভ্রাণে রহিম ज९डाभूछ ।