পাতা:তীর্থরেণু.djvu/১৯৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।
তীর্থরেণু
 

আমার তিমির নাশ করিলে হে স্বপ্রকাশ!
সূৰ্য্য সম বিতরি’ কিরণ।
রশ্মিময়, পিঙ্গ জট, তুমি হে অনাদি বট,
সূৰ্য্য, তারা, পৃথ্বী তব ফল;
বারিগর্ভ হুতাশন! কেবা পর? কে আপন?
বল মোরে, নিখিল-সম্বল!
আমারে গ্রহণ করি’ নিজেরে সঁপিলে, মরি;
কে জিতিল? তোমারে সুধাই,
আমারি অন্তরে ঘর বাঁধিলে, হে মহেশ্বর;
কুলাল না ত্রিভুবনে ঠাঁই!

মাণিক্কবাচকর।


ঋণী ঠাকুর

নারায়ণ দেউলিয়া এইবার!
লক্ষ লোকেরক কাছে ঋণী প্রভুটি আমার!
প্রভাত হলে দেউল ঘিরে জগৎ ফুকারে,—
‘আমার নিধি দাও হে ঠাকুর ফিরিয়ে আমারে';
তখন মায়ায় হন্ অমনি পাষাণ অবতার।
মরমপাতে খত লিখেছ,—আছে নাম সহি,
চরণ বাঁধা রেখে গেছ,—মাথায় তাই বহি;
এখন ফাঁকি দিবে কি তাই কও না কথা আর?
তুকা বেনে মহাজন আজ ঠাকুর দেনাদার।

তুকারাম।
১২
১৭৭