পাতা:পওহারী বাবা.djvu/২৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
এই পাতাটিকে বৈধকরণ করা হয়েছে। পাতাটিতে কোনো প্রকার ভুল পেলে তা ঠিক করুন বা জানান।

১৪

পওহারী বাবা।

লইয়া যান। যাঁহারা সংসার ত্যাগ করিয়াছেন, তাঁহদের সকলের পক্ষেই ভারতের চারি কোণে অবস্থিত চারিটী প্রধান স্থান (চার ধাম—উত্তরে বদরী কেদার, পূর্ব্বে পুরী, দক্ষিণে সেতুবন্ধ রামেশ্বর ও পশ্চিমে দ্বারকা) দর্শন করা একরূপ অবশ্য কর্ত্তব্য বলিয়াই বিবেচিত হয়।

 পূর্ব্বোক্ত সমুদয় বিষয়গুলিই আমাদের যুবক ব্রহ্মচারীর ভারতভ্রমণের পক্ষে প্রবল প্ররোচক কারণ হইয়া থাকিতে পারে, কিন্তু আমরা নিশ্চয় করিয়া বলিতে পারি, জ্ঞানতৃষ্ণাই তাঁহার ভ্রমণের সর্ব্বপ্রধান কারণ। আমরা তাঁহার ভ্রমণ সম্বন্ধে খুব অল্পই জানি, তবে তাঁহার সম্প্রদায়ের অধিকাংশ গ্রন্থ যে ভাষায় লিখিত, সেই দ্রাবিড় ভাষাসমূহে তাঁহার জ্ঞান দেখিয়া এবং শ্রীচৈতন্যসম্প্রদায়ভুক্ত বৈষ্ণবগণের প্রাচীন বাঙ্গালা ভাষার সম্পূর্ণ পরিচয় দেখিয়া আমরা অনুমান করি, দাক্ষিণাত্যে ও বাঙ্গালা দেশে তাঁহার স্থিতি বড় অল্প দিন হয় নাই।

 কিন্তু তাঁহার একটী স্থানে গমনের সম্বন্ধে তাঁহার যৌবনকালের বন্ধুগণ বিশেষরূপ জোর দিয়া বলিয়া থাকেন। তাঁহারা বলেন, কাঠিয়াওয়াড়ে গিরনার পর্ব্বতের শীর্ষদেশে তিনি প্রথমে যোগসাধনার রহস্যে দীক্ষিত হন।

 এই পর্ব্বতই বৌদ্ধদের চক্ষে অতি পবিত্র ছিল। এই