[ ৪৭ ]
|
|
কবিকঙ্কন বলে তাহা খেতে বড় মিঠা।
|
| ২০।
|
কাননে জন্ম হয় ত্রিভঙ্গ সুঠান,
বুকেতে আবৃত শুল মুখে একবান,
দূর দূর শব্দ করে সুরভী বাহনে,
হিয়ালীর ছন্দে কবিকঙ্কনে তা ভনে।
|
উঃ। হাল ফাল এবং হেল্যা গোরু।
| ২১।
|
মহল ভিতরে থাকে নয় কারো নারী,
সূর্য্যের কিরণ সহেনা অতি সুকুমারী,
বৃদ্ধ কালে অতি মিষ্টী তরূণেতে সিঠা,
কবিকঙ্কনে বলে ইহা খেতে বড় মিঠা।
|
| ২২।
|
রাত্রিতে জনম যার দিবসে মরণ,
যে ঘরেতে জন্ম পায় সেই ঘরে ক্রন্দন,
শন হেঁয়ালীর ফন্দি মুর্খ কি বুঝিবে,
পণ্ডিতের পক্ষে যাহা সহজ হইবে।
|
| ২৩।
|
দু অক্ষরে জন্ম যার সর্ব্ব লােকে খায়,
প্রথমের আকার গেলে শুনে লাগে ভয়।
দু অক্ষরে আকার দিলে দেহােপরি রাখি,
তদুপরি ‘তা’ দিলে আদর করে ডাকি।
|
| ২৪।
|
ছিল মুঢ়ি হইল সাপ,
কবি বলে কি হইলরে বাপ।
|
| ২৫।
|
ছুঁছের মত মুখতার করাতের ধার,
শিব নয়, সৈন্যাসী নয়, মাথায় জটার ভার।
পার্ব্বতীর পতি নয় ভস্ম মাখে গায়।
হিঁয়ালীর ছন্দে কবিকঙ্কনে তা গায়।
|