পাতা:প্রবাসী (ঊনত্রিংশ ভাগ, দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/৬৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


、8ぐう প্রবাসী-কাৰ্ত্তিক, ১৩৩৬ [ २>* छांशं, २ब्र १७ রমেন কঠিন দৃষ্টিতে স্বযমার মুখের দিকে চেয়ে বললে, —খাব কি, খাবার আর রইল কোথায় ? এমনি ক’রে সারারাত বৃষ্টিতে ভিজে, সমস্ত দিন না খেয়ে দেখতে চাই, কোথায় এর রিণতি আছে, শেষ পৰ্য্যন্ত কোথায় दिग्न झैंiफुटङ झ्म्न ! সুষম কোমল কণ্ঠে বললে,—রাগ করছ কার ওপর ? না খেলে র্বাচবে কি ক’রে ? রমেন উত্তেজিত কণ্ঠে বলতে লাগল,—বাচতেই ত আর চাইনে, স্থষমা, আর চাইলেই বা বাচায় কে ? এই ন-খেতে-পাওয়ার অবস্থা, এ ত’ আসবেই ছুদিন কি চারদিন পরে, ততদিন একে খানিকট মক্স করে রাখাই ভাল । রাগ কার ওপর করতে যাব স্বযমা ? শুধু বাহাদুরি দি সেই আশ্চৰ্য্য বিধানকে, যে বিন অপরাধে আমাকে cआहे श्रदशम्र यांनष्ठ । , श्वथा श्राभौब्र कां८छ् ब८ग भएफ़ उीब छान शङÉ। আপনার হাতের ভিতর নিয়ে বললে –এমন দিন থাকে ন। কারুরই—আমাদেরও থাকবে না। ততদিন সহ করতে হবে যে ! রমেন বললে—জানি না। আশ্চৰ্য্য স্থষম, এত বড় আবাল্য বন্ধু স্বরেশ, সেও একবার এই দুর্দিনে খবর নিলে না ? লক্ষপতি সে, সে কি কিছুই করতে পারত না ? ঘেন্ন ধয়ে গেছে এই দুনিয়ার ওপর । স্বষম বললে,—দেখে। এই দুর্দিনেও আমাদের এই কথাটা ভুললে চলবে না যে, প্রত্যাশা কারুর কাছেই করতে নেই, করলেই দুঃখ পেতে হবে। তোমার এই বন্ধুটি যদি আমাদের এই জ্বদিনের সঙ্গে নিজেকে জড়াতে না চান, ত আমাদের অন্থযোগ করবার ত কিছুই নেই! রমেন কঠিন হাসি হেলে বললে,—আর জানে, আমার এই বন্ধুটি এখনও আমার পাচ টাকা ধারেন, সেদিন ট্রামে হঠাৎ দরকার পড়ায় টাকাটা দি । छांब्र ७हे दJबझांज्ञ ! স্বষম বিস্থিত দৃষ্টিতে রমেনের মুখের দিকে চেয়ে বললে,—সে কথা তিনি ভুলে গিয়েছেন নিশ্চয়ই। না, যুঃখে পড়েও মানুষকে তুমি এত ছোট করে ভাবতে পাবে না। চল খেতে স্বাবে । V) সেই দিন সন্ধ্যার পর বাইরে জনকতক লোক এসে dমেনকে ডাকাডাকি করতে লাগলো । রমেন বিশ্বিত হয়ে বাইরে এসে দেখলে জন-চারেক লোক, তার মধ্যে ব্ৰজেশ ছাড়া সে কাউকেই চেনে না। ব্ৰজেশ তাদের পাড়ার একজন নামজাদা উকীলের মুহুরি। রমেন আশ্চৰ্য্য হয়ে ব্রজেশের মুখের দিকে তাকাতেই, ব্ৰজেশ তাকে সঙ্কেত করে কাছে ডেকে নিয়ে এসে বললে, —রমেন ভারি দরকার তোমার সঙ্গে। তুমি তোমার বন্ধু স্বরেশবাবুর দস্তখত নাকি হুবহু নকল করতে পার ? রমেন বললে,—পারি, বাঙ্গী রেখে তার সামনে বসে তার দস্তখত করে দিয়েছি, সে নিজেই চিনতে পারেনি । কিন্তু তাতে কি ? ব্রজেশের মুখে চোখে আনন্দের দীপ্তি খেলতে লাগল, সে খুলী হয়ে বললে,—তাইতেই সব । ওই দলিলটায় তার একটা দস্তখত চাই—একেবারে তার মত। বড় দরকার । ব্যস, এইটুকু মাত্র, এরি দাম ওঁরা তোমাকে দেবেন দুশো টাকা। বলে সে সানন্দে রমেনের মুখের দিকে তীক্ষ দৃষ্টিতে চেয়ে, পাগড়ী-পরা আগম্ভকদের দিকে চাইতেই, তাদের মধ্যে মোট সোনার চেন গলায় যে অগ্রণী, সে তার মাথা নেড়ে, একটু ছেলে সন্মতি জ্ঞাপন করলে ৷ রমেন চুপ করে রইল। খানিকটা ভেবে বললে,—কিন্তু স্বরেশের দস্তখত আমি করব কেন । তারই ত করা উচিত ছিল। ব্ৰজেশ একটুখানি হেলে, রমেনকে একটা স্বছ ঠেল৷ দিয়ে বললে,—শোন কথা। কিছুই যেন বোঝ না! আরে, সে করলে তোমার কাছে ওঁরা কষ্ট করে আসবেনই বা ८कन, श्रीब्र छू-छ्रलl tीकाहे व निष्ठ बाळबन ८कन ? ও সব বিজনেসের ব্যাপার—তোমার মাথায় ঢুকবে কেন ?- নাও, এলো— রমেন চুপ করে দাড়িয়ে রইল। তার পর মাথা মেড়ে জানালে, না ।