পাতা:প্রবাসী (সপ্তদশ ভাগ, প্রথম খণ্ড).pdf/১৬৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


এবং যুগে-যুগে আমাদের বংশধরগণের পক্ষে ইহা পবিত্ৰতা নিৰ্ভীকতা, সত্যবাদিতার, কৰ্ত্তব্যপরায়ণতার, দেবসেবার, জনসেবার ক্ষেত্ৰই থাকে । যেন ক্ষণিক সুখের গোভে নব-বিকশিত কিশলয় বালকবৃন্দ কলুধে মলিন, ইঞ্জিৱভোগ হার উত্তেজক সাহিত্যকে এ গৃহে স্থান না দেয়। যেন এখানে আসিয়া, চিন্তা করিয়া, আলোচনা করিয়া, পরস্পরের উপভোগ করিয়া আমরা উদার হইতে শিথি, বীর হইতে শিখি, বাঙ্গালী নাম উচ্ছল কবিতে লেশমান ব্যগ্ৰতা অনুভব করি । বালীপুর বাঙ্গালীদের পথে আজকার সদ্ধা সন্ধা। নছে, ইহা নবজীবনের প্রভাত । এই মন্দিরের মুক্ত দ্বার দিয়া আমরা আজ একটি নব জগতে প্ৰবেশ কবিতে বাইতেছি তাই মামাদের হইয়া আমাদের আকার দয়ের প্রার্থনা কবি ঈশ্ব সমীপে বলিয়া বাগিানে মোরে, ডাকি লাগে বা ও মুস্ত রে তোমায় বিশ্ব সভাতে, উদয়গিরি হতে উচে কহ মোরে তিমির দেয় হল দীপ্তি সাগরে, ধাৰ্থ হতে দাগ, দৈন্ত হতে চা, সতেজ প্ৰত শোভাতে ” আজি এ মঙ্গল গ্ৰাহে মুক্ত কর সব তুচ্ছ শোচন কর ম মুণ লেচন প্ৰবাসী—অাষাঢ়, ১৩২৪ নীন নিৰ্ম্মল বিভাতে যদুনাথ সরকার কোহিনুর মনের মানিক কোহিনুর, হাজারো রাজার বাজার ফিরিয়া দাম বেড়ে গেছে বহুদূর । হাড়ার বছর বনে ক্লিারে লুকানো নিথর পাথর মিনারে , [ ১৭শ ভাগ, ১ম খণ্ড দরদী আঁখির আদর বিনারে ধূসর ধুলায় পরিপুর লে এতদিন আঁধার অাধারে আলোর অগাত্ৰ কোহির । প্ৰথম নিরিখে পরখ কৰিল চোথা-তাপ কে সে চতুর । জানিনা কখন অ ধলা দিলে তুমি বেচে কার হাতে দাবিয়া নয়ন অতুল প্ৰভাতে - গত করিলে লোভাতুর । জাগিয়া উঠিলে কোহিনুর সকল মণিয়ে কাম করে দিলে পলকে চিয়া মায়াপুর ঘত মাণিকের অালো বহর আলোড়ি জয়ী চিনিল জহর দাম কেটে দিল তোড়া মোহর, অগালক- অঁপি কহিলে চাহিয় অল রান কোহির । , বাজিছে তোমার বন্দন সুগনমো সাধা সুর কনক-কিীট পাতিয়া আসন পৃথিবী-পতিরে কবিছ শাসন করে জগতের জীবন চয়ন তোমার কিরণ সুমধুর । চির সুগ চালো অফুরান আলো হীরক-কমল কোহিনুর সর সেন ৩য় সংখ্যা। ] ভারতবর্ষে বায়োস্কোপ তৈরি হয়েছে—সাবিত্ৰী-সত্যবান আর হরিশ্চন্দ্ৰ । সাবিত্ৰী ভারতবর্ষে বায়োস্কোপ সন্তাধানের অভিনয় এবং অভিনয়স্থলে ও অভিনেতাদের অন্ন দিনের মধ্যেই বায়োম্বোপ ভারতবর্ষেপ্ত সৰ্ব্বত্র পরিচিত উপর আলোক-সম্পাত প্ৰভুতি উৎকৃষ্ট হয়েছে, কিন্তু ও লোকপ্ৰিয় হয়ে পড়েছে । বায়োস্কোপ ত কেবল মাত্ৰ পুষে মেয়ে সাজাতে অৱ দাড়িগোপগুলো বাজার দলের আনন্দ-দায়ক নয়, তা থেকে শিক্ষাও যে পাওয়া যায় প্ৰত্যু পেট অস্বাভাবিক হওয়াতে অভিনয় দৃষ্টিকটু হয়ে শ্ৰীশ্ৰষ্ট হয়ে আনন্দের মধ্য দিয়ে শিক্ষা দেবার সুবিধা থাকাতে বায়োস্কোপ পড়েছে , হরিশচন্দ্ৰ নাটকের অভিনয় সঙ্গা সমস্তই অস্থা প-আমেরিকায় েলাকশিক্ষার দ্য খুব বাপক ভাবে প্ৰচলিত হচ্ছে । খুলে কলে, ছেলে-মে যেদের বিশেষ বিদ্যা সখন্ধে চক্ষু পতাক্ষ শিক্ষা বায়োস্কোপের জনপদবাসীদের স্বাস্থ্য হে হি আঙুল দিয়ে বু রয়ে দে য়া হয় কৃষি-তত্ত্ব অন্ন সময়ে খুব তাণে ‘ক’ মনে : এই সমস্ত সুবিধা ি ষের ও ঠাই বাসী ও কৃষকদের সামনে উপস্থিত করা উচিত, করবে কে ? চা গে - থম বোধ হয় ক্ত হীরা ব্যবসায় অবলম্বন করেন ; কতক কতকটা উদ্যমে ক্ষেত্ৰে প্ৰথম হয়ে ও প্ৰধান হয়ে উঠতে পাণ । সেদিন তাদের বায়োম্বোপের সরঞ্জাম সব পুড়ে গিয়ে তার সৰ্ব্বশ্বাস্ত হয়ে পড়েছে বাঙালী বায়োস্কোপের কাবা কিন্তু সেসব দিন টিম কোণঠাসা করে’ উপস্থিত হয়েছে পর্মী মনের এলাক ন বারোপে মা থেকে মাজিলিং sে দীর মধ্যে সকল বড় এ কাধিক এই বাবসায়ে তিনি ধনী হচ্নে ভারতবাসীর টাকাবই হাত দেরিতে ;– আমাদের সকলকা পকেট থেকে টাকাটা পিকেটা সাদা নিয়ে তিনি এক৷ গদয়ান হচ্ছেন বটে, কিন্তু আমাদের দেওয়া টাকার দ সাহা, হিন্দু রাজার সাজে বেশীর ভাগ চলে যাবে বিদেশে ফিলন তৈরির কারখান বিদেশ থেকে অৰ্থ আহরণ করে দেশে ওয়ালাদের হাতে । এ ছাড়া রবার ভাবিক ও উৎকট বকর রকমের হয়েছে আনতে না পারলে দেশ ধনী হয় ; আমাদের দেশের প্রতি সাময়িক ঘটনার কিছু কিছু ফিল্ম এলফিনষ্ঠোন বাবসাদারই এই সহজ কথাটা বুঝতে পারেন । বায়োস্কোপ এখানে তৈরি কুরিয়েছেন । কিন্তু এর কোনো আমাদের দেশে এ পৰ্যাপ্ত দুটি পৌরাণিক নাটকের ফিল্ম টাই বিদেশে রেচে দেশে টাকা আনবার মতন নয় ; বিদেশী