পাতা:প্রাচীন বাঙ্গলা সাহিত্যে মুসলমানের অবদান.djvu/৯১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


৮২ প্রাচীন বাঙ্গল সাহিত্যে মুসলমানের অবদান JJJA SAAAJJAAA AAAA AAAA AAAMAMAMAAA AAAASASASS م * یہ--م.ہ۔-... --مہ۔ م ۔۔ے مسعه همه مهم .۔--۔ কোন কারণ নাই। মুসলমান কবির রাধাকৃষ্ণ-বিষয়ক পদ লিখিয়াছেন, অপরূপ মনে করিয়া এই অদ্ভুতত্বের জন্ত সেই সকল পদের প্রতি আমাদের দৃষ্টি যতটা আকৃষ্ট হইয়াছে—প্রকৃত কবিত্ব গুণে ততটা হয় নাই। তাহাদের মধ্যে সত্য সত্যই কি কেহ চণ্ডীদাস, বিদ্যাপতি, জ্ঞানদাস কি গোবিন্দ দাসের সমকক্ষত করিতে পারেন ? তাহাদের কেহ রায়শেখর, বলরাম দাস, শশাশেখর ও যদুনন্দন দাসের সঙ্গেও এক পংক্তিতে স্থান পাইতে পারেন না । আপনার যদি আশা করিয়া থাকেন যে, আমি বঙ্গল সাহিত্যের প্রাচীন পুথিশালা ঘাটিয়া এইরূপ তার কয়েকটি মুসলমান কবির লেখা আপনাদের কাছে আনিব এবং তাছাই লইয়া আমার বক্তব্য সম্পূর্ণ করিব, তবে সে ধারণ একান্ত ভুল । বঙ্গীয় প্রাচীন সাহিত্যে মুসলমানগণের ইহা অপেক্ষা শতগুণ বড় অবদান আছে, তাহার। ঐ বিরাট সাহিত্যের শুধু পৃষ্ঠপোষক, উৎসাহদাতা এবং লেখক নহেন, তাহারা ইহার রক্ষক : এই মহাড়াণ্ডারের ংবাদ আমি অতি আনন্দের সহিত জ্ঞাপন করিতেছি ।Y‘পদ্মাবতী’ কাব্যের কবিত্ব আছে, কিন্তু তাহার পাণ্ডিত্যই সমধিক, তাহা কাব্য হিসাবে মুকুন্দরামের ‘চণ্ডী হইতে নীচে, কিন্তু পাণ্ডিত্য হিসাবে খুব বড় । বঙ্গের একটা অতি বৃহৎ পল্লী-সাহিত্য বৌদ্ধাধিকার হইতে এই দেশের আম্রকুঞ্জ ঘেরা কুটারে ‘কোয়েল ও বউ-কথা-কও পাখীর গানের সঙ্গে উদ্ভূত হইয়াছিল ; সেই সাহিত্যের কতকটা সম্প্রতি আবিস্কৃত হইয়াছে, কিন্তু তাহা এত বিরাট এবং তৎসম্বন্ধে এখন পর্য্যন্ত বাঙ্গালীরা এতটা উদাসীন যে, কবে ইহা শিক্ষিত ও ধনাঢ্য সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করিবে, তাহ জানি না। এই বিরাট পল্পী-সাহিত্য পূর্ববঙ্গ হইতে সমধিক পরিমাণে আহৃত হইয়াছে । ইহ সম্পূর্ণরূপে মৌলিক এবং বঙ্গপ্রকৃতির বৈশিষ্ট্য-জ্ঞাপক।