পাতা:বঙ্গের জাতীয় ইতিহাস (ব্রাহ্মণ কাণ্ড, প্রথমাংশ).djvu/২২৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


রাষ্ট্ৰীয় ব্রাহ্মণ-বিবরণ ছায়ামেলে বাণভাগ। তিন বাণেশ্বর লইয়া বাণভাগ,-গয়ঘড় বং বাণ, চং বাণ কুণ্ঠরোগগ্ৰস্ত এবং পাটুলী চং বাণ। গং বং বাণের কষ্ঠ দিওঁীরায় হরণ করেন। এই ৰাণের পুত্র নারায়ণ কুণ্ঠরোগী বাণের কন্যাকে হরণ করেন। দ্বিতীয়তঃ গং বং বাণের অপর পুত্র, দিওঁীরায় কর্তৃক ভগিনী-হরণের দোষে লিপ্ত করার জন্ত পূর্বের রাগ ও বিদ্বেষবশতঃ পাং চং বাণের বাড়ী গিয়া তাহার অবিবাহিত কন্যাকে নষ্ট করেন। যৎকালে গং বং বাণপুত্র সে ੋਂ লইয়া পাং চং ৰাণের বাড়ী একটা ঘরে রঙ্গরসে রত, সেই সময় কন্যার মা জানিতে পারিয়া কন্তকে বট দিয়া কাটয় ফেলে। এই কাটা যাওয়ায় ইহাদের সংস্রবে আগত কুলীনের “কাটাবাণ” ভাগ যুক্ত হইল। কুল আর কিছুতেই যায় না, এমনই না ছোড় কুললক্ষী! "ইহা ভিন্ন অন্তান্ত মেলে স্বতন্ত্র ভাগ নাই । কোন কোন মেলে কাহাকে লইয়া ভাগ হইয়াছিল, সে সম্বন্ধে ‘মেলভাগনির্ণয়’ নামক গ্রন্থে মুগরি এইরূপ লিখিয়াছেন— “ধন্দোষে ধন্দ হুৈল ভট্ট মহাশয়। হিরণ্যাক্ষ মধ্যে করি পশ্চাৎ মৃত্যুঞ্জয় । আগলভাগিয়া মধ্য উদয় গঙ্গাদাস । এসব করিয়া হৈল অংশের প্রকাশ ॥ জীনা:আসন যাতে কি কহিব আর । দোষ মাজ্জিত-অংশবৃদ্ধি কুলের পরিষ্কার ॥ ধন্দদোষে ফুলিয়া মেল এই সে কারণ। কার বাধ্য নহে কুলিয়া সুৰ্য্যের কিরণ। একবাক্যতা মেল হৈল এখনে। এই দোষে কত ভাগ হৈল জনে জনে ॥ চট্রভাগ বাণ কহি কুলেতে প্রখর। মৃত্যুঞ্জয় আৰ্ত্তি করেন গুণাৰ্ণবের পর ॥ মুখ যজ্ঞেশ্বর চট্ট বড় কৰ্ম্ম করি । দীগ ঘড়ী দোষ পাইয়া হৈল যজ্ঞেশ্বরী ॥ রজনীকরের কন্ত বিয়া বাণীনাথে করে। সন্দিগ্ধ বলিয়া গালি দিলেন দেবীবরে ॥ দোষ পাইয়া বাণীনাথ হইল স্থগিত । হেনকালে গঙ্গানন্দ করে আচম্বিত ॥ রজনীকরী ভাগ ডাকে কুলঞ্জ কুলীনে। যজ্ঞেশ্বরীর অবাস্তর এই সে কারণে ॥ কুলের অধিক ফুল্ল পঙ্কজ কমল । অfকাজ করেন যত দেবতা সকল ॥ অষ্টদল অষ্টভাগ পঙ্কজপূর্ণিত। মধ্যরেণু বলরামং দলেতে বেষ্টিত। ( ১ ) “রায়ের হাতে বজ্রাঘাতে বাণ মারিল পুড়িয় । সেই আগুণে ঝাপ দিলেন চট্ট বাণ কুড়িয় । BBBB BBBB BBBB BBS BBS BBB BBS BD DDS BBB BBBS BB S না লিভিল বুজাগ্নিক মাপিয় উঠে কাজি (?) । লোকমুথে অপবাদ ঘটকে লেখে পাজি । উমাপতিস্বত বাণ গয়মড়কুলে। দিণ্ডিয়ায় নিল কস্ত সৰ্ব্বলোকে বলে। মনে মনে কুশপুত্র ভাবিয়া উপায়। পাটলিয়া বাণের বাড়ী উভালড়ে যায় । ধরিয়া ৰণের কল্প পুষ্প বিয়া করে। দেখিয়া জননী তারে ক্রোধে বট মারে । গল কাটা গেল কস্তার রক্তে উতরোল। পাটলিয়া বাঁশের বাড়ী কিসের গণ্ডগোল ॥ গোবিন্দ পুরাই বলা তাহাতে মজিল । কাটা-বাণ-ভাগ বলি কুলঞ্জে রচিল ।” (২) “জগন্নাৰ এইরূপ পাঠান্তর আছে।