পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/২৭০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


১২২২ কঙু-আরোগ্য । সনাতনের বৃন্দাবনবাত্রী। বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় । করি আলিঙ্গন না করিতাঙ যবে । কৃষ্ণ ঠাঞি অপরাধ-দণ্ড পাইতাঙ তবে ॥ পারিষদ-দেহ এই না হয় দুর্গন্ধ। প্রথম দিন পাইল অঙ্গে চতুঃসম-গন্ধ ॥ বস্তুতঃ প্রভু যবে কৈল আলিঙ্গন। তার স্পর্শে গন্ধ হৈল চন্দনের সম ॥ প্রভু কহে সনাতন না মানিহ দুঃখ । তোমা আলিঙ্গনে আমি পাই বড় মুখ ॥ এ বৎসর ইহঁ৷ তুমি রহ মোর সনে। বৎসর বহি তোমা পাঠাইব বৃন্দাবনে। এত বলি পুনঃ তারে কৈল আলিঙ্গন। কও গেল অঙ্গ হৈল স্ববর্ণের সম। দেখি হরিদাসের মনে হৈল চমৎকার। প্রভুকে কহেন এই ভঙ্গী যে তোমার ॥ সেই বারিখণ্ডের পানী তুমি খাওয়াইলা । সেই পানী লক্ষ্যে ইহার কগু উপজাইলা ॥ কও করি পরীক্ষা করিলে সনাতনে । এই লীলা-ভঙ্গী তোমার কেহো নাহি জানে। দোহা আলিঙ্গিয়া প্ৰভু গেলা নিজালয় । প্রভুর গুণ কহে দোহে হঞা প্রেমময় ॥ এই মত সনাতন রহে প্রভূ-স্থানে । কৃষ্ণচৈতন্ত্য-গুণ-কথা হরিদাস-সনে ॥ দোলযাত্রা দেখি প্রভু তারে বিদায় দিলা । বৃন্দাবনে যে করিবেন সব শিখাইলা ॥ যে কালে বিদায় হৈলা প্রভুর চরণে । দুই জনের বিচ্ছেদ-দশা না যায় বর্ণনে৷ যেই বনপথে প্রভু গেলা বৃন্দাবন। সেই পথে যাইতে মন কৈল সনাতন ॥ যে পথে যে গ্রাম নদী শৈল যাহা হই লীলা । বলভদ্র ভট্টাচাৰ্য্য স্থানে সব লিখি নিলা ॥ মহাপ্রভুর ভক্তগণ সভারে মিলিয়া। সেই পথে সনাতন চলে সে স্থান দেখিরা ॥