পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/৬৩৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


প্রাচীন সঙ্গীত–গোবিন্দ অধিকারী—জন্ম ১৭৯৭ খৃঃ। >Qbr○ ( >२ ) তিলককামোদ–খেম্টা। বৃন্দাবন-বিলাসিনী রাই আমাদের। রাই আমাদের, রাই আমাদের, আমরা রাইয়ের, রাই আমাদের ॥ শুক বলে, আমার কৃষ্ণ মদনমোহন। শারী বলে, আমার রাধা বামে যতক্ষণ,— নৈলে শুধুই মদন ॥ শুক বলে, আমার কৃষ্ণ গিরি ধরেছিল । শারী বলে, আমার রাধা শক্তি সঞ্চারিল,— নৈলে পরিবে কেন ॥ শুক বলে, আমার কৃষ্ণের মাথায় ময়ূর-পাখা । শারী বলে, আমার রাধার নামটী তাতে লেখা,— ঐ যে যায় গো দেখা ॥ শুক বলে, আমার কৃষ্ণের চুড়া বামে হেলে। শারী বলে, আমার রাধার চরণ পাবে ব’লে,— চুড়া তাইতে হেলে। শুক বলে, আমার কৃষ্ণ যশোদ-জীবন। শারী বলে, আমার রাধা জীবনের জীবন,— নৈলে শূন্ত জীবন ॥ শুক বলে, আমার কৃষ্ণ জগৎচিন্তামণি ৷ শারী বলে, আমার রাধা প্রেম-প্রদায়িনী,— সে তোমার কৃষ্ণ জানে ॥ শুক বলে, আমার কৃষ্ণের বঁাশ করে গান । শারী বলে, সত্য বটে বলে রাধার নাম,— নৈলে মিছে সে গান ৷ শুক বলে, আমার কৃষ্ণ জগতের গুরু । শারী বলে, আমার রাধা বাঞ্ছাকল্পতরু,— - নৈলে কে কার গুরু ॥ শুক বলে, আমার কৃষ্ণ প্রেমের ভিখারী। শারী বলে, আমার রাধা প্রেমের লহরী,— প্রেমের ঢেউ কিশোরী ॥