পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/৯১৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পরিশিষ্ট—সমসের গাজির পুথি–১৮শ শতাব্দীর মধ্যভাগ । չե-(t Գ কাছিমের বহু গরু আর মৈষ ছিল । গাজির গায়েতে এক লাল কাবা ছিল ৷ মৈষ আসি বেড় দিল গজি মারিবারে । মহিষের হস্তে গাজির সন্ন্যাসীয়ে মন্ত্র পড়ি ফিরায় তাহারে ॥ উদ্ধার । সন্ন্যাসী দেখিয়া ধায় মৈষ-পালগণ । কাছিম দৌড়িয়ে এল গজির চরণ ॥ গাজিয়ে বলিলা তোর দেখি মৈষ-ঝাক । মোর দিগে রুখি এল এ বড় বিপাক ৷ না থাকিত যদি এই আমার সঙ্গতি। দেখিত সংসার-লোক আমার দুর্গতি ॥ কাছিম সরকার শুনি ধরে দুই পায়। গাজি বলে তোর প্রতি নাহি কিছু দায় ॥ উলটিয়া গেলা গাজি আপনার ঘরে । সাত দিনে কাছিমের সব মৈষ মরে ॥ আর যত পরস্তাব গাজির আছিল । পুস্তক বাড়য় দেখি তাহা না লেখিল ৷ স্বৰ্য্য উদয় হইলে না থাকে রজনী। রজনী ছুইলে যায় ঘরে দিনমণি ॥ চন্দ্র পূর্ণ হলে পাছে অবশু আন্ধারী। জোয়ার হইলে ভাটা না হয় লহরী ॥ আয়ু শেষ হলে কিছু না দেখে উপায়। ইষ্ট মিত্ৰ সকলেরে লাগে বিষ-প্রায় ॥ আর দিন আসি গজি তত্তে আরোহিলা । করযোড়ে আসি সব হাজির হইলা ॥ গাজি বলে কর এক জেয়াফত ভারী। g যার যেই বাঞ্ছা আছে কহ সত্য করি । মুনাদি ফিরায়ে দেও নগরে বাজারে । জেয়াফত খাইবারে আমার গোচরে ॥ আজ্ঞা পাই কারবারী হেন কৰ্ম্ম করে। জেয়াফত খাই সবে সোকরান করে ॥। গাজি বলে যাব আমি নবাব দেখিতে। যার যে অভাব বল আমার সাক্ষাতে ॥ ২৩৩