পাতা:বাংলার পাখি - জগদানন্দ রায়.djvu/১০৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


আবাবিল এই পাখীদের তােমরা দেখিয়াছ কিনা জানি না। অনেকে ইহাদিগকে “তালচোঁচ-জাতির পাখী বলিয়া মনে করেন। কিন্তু আরাবিল ও তালচোঁচ পৃথক জাতির পাখী। আবু বিলের পায়ের নখ, চেহারা এবং বাসা তালচোঁচাদের তুলনায় সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র। তালচোচেরা গাছের ডালে বসিতে পারে না, কিন্তু অবাবিলের ডালে বসে ও দরকার হইলে মাটিতে হঁটিয়া বেড়ায়। আমরা সচরাচর যে-সব আবাবিল দেখিতে পাই, তাহাদের পিঠের পালকের রঙ, কালো কিন্তু বুক ও পেটের রঙ, সাদা; লেজেও সাদা ফুটুকি আছে। মুখ ও গলা আবার কতকটা খয়েরি রঙের পালকে ঢাকা থাকে। ইহাদের বাসাগুলি অতি সুন্দর। কোথা হইতে কাদা বহিয়া আনিয়া ইহার পেয়ালার আকারে কাদার বাসা তৈয়ারি করে এবং কাদার উপরে আবার ঝরা-পালক লাগাইয়া দেয়। কখনো কখনো বাড়ীর কড়ি-বরগার ফঁাকে ও কাৰ্ণিসে এই রকম বাসা অনেক দেখা যায়। ইহারাও দল বাধিয়া থাকিতে ভালবাসে এবং অনেকে এক জায়গায় বাসা তৈয়ারি করে। আবাবিলের তালচোচাদেরই মতো স্মৃৰ্ত্তিবাজ পাখী। ইহাদিগকে একদণ্ডও স্থির থাকিতে দেখা যায় না ; ঝাকে